দি ক্রাইম ডেস্ক: কুমিল্লা-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন খানের ২৭৮ জন কর্মী ও সমর্থককে আসামী করে হোমনা থানায় মামলা দায়ের করেছেন বিএনপির সমর্থক হাজী সুলতান মিয়া। রোববার (৮ জানুয়ারি) রাতে তিনি মামলা করেন।

মামলায় হোমনা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল হক জহর, মাথাভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম মোল্লাসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীর হোমনা ও তিতাস উপজেলার বিভিন্ন স্তরের ২৭৮ জন নেতাকর্মীকে আসামী করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জানুয়ারি স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন খান (তালা) ও তার কর্মী-সমর্থকরা পৌরসভার শ্রীমদ্দি গ্রামের মরহুম আবদুল জলিল চেয়ারম্যানের কবর জিয়ারত করতে যাওয়ার সময় ওভার ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় বিএনপির প্রার্থী অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এর আগে, একই ঘটনায় গত ২৮ জানুয়ারি স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক হোমনা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল হক জহর বাদী হয়ে হোমনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক ভিপি মোজাম্মেল হক মুকুলসহ বিএনপির হোমনা ও তিতাস উপজেলার ২১৫ নেতাকর্মীকে আসামী করে হোমনা থানায় মামলা দায়ের করেছিলেন।

হোমনা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) দীনেশ চন্দ্র দাশ গুপ্ত মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হোমনার মানুষ যেন শান্তিপূর্ণভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে এবং হোমনায় কোনো নির্বাচনী সহিংসতা না ঘটে, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।

দি ক্রাইম ডেস্ক: কুমিল্লা-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন খানের ২৭৮ জন কর্মী ও সমর্থককে আসামী করে হোমনা থানায় মামলা দায়ের করেছেন বিএনপির সমর্থক হাজী সুলতান মিয়া। রোববার (৮ জানুয়ারি) রাতে তিনি মামলা করেন।

মামলায় হোমনা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল হক জহর, মাথাভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম মোল্লাসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীর হোমনা ও তিতাস উপজেলার বিভিন্ন স্তরের ২৭৮ জন নেতাকর্মীকে আসামী করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জানুয়ারি স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন খান (তালা) ও তার কর্মী-সমর্থকরা পৌরসভার শ্রীমদ্দি গ্রামের মরহুম আবদুল জলিল চেয়ারম্যানের কবর জিয়ারত করতে যাওয়ার সময় ওভার ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় বিএনপির প্রার্থী অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এর আগে, একই ঘটনায় গত ২৮ জানুয়ারি স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক হোমনা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল হক জহর বাদী হয়ে হোমনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক ভিপি মোজাম্মেল হক মুকুলসহ বিএনপির হোমনা ও তিতাস উপজেলার ২১৫ নেতাকর্মীকে আসামী করে হোমনা থানায় মামলা দায়ের করেছিলেন।

হোমনা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) দীনেশ চন্দ্র দাশ গুপ্ত মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হোমনার মানুষ যেন শান্তিপূর্ণভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে এবং হোমনায় কোনো নির্বাচনী সহিংসতা না ঘটে, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।