দি ক্রাইম ডেস্ক: নগরের হালিশহরে বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় শিপন (৩০) নামে আরও একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে ঘটনাটিতে দগ্ধ ৯ জনের মধ্যে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বিস্ফোরণে দগ্ধ তিন শিশু— উম্মে আইমান (১০), বোন আয়েশা (৪) ও ফারহান আহমেদ (৬)। এই তিন শিশু জানে না পরিবারের বাকি সদস্যরা বেঁচে নেই।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, সাখাওয়াতের শরীরের ৮২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

এর আগে, মারা গেছেন শিপনের ভাই সাখাওয়াত হোসেন, স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী, ছেলে শাওন, বড় ভাই সামির আহমেদ সুমন, বড় ভাইয়ের স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি।

ডা. শাওন জানান, বর্তমানে সাখাওয়াতের মেয়ে উম্মে আয়মান স্নিগ্ধা ৩৮ শতাংশ, ভাইয়ের মেয়ে আয়েশা ৪৫ শতাংশ, ভাইয়ের ছেলে ফারহান আহমেদ আনাস ৩০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এদিকে আগুনে পোড়া শরীর নিয়ে উম্মে আইমান চিকিৎসাধীন ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে ভর্তি আছে। দগ্ধ ক্ষত নিয়ে শয্যায় কাতরাচ্ছে শিশুটি। সেখানে কিছু সময় পরপর সে আকুতি জানাচ্ছে তার মা-বাবাকে দেখার। একই সময়ে দগ্ধ হয় তার মা-বাবা ও কিশোর ভাই। তাদের সবার মৃত্যু হয়েছে।

উম্মে আইমান চিকিৎসাধীন ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে। দগ্ধ হয়ে একই হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে আইমানের দুই চাচাতো ভাই–বোন আয়েশা ও ফারহান আহমেদ। তাদের মা-বাবারও মৃত্যু হয়েছে চিকিৎসাধীন অবস্থায়। তাদেরও জানানো হয়নি মা-বাবা, চাচাসহ পরিবারের আর কেউ বেঁচে না থাকার বিষয়টি।

এর আগে, গত সোমবার ভোরে হালিশহরের বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওইদিন সন্ধ্যার দিকে তাদেরকে বার্ন ইন্সটিটিউটে নিয়ে আসে স্বজনরা। এই ঘটনায় দগ্ধ হয় মো. সাখাওয়াত হোসেন , স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী (৪০), ছেলে শাওন মেয়ে উম্মে আয়মান স্নিগ্ধা, সাখাওয়াতের ছোট ভাই সামির আহমেদ সুমন, স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি, মেয়ে আয়েশা, ছেলে ফারহান আহমেদ আনাস এবং সাখাওয়াতের আরেক ছোট ভাই শিপন হোসেন।

পরে আয়মান, আয়েশা এবং ফারহান ছাড়া বাকি ৬ জনের মৃত্যু হয়।

বিস্ফোরণের সুস্পষ্ট কারণ জানা যায়নি। ঘটনার পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো। ঘটনার তদন্তে তিনটি কমিটি কাজ করেছে। ফায়ার সার্ভিস, কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ও জেলা প্রশাসন পৃথকভাবে এসব তদন্ত কমিটি গঠন করে।

ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রামের উপ-সহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘তদন্ত কমিটির কাজ চলছে। প্রতিবেদন পেলে কী কারণে দুর্ঘটনা হয়েছে সেটি নিশ্চিতভাবে বলা যাবে।’

দি ক্রাইম ডেস্ক: নগরের হালিশহরে বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় শিপন (৩০) নামে আরও একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে ঘটনাটিতে দগ্ধ ৯ জনের মধ্যে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বিস্ফোরণে দগ্ধ তিন শিশু— উম্মে আইমান (১০), বোন আয়েশা (৪) ও ফারহান আহমেদ (৬)। এই তিন শিশু জানে না পরিবারের বাকি সদস্যরা বেঁচে নেই।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, সাখাওয়াতের শরীরের ৮২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

এর আগে, মারা গেছেন শিপনের ভাই সাখাওয়াত হোসেন, স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী, ছেলে শাওন, বড় ভাই সামির আহমেদ সুমন, বড় ভাইয়ের স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি।

ডা. শাওন জানান, বর্তমানে সাখাওয়াতের মেয়ে উম্মে আয়মান স্নিগ্ধা ৩৮ শতাংশ, ভাইয়ের মেয়ে আয়েশা ৪৫ শতাংশ, ভাইয়ের ছেলে ফারহান আহমেদ আনাস ৩০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এদিকে আগুনে পোড়া শরীর নিয়ে উম্মে আইমান চিকিৎসাধীন ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে ভর্তি আছে। দগ্ধ ক্ষত নিয়ে শয্যায় কাতরাচ্ছে শিশুটি। সেখানে কিছু সময় পরপর সে আকুতি জানাচ্ছে তার মা-বাবাকে দেখার। একই সময়ে দগ্ধ হয় তার মা-বাবা ও কিশোর ভাই। তাদের সবার মৃত্যু হয়েছে।

উম্মে আইমান চিকিৎসাধীন ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে। দগ্ধ হয়ে একই হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে আইমানের দুই চাচাতো ভাই–বোন আয়েশা ও ফারহান আহমেদ। তাদের মা-বাবারও মৃত্যু হয়েছে চিকিৎসাধীন অবস্থায়। তাদেরও জানানো হয়নি মা-বাবা, চাচাসহ পরিবারের আর কেউ বেঁচে না থাকার বিষয়টি।

এর আগে, গত সোমবার ভোরে হালিশহরের বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওইদিন সন্ধ্যার দিকে তাদেরকে বার্ন ইন্সটিটিউটে নিয়ে আসে স্বজনরা। এই ঘটনায় দগ্ধ হয় মো. সাখাওয়াত হোসেন , স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী (৪০), ছেলে শাওন মেয়ে উম্মে আয়মান স্নিগ্ধা, সাখাওয়াতের ছোট ভাই সামির আহমেদ সুমন, স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি, মেয়ে আয়েশা, ছেলে ফারহান আহমেদ আনাস এবং সাখাওয়াতের আরেক ছোট ভাই শিপন হোসেন।

পরে আয়মান, আয়েশা এবং ফারহান ছাড়া বাকি ৬ জনের মৃত্যু হয়।

বিস্ফোরণের সুস্পষ্ট কারণ জানা যায়নি। ঘটনার পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো। ঘটনার তদন্তে তিনটি কমিটি কাজ করেছে। ফায়ার সার্ভিস, কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ও জেলা প্রশাসন পৃথকভাবে এসব তদন্ত কমিটি গঠন করে।

ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রামের উপ-সহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘তদন্ত কমিটির কাজ চলছে। প্রতিবেদন পেলে কী কারণে দুর্ঘটনা হয়েছে সেটি নিশ্চিতভাবে বলা যাবে।’