নুরুল ইসলাম: বাংলা ও বাঙালীর ঐতিয্যকে টিকিয়ে রাখতে এবং পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে তা ছড়িয়ে দিতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের শামসুল ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিভিন্ন প্রকার ঘরে তৈরী পিঠা-পুলি নিয়ে দিনব্যাপী পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়। ১৯জানুয়ারী সোমবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত পিঠা উৎসব উদ্বোধন করেন লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম। এতে আশপাশের বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
পিঠা উৎসব প্রাঙ্গনে ৫০-৬০ রকমের বাহারী পিঠা পুলি নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা স্টল দিয়েছে। প্রত্যেক স্টলে সামনে ছিলে উপছেপড়া ক্রেতাদের ভিড়। পিঠার মধ্যে ছিলো যথাক্রমে সাঁজের পিঠা , পাটিসপ্তা , রোল , বিনি চাউলের পিঠা , কলার পিঠা , ভাপা পিঠা , চিতল পিঠা , ভুট্টোর কটকটি , সুঁজির পায়েশ , রেইনভু কেক ইত্যাদি।
দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আনিশা ও আফসানা জানায় , প্রতি বৎসর এ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে বাহারী বিভিন্ন প্রকার পিঠা-পুলির উৎসব হয়। এদিনটি আমরা সকলে খুবই উপভোগ করি। আগের দিন সারা রাত জেগে আমরা বাড়ীতে পিঠা তৈরী করি।
লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, গ্রাম-বাংলার ঐতিয্যকে ধরে রাখতে পিঠা উৎসব, নবান্ন উৎসবগুলিকে আমাদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে। এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর চমৎকার আয়োজন অন্যান্যদের উৎসাহিত করবে।
পিঠা উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত আলোচন সভায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল গনির সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সিকো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এম এম সাইফুল ইসলাম চৌধুরী , প্রধান শিক্ষক সুনীল কুমার চৌধুরী, ও স্থানীয় ইউপি সদস্য আমানুল হক, শিক্ষক যথাক্রমে মো.আলী,আব্দুল আজিজ, কনিকা দাশ, কৃষ্ণ দেবনাথ, মিথুন ধর, নাসরিন সুলতানা,শবনম আক্তার প্রমুখ।




