ঢাকা অফিস: “পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে আমি দেশে ও প্রবাসে বসবাসকারী সকল বাংলাদেশি এবং সারা বিশ্বের মুসলমানদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। ঈদ-উল-ফিতর মুসলমানদের প্রধানতম ধর্মীয় উৎসব। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর অপার খুশি আর আনন্দের সুসংবাদ নিয়ে আমাদের মাঝে সমাগত হয় পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর।
মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার মাধ্যমে মু’মিন মুসলমানগণ সকল অন্যায়, অবিচার ও পাপাচার হতে মুক্ত হয়ে উত্তম চারিত্রিক গুণাবলি অর্জন ও পারলৌকিক মুক্তির প্রয়াস পায়। ঈদের দিনে ধনী-গরিব সবাই এক কাতারে শামিল হন এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন।
শান্তি, সম্প্রীতি, সাম্য ও সৌহার্দ্যময় রাষ্ট্র গঠনে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের তাৎপর্য অপরিসীম। অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার শুভসূচনা ঘটেছে। একটি ন্যায়ভিত্তিক, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের অভিযাত্রায় আমরা এগিয়ে চলেছি। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের এ অভিযাত্রায় পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শিক্ষা সকলের মাঝে নতুন উদ্যম ও অনুপ্রেরণা যোগাবে এ প্রত্যাশা করি।
বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সংকটের অনাকাঙ্ক্ষিত অভিঘাত বাংলাদেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছে। এসময় সমাজের বিত্তবান ও সচ্ছল শ্রেণিকে দরিদ্র ও পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর পাশে আরো দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর জন্য আমি আহ্বান জানাচ্ছি।
ঈদের অনাবিল আনন্দে সবার জীবন ভরে উঠুক। সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি ছড়িয়ে যাক সবার ঘরে ঘরে। প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ, মুসলিম উম্মাহ ও বিশ্বের সকল মানুষের সুখ, শান্তি, কল্যাণ ও উত্তরোত্তর উন্নতির জন্য আমি মহান আল্লাহ্র কাছে প্রার্থনা করছি।




