নিজস্ব প্রতিবেদক: কর্ণফুলী থানাধীন মইজ্জ্যারটেক এলাকায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) ১৯৯৪ সালে ৫১ একর জায়গার নিয়ে গড়ে তোলে কর্ণফুলী আবাসিক প্রকল্প। এই আবাসিক প্রকল্পে ৫১৯টি প্লট বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ব্যক্তি ও পেশাজীবীদের মাঝে বরাদ্দ দেয়া হয়। এটি সিডিএ’র প্রথম আবাসিক প্রকল্প।বরাদ্দের গত ৩২ বছরেও সিডিএর এই আবাসিক প্রকল্পে পানির সংস্থান না হওয়ায় এই আবাসিকে কেউ নির্মাণ পারেনি আবাসিক ভবন। অবশেষে ৩২ বছর পর সিডিএর কর্ণফুলী আবাসিক প্রকল্পে পানি দিচ্ছে চট্টগ্রাম ওয়াসা।

চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি সিডিএ’র বোর্ড সভায় কর্ণফুলী আবাসিক প্রকল্পে পানি সরবরাহের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা শেষে পানি সরবরাহ দেয়ার ব্যাপারে ঐক্যমতে পৌঁছেছে সিডিএ এবং ওয়াসা কর্তৃপক্ষ। এই সিদ্ধান্তে উচ্ছ্বসিত সিডিএ আবাসিক প্লট মালিকরা।

আজ রোববার(২২ ফেব্রুয়ারী)সকালে সংশ্লিষ্ঠ প্রকল্প কর্মকর্তা ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাং মনজুর হাসান এবং ওয়াসার ততত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মুহম্মদ মাহবুবুল আলম মাটি কেটে পাইপলাইনের কাজ শুরু করেছেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন-সিডিএ’র সিনিয়র সহকারী⁠ প্রকৌশলী ও সহকারী অথরাইজড অফিসার মো: ইলিয়াছ আক্তার,উপ সহকারী প্রকৌশলী ওসমান সিকদার, ওয়াসার নির্বাহী প্রকৌশলী মো: গোলাম কিবরিয়া শাকিল,ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দ্যা সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড এর প্রজেক্ট ম্যানেজার আনোয়ার পাশা,কর্নফুলী আবাসিক এলাকা সমিতি’র পক্ষে সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়াছিন (সাবেক চেয়ারম্যান ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হুদা, তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সাইফুজ্জামান রাফি,নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পাদক এজাবত উল্লাহ , সদস্য ইব্রাহিম ও এম এন ইসলাম।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ নুরুল করিম দায়িত্ব নেয়ার পর প্লট মালিকরা তাঁর কাছে এই প্রকল্পে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন করেন। প্লট মালিকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে সিডিএ চেয়ারম্যান কর্ণফুলী আবাসিক এলাকায় পানি সরবরাহ দেয়ার অনুরোধ করে ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালককে চিঠি দেন। ওয়াসার পক্ষ থেকে উক্ত আবাসিক এলাকায় পাইপ লাইনের সংযোগ নেই বলে উল্লেখ করে সিডিএকে জানানো হয় যে, এখন পাইপ লাইন স্থাপন করতে দশ কোটি টাকার প্রয়োজন। সিডিএ এই টাকা প্রদান করলে ওয়াসা উক্ত আবাসিক এলাকায় পানি সরবরাহ দেবে।

বিষয়টি নিয়ে সিডিএ’র চেয়ারম্যান এবং ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঐক্যমতে পৌঁছান। সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ নুরুল করিম পাইপ লাইন স্থাপনের টাকার সংস্থান করবে বলে ওয়াসার এমডি মোহাম্মদ আনোয়ার পাশাকে আশ্বস্ত করেন। ওই সময় ওয়াসার এমডি মোহাম্মদ আনোয়ার পাশা সিডিএ চেয়ারম্যানকে পানি সরবরাহের বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।

