দি ক্রাইম ডেস্ক: খুলনায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে মো. রাশেদ কাজী (২০) নামে এক যুবককে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে মহানগরীর লবণচরা থানার স্কুলভিটা এলাকার স্কুলের সামনে তার ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। পরে তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে সেখানকার চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত রাশেদ মহানগরীর লবণচরা থানার কৃষ্ণনগর এলাকার বাসিন্দা কাজী আনিসুর রহমানের ছেলে।

নিহতের বড় ভাই কাজী রাইসুল জানান, সকালে রাশেদ বাড়িতে ছিলেন। বেলা সোয়া ১১টার দিকে তার পরিচিত এক যুবক তাকে বাড়ি থেকে ডেকে বাইরে নিয়ে যায়। পরে তারা জানতে পারেন স্কুলভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে জখম করেছে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

লবণচরা থানা এসআই পিযুষ দাস বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনার নেপথ্য জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। হত্যাকান্ডের সাথে রাশেদের পরিচিতরা জড়িত রয়েছে। ঘাতকদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে ১৯ মার্চ নিহত রাশেদের বাড়িতে ঢুকে তারা বাবা কাজী আনিসুর রহমান, মা রঞ্জুয়ারা বেগম, বড় ভাই রাইসুল ইসলাম, স্ত্রী ফাহিমাকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রায় তিন বছর আগে রাশেদ একটি মাদক মামলায় কারাবন্দি হয়েছিলেন। কারাগারে তার সঙ্গে একই ধরনের মামলায় বন্দি ইমরান নামে এক ব্যক্তির পরিচয় হয়। পরবর্তীতে ইমরানের বাড়িতে রাশিদ যাতায়াত শুরু করেন। আনুমানিক ছয়-সাত মাস আগে ইমরান আবারও এক মামলায় কারাগারে গেলে রাশিদ ইমরানের স্ত্রী ফাহিমাকে বিয়ে করেন। ধারণা করা হচ্ছে, এর জেরে ওই হামলা হয়েছিল। এবং মঙ্গলবার রাশেদকে হত্যা করা হয়েছে।

দি ক্রাইম ডেস্ক: খুলনায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে মো. রাশেদ কাজী (২০) নামে এক যুবককে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে মহানগরীর লবণচরা থানার স্কুলভিটা এলাকার স্কুলের সামনে তার ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। পরে তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে সেখানকার চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত রাশেদ মহানগরীর লবণচরা থানার কৃষ্ণনগর এলাকার বাসিন্দা কাজী আনিসুর রহমানের ছেলে।

নিহতের বড় ভাই কাজী রাইসুল জানান, সকালে রাশেদ বাড়িতে ছিলেন। বেলা সোয়া ১১টার দিকে তার পরিচিত এক যুবক তাকে বাড়ি থেকে ডেকে বাইরে নিয়ে যায়। পরে তারা জানতে পারেন স্কুলভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে জখম করেছে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

লবণচরা থানা এসআই পিযুষ দাস বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনার নেপথ্য জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। হত্যাকান্ডের সাথে রাশেদের পরিচিতরা জড়িত রয়েছে। ঘাতকদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে ১৯ মার্চ নিহত রাশেদের বাড়িতে ঢুকে তারা বাবা কাজী আনিসুর রহমান, মা রঞ্জুয়ারা বেগম, বড় ভাই রাইসুল ইসলাম, স্ত্রী ফাহিমাকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রায় তিন বছর আগে রাশেদ একটি মাদক মামলায় কারাবন্দি হয়েছিলেন। কারাগারে তার সঙ্গে একই ধরনের মামলায় বন্দি ইমরান নামে এক ব্যক্তির পরিচয় হয়। পরবর্তীতে ইমরানের বাড়িতে রাশিদ যাতায়াত শুরু করেন। আনুমানিক ছয়-সাত মাস আগে ইমরান আবারও এক মামলায় কারাগারে গেলে রাশিদ ইমরানের স্ত্রী ফাহিমাকে বিয়ে করেন। ধারণা করা হচ্ছে, এর জেরে ওই হামলা হয়েছিল। এবং মঙ্গলবার রাশেদকে হত্যা করা হয়েছে।