বিজন কুমার বিশ্বাস, কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর শহরের ব্যস্ত মহাসড়ক দখল করে কালো পলিথিন বিক্রি, যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং এবং অবৈধ যানবাহনের অবাধ চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এসব অনিয়ম চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তেমন কোনো দৃশ্যমান তৎপরতা নেই।

সড়কের পাশে নয়, সরাসরি মহাসড়কের একাংশ দখল করে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে কালো পলিথিন। স্থানীয়দের দাবি, এসব পলিথিন সাধারণত অবৈধ পাহাড় কাটা, বালি ভরাট এবং আড়ালে মাটি সরানোর মতো অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত হয়। ফলে প্রকাশ্যে এই বিক্রি চলা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

একাধিক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “প্রশাসনের চোখের সামনেই এসব চলছে, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেই।

মহাসড়ক ও পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশে নিয়ম না মেনে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং করায় প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট। বিশেষ করে বাজার এলাকা ও বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন সড়কে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত স্থবির অবস্থা দেখা যায়।

নিয়ন্ত্রণহীনভাবে চলাচল করছে লাইসেন্সবিহীন অটোরিকশা ও টমটম। কোনো নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড বা রুট না থাকায় তারা যেখানে খুশি থামছে, যাত্রী তুলছে— এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ট্রাফিক পুলিশের তৎপরতা প্রায় নেই বললেই চলে। নিয়মিত অভিযান বা নজরদারি না থাকায় দিন দিন পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে।

ভুক্তভোগী নাগরিকরা অবিলম্বে— মহাসড়ক দখলমুক্ত করা, কালো পলিথিন বিক্রি বন্ধ অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদ, অটোরিকশা ও টমটম নিয়ন্ত্রণ —এই চার দফা দাবিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে চকরিয়া শহরের যানজট ও অব্যবস্থাপনা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

বিজন কুমার বিশ্বাস, কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর শহরের ব্যস্ত মহাসড়ক দখল করে কালো পলিথিন বিক্রি, যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং এবং অবৈধ যানবাহনের অবাধ চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এসব অনিয়ম চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তেমন কোনো দৃশ্যমান তৎপরতা নেই।

সড়কের পাশে নয়, সরাসরি মহাসড়কের একাংশ দখল করে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে কালো পলিথিন। স্থানীয়দের দাবি, এসব পলিথিন সাধারণত অবৈধ পাহাড় কাটা, বালি ভরাট এবং আড়ালে মাটি সরানোর মতো অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত হয়। ফলে প্রকাশ্যে এই বিক্রি চলা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

একাধিক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “প্রশাসনের চোখের সামনেই এসব চলছে, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেই।

মহাসড়ক ও পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশে নিয়ম না মেনে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং করায় প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট। বিশেষ করে বাজার এলাকা ও বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন সড়কে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত স্থবির অবস্থা দেখা যায়।

নিয়ন্ত্রণহীনভাবে চলাচল করছে লাইসেন্সবিহীন অটোরিকশা ও টমটম। কোনো নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড বা রুট না থাকায় তারা যেখানে খুশি থামছে, যাত্রী তুলছে— এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ট্রাফিক পুলিশের তৎপরতা প্রায় নেই বললেই চলে। নিয়মিত অভিযান বা নজরদারি না থাকায় দিন দিন পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে।

ভুক্তভোগী নাগরিকরা অবিলম্বে— মহাসড়ক দখলমুক্ত করা, কালো পলিথিন বিক্রি বন্ধ অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদ, অটোরিকশা ও টমটম নিয়ন্ত্রণ —এই চার দফা দাবিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে চকরিয়া শহরের যানজট ও অব্যবস্থাপনা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।