তিন দশক আগে ১৯৯২ সালে কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়ে মইজ্জারটেক এলাকায় কর্ণফুলী আবাসিক প্রকল্প গ্রহণ করে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। ১৯৯৪ সালে এ প্রকল্পে ৫১৯জন প্লটের মালিকের বরাদ্দ দেয় সিডিএ। তবে প্লট বরাদ্দ দেয়ার প্রায় ৩২ বছর পরও প্রকল্প এলাকায় ভবন নির্মাণ দূরে থাক, কোনো নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে পারেনি সিডিএ। প্লট বরাদ্দ পেয়েও সিডিএর অদূরদর্শিতায় প্রকল্পটি একটি পরিত্যক্ত জনপদে পরিণত হয়েছে।

সরেজমিন কর্ণফুলী আবাসিকে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ৫১একর জায়গার প্রকল্প এলাকায় কোনো ভবণ নির্মাণ করা হয়নি। পুরনো ইটের তৈরি সড়কে বড় গাছের শেকড় উঠে সেগুলোও নষ্ট হওয়ার পথে। প্লট এলাকায় কিছু ছোট ঘর থাকলেও সেখানে মাদকের কারবার চলে অহরহ। এমনকি কোনো সীমানা প্রাচীরও নেই প্রকল্প এলাকায়। মূলত পানি এবং বিদ্যুৎ সংকটের কারণে এখানে কোনো আবাসিক স্থাপনা গড়ে ওঠেনি বলে জানায় স্থানীয়রা।

সূত্রটি জানায়, ১৯৯৪ সালে সিডিএ কর্ণফুলী থানাধীন মইজ্জ্যারটেকে ৫১একর জায়গার কর্ণফুলী আবাসিক এলাকা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। প্লট বরাদ্দ দেয়ার পর দেখা যায় যে, এলাকায় সুপেয় পানি নেই। নানাভাবে চেষ্টা করেও পানির সংস্থান না হওয়ায় গত ৩০ বছর ধরে প্রকল্পটি ঝুলে রয়েছে। একটি প্লটেও কোন বাড়ি ঘর তৈরি হয়নি।

সরেজমিন কর্ণফুলী আবাসিকে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ৫১ একর জায়গার প্রকল্প এলাকায় কোনো ভবণ নির্মাণ করা হয়নি। পুরনো ইটের তৈরি সড়কে বড় গাছের শেকড় উঠে সেগুলোও নষ্ট হওয়ার পথে। প্লট এলাকায় কিছু ছোট ঘর থাকলেও সেখানে মাদকের কারবার চলে অহরহ। এমনকি কোনো সীমানা প্রাচীরও নেই প্রকল্প এলাকায়। মূলত পানি এবং বিদ্যুৎ সংকটের কারণে এখানে কোনো আবাসিক স্থাপনা গড়ে ওঠেনি বলে জানায় স্থানীয়রা।

চট্টগ্রাম ওয়াসা বোয়ালখালী উপজেলার শেষ প্রান্তে পাহাড় ঘেষা কর্ণফুলীর পাড়ে ‘ভান্ডালজুরি’ পানি শোধণাগার প্রকল্প নামে একটি প্রকল্প গ্রহন করে; এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষে এই উৎপাদনের পথে। এই প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে কর্ণফুলী নদীর বামতীরে পশ্চিম পটিয়া ও আনোয়ারায় গড়ে ওঠা দেশী-বিদেশী শিল্পকারখানায় পানি সরবরাহের জন্য।

