দি ক্রাইম ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জ শহরকে জলাবদ্ধতা মুক্ত করতে প্রায় ২ বছর যাবৎ নগরের প্রধান সড়কের দুই পাশসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে ডিপ ড্রেনের কাজ চলছে। এরমধ্যে কিছু কাজ শেষ হয়েছে। এদিকে বৃষ্টি পুরোপুরি শুরুর আগেই নগরের ড্রেনের কাজ শেষ না হওয়ায় নগরবাসীর কপালে চিন্তার ভাজ দেখা গেছে। বিশেষ করে নাসিকের সবচেয়ে বড় ও ঘনবসতি পূর্ণ ওয়ার্ড হিসেবে পরিচিত ১৩ নম্বর ওয়ার্ডবাসী রয়েছে সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তায়। কারণ প্রতি বর্ষাতেই এই ওয়ার্ডের বেশির ভাগ এলাকায় থাকে হাঁটু পানি।
তবে নাসিক সূত্রে জানা গেছে, ড্রেনের কাজ পুরোপুরি শেষ না হলেও যতটুকু কাজ হয়েছে তাতে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে বিগত বছরগুলোর মতো এত জলাবদ্ধতা হবে না। তাছাড়া ঈদুল আযহার আগেই ড্রেনের কাজের পাশাপাশি নগরের রাস্তা-ঘাটগুলো সংস্কারের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের নাসিক প্রশাসকের পক্ষ থেকে চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরের বঙ্গবন্ধু সড়কের দুই পাশে ডিপ ড্রেনের কাজ শেষ হয়েছে। ফুটপাতেরও বেশির ভাগ কাজ শেষ। পাশাপাশি নগরের যেসব ওয়ার্ডে বর্ষায় জলাবদ্ধতা হয় ঐসব ওয়ার্ডেও ড্রেনের কাজ চলমান। এরমধ্যে ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের অনেক এলাকায় ড্রেনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু রাস্তার কাজ না করায় ঐসব এলাকায়
দীর্ঘ যানজট দেখা দেয়।
১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদ্য সাবেক কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ বলেন, মাসদাইর বাজার এলাকার রাস্তাটি সংস্কার জরুরি। রাস্তাটি সংস্কার না হওয়ায় স্থানীয়রা দুর্ভোগে রয়েছেন। তিনি আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে রাস্তাটি সংস্কারের দাবি জানান। নাসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আজগর হোসেন বলেন, প্রশাসক সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে দ্রুত সড়ক মেরামতের তাগাদা দিয়েছেন। যেসব স্থানে ড্রেনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে ঐসব এলাকার রাস্তার কাজ দ্রুত শুরু করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
নাসিকের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, পুরো নগর জুড়ে ড্রেন এবং সংশ্লিষ্ট যেসব কাজ চলমান রয়েছে সেগুলো জরুরি ভিত্তিতে শেষ করতে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের ডেকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে আমরা এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।
ঠিকাদার মাঈনুদ্দিন বলেন, আমরা আমাদের যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। তবে অনেক এলাকায় নানা কারণে এখনো ড্রেনের কাজ শেষ হয়নি। তাই রাস্তার কাজ শুরু করতে বিলম্ব হচ্ছে। তবে সিটি করপোরেশন থেকে বলা হয়েছে যেসব স্থানে ড্রেনের কাজ শেষ হয়েছে ঐসব এলাকার রাস্তার কাজ দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেষ করতে। জনদুর্ভোগ কমাতে আমরাও সেই চেষ্টা করছি।




