দি ক্রাইম ডেস্ক: নদীতে তীব্র স্রোতে ও জোয়ারের চাপে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে খুলনার ৪০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ। বিভিন্ন এলাকার বাঁধে কোথাও দেখা দিয়েছে বড় বড় ফাঁটল, কোথাও নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে অংশ। যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙে লবণাক্ত পানিতে প্লাবিত হতে পারে বিস্তীর্ণ জনপদ এমন আশঙ্কায় দিন কাটছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।

এদিকে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ চলছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তাদের তথ্যমতে, খুলনায় বেড়িবাঁধের বড় একটি অংশ নিয়মিত সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে।

খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী ইউনিয়নের ঝপঝপিয়া নদীর তীরে এখন আতঙ্কই যেন নিত্যসঙ্গী। নদীর পাড় ঘেঁষে ভাঙছে বেড়িবাঁধ। বর্ষার ঢেউ আর জোয়ারের চাপে প্রতিদিনই বাড়ছে ঝুঁকি।

স্থানীয় বাসিন্দা রোকেয়া বেগম জানান, ‍গত পাঁচ বছরে তিন দফা নদী ভাঙনে তিনি হারিয়েছেন নিজের বসতভিটা। নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ায় আবারো অনিশ্চয়তার মুখে তার পরিবার।

তিনি বলেন, “আগের ভাঙনে সব হারাইছি। অনেক কষ্টে আবার ঘর তুলছি। এখন আবার বাঁধ ভাঙতেছে। রাত হলেই ভয় লাগে, কখন কী হয়।”

শুধু পানখালী নয়, দাকোপ উপজেলার জাবেরের খেয়াঘাট, লক্ষীখোলা ও নলডাঙ্গাসহ অন্তত ১০টি পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া, পাইকগাছার দেলুটি ও লতা ইউনিয়ন, কয়রার মহেশ্বরীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় নদীর পাড় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল গফুর বলেন, “জোয়ারের সময় ঘুম আসে না। বাঁধ ভেঙে গেলে ঘের, জমি, বাড়িঘর সব শেষ হয়ে যাবে। তাই প্রায়ই রাত জেগে বাঁধের অবস্থা দেখতে হয়।”

একই ধরনের শঙ্কার কথা জানালেন পানখালীর আরেক বাসিন্দা রহিমা খাতুন। তিনি বলেন, “আইলা আর আম্পানের সময় যা কষ্ট হইছে, তা এখনো ভুলতে পারি না। আকাশে মেঘ দেখলেই ভয় লাগে।”

এলাকাবাসী জানান, বছরের পর বছর একই স্থানে ভাঙন দেখা দিলেও স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। সাময়িক মেরামতের পর কিছুদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও পরবর্তী বর্ষায় আবারো দেখা দেয় একই সমস্যা। ফলে প্রতিটি বর্ষা মৌসুমই তাদের কাছে নতুন দুর্যোগের বার্তা নিয়ে আসে।

তারা জানান, বাঁধ ভেঙে গেলে শুধু মাটি বা ইটের কাঠামো ভাঙে না, ভেঙে পড়ে মানুষের স্বপ্ন, জীবিকা আর নিরাপত্তাবোধও। তাই সাময়িক সংস্কারের গন্ডি পেরিয়ে উপকূলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি টেকসই, কার্যকর ও স্থায়ী ভেড়িবাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে দুর্ভোগ থেকে স্থায়ী মুক্তি।

খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জহির মাজহার বলেন, “ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার ও মেরামত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি টেকসই ও স্থায়ী ভেড়িবাঁধ নির্মাণে কয়েকটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

দি ক্রাইম ডেস্ক: নদীতে তীব্র স্রোতে ও জোয়ারের চাপে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে খুলনার ৪০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ। বিভিন্ন এলাকার বাঁধে কোথাও দেখা দিয়েছে বড় বড় ফাঁটল, কোথাও নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে অংশ। যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙে লবণাক্ত পানিতে প্লাবিত হতে পারে বিস্তীর্ণ জনপদ এমন আশঙ্কায় দিন কাটছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।

এদিকে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ চলছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তাদের তথ্যমতে, খুলনায় বেড়িবাঁধের বড় একটি অংশ নিয়মিত সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে।

খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী ইউনিয়নের ঝপঝপিয়া নদীর তীরে এখন আতঙ্কই যেন নিত্যসঙ্গী। নদীর পাড় ঘেঁষে ভাঙছে বেড়িবাঁধ। বর্ষার ঢেউ আর জোয়ারের চাপে প্রতিদিনই বাড়ছে ঝুঁকি।

স্থানীয় বাসিন্দা রোকেয়া বেগম জানান, ‍গত পাঁচ বছরে তিন দফা নদী ভাঙনে তিনি হারিয়েছেন নিজের বসতভিটা। নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ায় আবারো অনিশ্চয়তার মুখে তার পরিবার।

তিনি বলেন, “আগের ভাঙনে সব হারাইছি। অনেক কষ্টে আবার ঘর তুলছি। এখন আবার বাঁধ ভাঙতেছে। রাত হলেই ভয় লাগে, কখন কী হয়।”

শুধু পানখালী নয়, দাকোপ উপজেলার জাবেরের খেয়াঘাট, লক্ষীখোলা ও নলডাঙ্গাসহ অন্তত ১০টি পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া, পাইকগাছার দেলুটি ও লতা ইউনিয়ন, কয়রার মহেশ্বরীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় নদীর পাড় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল গফুর বলেন, “জোয়ারের সময় ঘুম আসে না। বাঁধ ভেঙে গেলে ঘের, জমি, বাড়িঘর সব শেষ হয়ে যাবে। তাই প্রায়ই রাত জেগে বাঁধের অবস্থা দেখতে হয়।”

একই ধরনের শঙ্কার কথা জানালেন পানখালীর আরেক বাসিন্দা রহিমা খাতুন। তিনি বলেন, “আইলা আর আম্পানের সময় যা কষ্ট হইছে, তা এখনো ভুলতে পারি না। আকাশে মেঘ দেখলেই ভয় লাগে।”

এলাকাবাসী জানান, বছরের পর বছর একই স্থানে ভাঙন দেখা দিলেও স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। সাময়িক মেরামতের পর কিছুদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও পরবর্তী বর্ষায় আবারো দেখা দেয় একই সমস্যা। ফলে প্রতিটি বর্ষা মৌসুমই তাদের কাছে নতুন দুর্যোগের বার্তা নিয়ে আসে।

তারা জানান, বাঁধ ভেঙে গেলে শুধু মাটি বা ইটের কাঠামো ভাঙে না, ভেঙে পড়ে মানুষের স্বপ্ন, জীবিকা আর নিরাপত্তাবোধও। তাই সাময়িক সংস্কারের গন্ডি পেরিয়ে উপকূলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি টেকসই, কার্যকর ও স্থায়ী ভেড়িবাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে দুর্ভোগ থেকে স্থায়ী মুক্তি।

খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জহির মাজহার বলেন, “ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার ও মেরামত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি টেকসই ও স্থায়ী ভেড়িবাঁধ নির্মাণে কয়েকটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”