একই সাথে পটিয়া-বোয়ালখালীতে আবাসিকে সংযোগ দেয়ার জন্য। ‌‘ভান্ডালজুরি’ পানি শোধণাগার প্রকল্প থেকে দৈনিক ৬ কোটি লিটার পানি উৎপাদন হবে। কমিশনিং শেষে এখন পানি সরবরাহের পথে এই প্রকল্পটি। এই প্রকল্প থেকেই অবশেষে চট্টগ্রাম ওয়াসা পানি কর্ণফুলী আবাসিক এলাকায় পানি সরবরাহ করবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক: কর্ণফুলী থানাধীন মইজ্জ্যারটেক এলাকায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) ১৯৯৪ সালে ৫১ একর জায়গার নিয়ে গড়ে তোলে কর্ণফুলী আবাসিক প্রকল্প। এই আবাসিক প্রকল্পে ৫১৯টি প্লট বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ব্যক্তি ও পেশাজীবীদের মাঝে বরাদ্দ দেয়া হয়। এটি সিডিএ’র প্রথম আবাসিক প্রকল্প।বরাদ্দের গত ৩২ বছরেও সিডিএর এই আবাসিক প্রকল্পে পানির সংস্থান না হওয়ায় এই আবাসিকে কেউ নির্মাণ পারেনি আবাসিক ভবন। অবশেষে ৩২ বছর পর সিডিএর কর্ণফুলী আবাসিক প্রকল্পে পানি দিচ্ছে চট্টগ্রাম ওয়াসা।

চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি সিডিএ’র বোর্ড সভায় কর্ণফুলী আবাসিক প্রকল্পে পানি সরবরাহের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা শেষে পানি সরবরাহ দেয়ার ব্যাপারে ঐক্যমতে পৌঁছেছে সিডিএ এবং ওয়াসা কর্তৃপক্ষ। এই সিদ্ধান্তে উচ্ছ্বসিত সিডিএ আবাসিক প্লট মালিকরা।

আজ রোববার(২২ ফেব্রুয়ারী)সকালে সংশ্লিষ্ঠ প্রকল্প কর্মকর্তা ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাং মনজুর হাসান এবং ওয়াসার ততত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মুহম্মদ মাহবুবুল আলম মাটি কেটে পাইপলাইনের কাজ শুরু করেছেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন-সিডিএ’র সিনিয়র সহকারী⁠ প্রকৌশলী ও সহকারী অথরাইজড অফিসার মো: ইলিয়াছ আক্তার,উপ সহকারী প্রকৌশলী ওসমান সিকদার, ওয়াসার নির্বাহী প্রকৌশলী মো: গোলাম কিবরিয়া শাকিল,ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দ্যা সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড এর প্রজেক্ট ম্যানেজার আনোয়ার পাশা,কর্নফুলী আবাসিক এলাকা সমিতি’র পক্ষে সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়াছিন (সাবেক চেয়ারম্যান ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হুদা, তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সাইফুজ্জামান রাফি,নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পাদক এজাবত উল্লাহ , সদস্য ইব্রাহিম ও এম এন ইসলাম।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ নুরুল করিম দায়িত্ব নেয়ার পর প্লট মালিকরা তাঁর কাছে এই প্রকল্পে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করার জন্য আবেদন করেন। প্লট মালিকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে সিডিএ চেয়ারম্যান কর্ণফুলী আবাসিক এলাকায় পানি সরবরাহ দেয়ার অনুরোধ করে ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালককে চিঠি দেন। ওয়াসার পক্ষ থেকে উক্ত আবাসিক এলাকায় পাইপ লাইনের সংযোগ নেই বলে উল্লেখ করে সিডিএকে জানানো হয় যে, এখন পাইপ লাইন স্থাপন করতে দশ কোটি টাকার প্রয়োজন। সিডিএ এই টাকা প্রদান করলে ওয়াসা উক্ত আবাসিক এলাকায় পানি সরবরাহ দেবে।

বিষয়টি নিয়ে সিডিএ’র চেয়ারম্যান এবং ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঐক্যমতে পৌঁছান। সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ নুরুল করিম পাইপ লাইন স্থাপনের টাকার সংস্থান করবে বলে ওয়াসার এমডি মোহাম্মদ আনোয়ার পাশাকে আশ্বস্ত করেন। ওই সময় ওয়াসার এমডি মোহাম্মদ আনোয়ার পাশা সিডিএ চেয়ারম্যানকে পানি সরবরাহের বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।

