মাজহারুল ইসলাম রানা,নগর প্রতিবেদক: বাংলাদেশ রেলওয়ে সরঞ্জাম বিভাগ থেকেই প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (সিসিএস) নিয়োগর দাবিতে মানববন্ধন করেছে রেলওয়ে স্টোরস সংগ্রাম পরিষদের ব্যানারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মচারীরা।আজ রোববার (০৫ এপ্রিল) বেলা ১১টায় পাহাড়তলী সিসিএস দপ্তরের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন,যেহেতু সরঞ্জাম বিভাগের কোন কর্মকর্তাকে অন্য বিভাগে কর্মকর্তা হিসেবে পদায়ন করা হয় না, সেহেতু সরঞ্জাম বিভাগের বাইরের কোনো কর্মকর্তাকে পদায়ন এই দপ্তরের প্রধান করা যুক্তিযুক্ত হবে না। কারণ তিনি সরঞ্জাম বিভাগের কার্যাবলী সম্পর্কে অবহিত নন তাই শুধুমাত্র সরঞ্জাম বিভাগ হতে এই বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা বা সিসিএস পদে পদায়ন করতে হবে, সরঞ্জাম বিভাগ ছাড়া অন্য কোন বিভাগ থেকে সিসিএস পদে পদায়ন করা যাবে না এবং সঞ্জাম বিভাগ ঢাকায় হস্তান্তর করা যাবে না। রেলওয়েকে সচল রাখার স্বার্থে সরঞ্জাম বিভাগ থেকে সিসিএস নিয়োগ করতে হবে,৩য়, ৪য় শ্রেণীর কর্মচারীদের দ্রুত পদোন্নতি দিতে হবে।

পরিষদের মুখপাত্র মো.কামাল বলেন, গত দেড় বছর আগে বেলাল হোসেন সরকারকে প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক পদে পদায়ন করা হয়েছিল। নানা দুর্নীতির তকমা দিয়ে তাকে গত ১৫ মার্চ রেলভবনে ওএসডি করা হয়েছে । একই আদেশে পশ্চিমাঞ্চলের সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (সিওএস) প্রকৌশলী আনোয়ারু ইসলামকে প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক পদে পদায়ন করা হয়, কিন্তু দুঃখের বিষয় কোন ধরনের দোষ ত্রুটি, কাজের অভিজ্ঞতা বিবেচনা না করে মাত্র আট কর্ম দিবসের মধ্যে তাকে পূনরায় পূর্বের পদে (সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক পশ্চিম) অমানবিকভাবে বদলি করা হয় ।

এতে বুঝা যায়, সরঞ্জাম বিভাগের কর্মকর্তারা ফ্যাক্ট নয়, আসল উদ্দেশ্য হল সরঞ্জাম বিভাগকে ষড়যন্ত্রের নীল নকশার মাধ্যমে কর্মকর্তাদেরকে বিভিন্ন দুর্নীতির অজুহাত দেখিয়ে রাজনীতির প্রতিহিংসার ট্যাগ দিয়ে দেড়শ বছরের ব্রিটিশ পাকিস্তান বাংলাদেশ ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছানোর জন্য একটি কুচক্রী মহল কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা রেলওয়ে স্টোরস সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে এর তীব্র প্রতিবাদ এবং নিন্দা জানাচ্ছি। রেলে পূর্বে সরঞ্জাম বিভাগের মাধ্যমে ৮০ শতাংশ কাঁচামাল ক্রয় করা হতো । কিন্তু বিভিন্ন অজুহাতের মাধ্যমে রেলের কিছু চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তা রেলকে ধ্বংসের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমতায় বসার সাথে সাথে রেলকে বাংলাদেশের সকল বিভাগে সর্বস্তরে জনসেবার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।

তিনি বলেন,আমাদের ধারণা বর্তমান সরকারকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এবং বিভ্রান্ত করার জন্য রেল প্রতিষ্ঠান নয় কেবল, বর্তমান তারেক রহমান সরকারের মূল ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য রেলের সর্বস্তরে ষড়যন্ত্র বিরাজ করে যাচ্ছেন। আমরা দুর্বার কন্ঠে বলতে চাই, সেই সকল ষড়যন্ত্রকারী ব্যক্তিবর্গকে চিহ্নিত করতে হবে ।

