ঢাকা অফিস: বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ। তিনি পাহাড় ও সমতলের সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং একটি দুর্নীতিমুক্ত আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান। আজ বুধবার(২৫ মার্চ) সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত ‘ঈদ পরবর্তী পুনর্মিলনী’ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এসব কথা বলেন।

পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে কিছুটা ভিন্ন ও স্পর্শকাতর।

আগামী ১২ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ উৎসব প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এবারের উৎসবের নামকরণে কেবল ‘বৈসাবি’ শব্দটি ব্যবহার না করে পাহাড়ের সকল সম্প্রদায়ের নিজস্ব আত্মপরিচয় ফুটিয়ে তোলা হবে। এবার থেকে আমরা বিজু-সাংগ্রাই-বৈষু-বিষু-চাংক্রান-সাংক্রান-সাংগ্রাইংসহ সকল সম্প্রদায়ের বৃহত্তর সামাজিক উৎসবগুলো পালনে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

সভায় মন্ত্রী পার্বত্য চট্টগ্রামের বেকারত্ব দূরীকরণ, সরকারি নিয়োগ কার্যক্রম গতিশীল করা এবং শূন্যপদগুলো যথাযথভাবে পূরণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে আজকের এ দিনে ঐতিহাসিক ঘটনার তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, আজ ২৫ মার্চ, গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। তিনি গভীর শ্রদ্ধার সাথে শোকাবহ দিনটিকে স্মরণ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন -ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

ঢাকা অফিস: বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ। তিনি পাহাড় ও সমতলের সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং একটি দুর্নীতিমুক্ত আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান। আজ বুধবার(২৫ মার্চ) সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত ‘ঈদ পরবর্তী পুনর্মিলনী’ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এসব কথা বলেন।

পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে কিছুটা ভিন্ন ও স্পর্শকাতর।

আগামী ১২ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ উৎসব প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এবারের উৎসবের নামকরণে কেবল ‘বৈসাবি’ শব্দটি ব্যবহার না করে পাহাড়ের সকল সম্প্রদায়ের নিজস্ব আত্মপরিচয় ফুটিয়ে তোলা হবে। এবার থেকে আমরা বিজু-সাংগ্রাই-বৈষু-বিষু-চাংক্রান-সাংক্রান-সাংগ্রাইংসহ সকল সম্প্রদায়ের বৃহত্তর সামাজিক উৎসবগুলো পালনে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

সভায় মন্ত্রী পার্বত্য চট্টগ্রামের বেকারত্ব দূরীকরণ, সরকারি নিয়োগ কার্যক্রম গতিশীল করা এবং শূন্যপদগুলো যথাযথভাবে পূরণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে আজকের এ দিনে ঐতিহাসিক ঘটনার তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, আজ ২৫ মার্চ, গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। তিনি গভীর শ্রদ্ধার সাথে শোকাবহ দিনটিকে স্মরণ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন -ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ সভায় অংশগ্রহণ করেন।