তিন দশক আগে ১৯৯২ সালে কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়ে মইজ্জারটেক এলাকায় কর্ণফুলী আবাসিক প্রকল্প গ্রহণ করে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। ১৯৯৪ সালে এ প্রকল্পে ৫১৯জন প্লটের মালিকের বরাদ্দ দেয় সিডিএ। তবে প্লট বরাদ্দ দেয়ার প্রায় ৩২ বছর পরও প্রকল্প এলাকায় ভবন নির্মাণ দূরে থাক, কোনো নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে পারেনি সিডিএ। প্লট বরাদ্দ পেয়েও সিডিএর অদূরদর্শিতায় প্রকল্পটি একটি পরিত্যক্ত জনপদে পরিণত হয়েছে।

সরেজমিন কর্ণফুলী আবাসিকে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ৫১একর জায়গার প্রকল্প এলাকায় কোনো ভবণ নির্মাণ করা হয়নি। পুরনো ইটের তৈরি সড়কে বড় গাছের শেকড় উঠে সেগুলোও নষ্ট হওয়ার পথে। প্লট এলাকায় কিছু ছোট ঘর থাকলেও সেখানে মাদকের কারবার চলে অহরহ। এমনকি কোনো সীমানা প্রাচীরও নেই প্রকল্প এলাকায়। মূলত পানি এবং বিদ্যুৎ সংকটের কারণে এখানে কোনো আবাসিক স্থাপনা গড়ে ওঠেনি বলে জানায় স্থানীয়রা।

সূত্রটি জানায়, ১৯৯৪ সালে সিডিএ কর্ণফুলী থানাধীন মইজ্জ্যারটেকে ৫১একর জায়গার কর্ণফুলী আবাসিক এলাকা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। প্লট বরাদ্দ দেয়ার পর দেখা যায় যে, এলাকায় সুপেয় পানি নেই। নানাভাবে চেষ্টা করেও পানির সংস্থান না হওয়ায় গত ৩০ বছর ধরে প্রকল্পটি ঝুলে রয়েছে। একটি প্লটেও কোন বাড়ি ঘর তৈরি হয়নি।

সরেজমিন কর্ণফুলী আবাসিকে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ৫১ একর জায়গার প্রকল্প এলাকায় কোনো ভবণ নির্মাণ করা হয়নি। পুরনো ইটের তৈরি সড়কে বড় গাছের শেকড় উঠে সেগুলোও নষ্ট হওয়ার পথে। প্লট এলাকায় কিছু ছোট ঘর থাকলেও সেখানে মাদকের কারবার চলে অহরহ। এমনকি কোনো সীমানা প্রাচীরও নেই প্রকল্প এলাকায়। মূলত পানি এবং বিদ্যুৎ সংকটের কারণে এখানে কোনো আবাসিক স্থাপনা গড়ে ওঠেনি বলে জানায় স্থানীয়রা।

চট্টগ্রাম ওয়াসা বোয়ালখালী উপজেলার শেষ প্রান্তে পাহাড় ঘেষা কর্ণফুলীর পাড়ে ‘ভান্ডালজুরি’ পানি শোধণাগার প্রকল্প নামে একটি প্রকল্প গ্রহন করে; এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষে এই উৎপাদনের পথে। এই প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে কর্ণফুলী নদীর বামতীরে পশ্চিম পটিয়া ও আনোয়ারায় গড়ে ওঠা দেশী-বিদেশী শিল্পকারখানায় পানি সরবরাহের জন্য।

একই সাথে পটিয়া-বোয়ালখালীতে আবাসিকে সংযোগ দেয়ার জন্য। ‌‘ভান্ডালজুরি’ পানি শোধণাগার প্রকল্প থেকে দৈনিক ৬ কোটি লিটার পানি উৎপাদন হবে। কমিশনিং শেষে এখন পানি সরবরাহের পথে এই প্রকল্পটি। এই প্রকল্প থেকেই অবশেষে চট্টগ্রাম ওয়াসা পানি কর্ণফুলী আবাসিক এলাকায় পানি সরবরাহ করবে।