মুখপাত্র আরো বলেন,সরকার ইতিপূর্বে রাজধানী ঢাকা থেকে জনসমাগমের চাপ কমানোর লক্ষ্যে, তার সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে বিভাগীয় শহরগুলোতে শিল্পনগরী গড়ে তোলার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন । অথচ অদৃশ্য বলয় শক্তির দ্বারা, সরঞ্জাম বিভাগের মূল দপ্তরটি নাকি রেল ভবনে ঢাকা স্থানান্তরের চেষ্টা চলমান। এটাও সরঞ্জাম বিভাগকে ধ্বংস করার জন্য একটি ষড়যন্ত্রের মূল রূপরেখা হতে পারে।বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম,, অথচ ক্রয় সংগ্রহের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানটি ঢাকা রেল ভবনে নেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে।

সর্বোপরি আমাদের মূল বক্তব্য,স্টোরস সংগ্রাম পরিষদের স্মারকলিপিও দাবি অনুযায়ী, সকল দলের ষড়যন্ত্র রুখে দিতে, রেল সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার সরঞ্জাম বিভাগের পূর্বের স্টোর কোড অনুযায়ী ডিজেল লোকোমেটিভ, ক্যারেজ অ্যান্ড ওয়ারগনের সকল ধরনের মালামাল অত্র দপ্তরের মাধ্যমে মজুদ করতে হবে ।

মানববন্ধনে স্টোরস সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি মো.আমিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, জাতীয়তাবাদী রেলওয়ে শ্রমিকদলের বিভাগীয় সমন্বয়ক মো.জিয়াউর রহমান জিয়া,স্টোরস সংগ্রাম পরিষদের সদস্য মো. জিয়াউর রহমান,মো.লোকমান হাকিম,মুহাম্মদ শাহাদাত হোসেন সহ স্টোর সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ সহ সরঞ্জাম বিভাগের সর্বস্তরের কর্মচারীগণ।

মাজহারুল ইসলাম রানা,নগর প্রতিবেদক: বাংলাদেশ রেলওয়ে সরঞ্জাম বিভাগ থেকেই প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (সিসিএস) নিয়োগর দাবিতে মানববন্ধন করেছে রেলওয়ে স্টোরস সংগ্রাম পরিষদের ব্যানারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মচারীরা।আজ রোববার (০৫ এপ্রিল) বেলা ১১টায় পাহাড়তলী সিসিএস দপ্তরের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন,যেহেতু সরঞ্জাম বিভাগের কোন কর্মকর্তাকে অন্য বিভাগে কর্মকর্তা হিসেবে পদায়ন করা হয় না, সেহেতু সরঞ্জাম বিভাগের বাইরের কোনো কর্মকর্তাকে পদায়ন এই দপ্তরের প্রধান করা যুক্তিযুক্ত হবে না। কারণ তিনি সরঞ্জাম বিভাগের কার্যাবলী সম্পর্কে অবহিত নন তাই শুধুমাত্র সরঞ্জাম বিভাগ হতে এই বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা বা সিসিএস পদে পদায়ন করতে হবে, সরঞ্জাম বিভাগ ছাড়া অন্য কোন বিভাগ থেকে সিসিএস পদে পদায়ন করা যাবে না এবং সঞ্জাম বিভাগ ঢাকায় হস্তান্তর করা যাবে না। রেলওয়েকে সচল রাখার স্বার্থে সরঞ্জাম বিভাগ থেকে সিসিএস নিয়োগ করতে হবে,৩য়, ৪য় শ্রেণীর কর্মচারীদের দ্রুত পদোন্নতি দিতে হবে।

পরিষদের মুখপাত্র মো.কামাল বলেন, গত দেড় বছর আগে বেলাল হোসেন সরকারকে প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক পদে পদায়ন করা হয়েছিল। নানা দুর্নীতির তকমা দিয়ে তাকে গত ১৫ মার্চ রেলভবনে ওএসডি করা হয়েছে । একই আদেশে পশ্চিমাঞ্চলের সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (সিওএস) প্রকৌশলী আনোয়ারু ইসলামকে প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক পদে পদায়ন করা হয়, কিন্তু দুঃখের বিষয় কোন ধরনের দোষ ত্রুটি, কাজের অভিজ্ঞতা বিবেচনা না করে মাত্র আট কর্ম দিবসের মধ্যে তাকে পূনরায় পূর্বের পদে (সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক পশ্চিম) অমানবিকভাবে বদলি করা হয় ।

এতে বুঝা যায়, সরঞ্জাম বিভাগের কর্মকর্তারা ফ্যাক্ট নয়, আসল উদ্দেশ্য হল সরঞ্জাম বিভাগকে ষড়যন্ত্রের নীল নকশার মাধ্যমে কর্মকর্তাদেরকে বিভিন্ন দুর্নীতির অজুহাত দেখিয়ে রাজনীতির প্রতিহিংসার ট্যাগ দিয়ে দেড়শ বছরের ব্রিটিশ পাকিস্তান বাংলাদেশ ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছানোর জন্য একটি কুচক্রী মহল কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা রেলওয়ে স্টোরস সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে এর তীব্র প্রতিবাদ এবং নিন্দা জানাচ্ছি। রেলে পূর্বে সরঞ্জাম বিভাগের মাধ্যমে ৮০ শতাংশ কাঁচামাল ক্রয় করা হতো । কিন্তু বিভিন্ন অজুহাতের মাধ্যমে রেলের কিছু চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তা রেলকে ধ্বংসের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমতায় বসার সাথে সাথে রেলকে বাংলাদেশের সকল বিভাগে সর্বস্তরে জনসেবার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।

তিনি বলেন,আমাদের ধারণা বর্তমান সরকারকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এবং বিভ্রান্ত করার জন্য রেল প্রতিষ্ঠান নয় কেবল, বর্তমান তারেক রহমান সরকারের মূল ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য রেলের সর্বস্তরে ষড়যন্ত্র বিরাজ করে যাচ্ছেন। আমরা দুর্বার কন্ঠে বলতে চাই, সেই সকল ষড়যন্ত্রকারী ব্যক্তিবর্গকে চিহ্নিত করতে হবে ।

মুখপাত্র আরো বলেন,সরকার ইতিপূর্বে রাজধানী ঢাকা থেকে জনসমাগমের চাপ কমানোর লক্ষ্যে, তার সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে বিভাগীয় শহরগুলোতে শিল্পনগরী গড়ে তোলার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন । অথচ অদৃশ্য বলয় শক্তির দ্বারা, সরঞ্জাম বিভাগের মূল দপ্তরটি নাকি রেল ভবনে ঢাকা স্থানান্তরের চেষ্টা চলমান। এটাও সরঞ্জাম বিভাগকে ধ্বংস করার জন্য একটি ষড়যন্ত্রের মূল রূপরেখা হতে পারে।বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম,, অথচ ক্রয় সংগ্রহের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানটি ঢাকা রেল ভবনে নেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে।

সর্বোপরি আমাদের মূল বক্তব্য,স্টোরস সংগ্রাম পরিষদের স্মারকলিপিও দাবি অনুযায়ী, সকল দলের ষড়যন্ত্র রুখে দিতে, রেল সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার সরঞ্জাম বিভাগের পূর্বের স্টোর কোড অনুযায়ী ডিজেল লোকোমেটিভ, ক্যারেজ অ্যান্ড ওয়ারগনের সকল ধরনের মালামাল অত্র দপ্তরের মাধ্যমে মজুদ করতে হবে ।

মানববন্ধনে স্টোরস সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি মো.আমিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, জাতীয়তাবাদী রেলওয়ে শ্রমিকদলের বিভাগীয় সমন্বয়ক মো.জিয়াউর রহমান জিয়া,স্টোরস সংগ্রাম পরিষদের সদস্য মো. জিয়াউর রহমান,মো.লোকমান হাকিম,মুহাম্মদ শাহাদাত হোসেন সহ স্টোর সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ সহ সরঞ্জাম বিভাগের সর্বস্তরের কর্মচারীগণ।