দি ক্রাইম ডেস্ক: দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক বলেছেন, অতীতে চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত অনেক নেতা জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলেও নির্বাচনের পর তাদের চট্টগ্রামে খুব একটা পাওয়া যায়নি। আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী যেন চট্টগ্রামের নেতা হিসেবেই নিজেকে গড়ে তোলেন এবং চট্টগ্রামের উন্নয়ন, সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আরো বেশি করে ভাবেন ও কাজ করেন–এটাই প্রত্যাশা।

গতকাল রোববার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে সাবেক সংসদ সদস্য ও সংসদীয় দলের হুইপ আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরীর অষ্টম জাতীয় সংসদে প্রদত্ত ভাষণের ওপর প্রকাশিত বিশেষ সংকলন ‘সংসদীয় ভাষণ’–এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এম এ মালেক বলেন, আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী একজন আদর্শবাদী নেতা। তিনি অতীতেও সংসদে চট্টগ্রামের নানা সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন। নির্বাচিত হলে ভবিষ্যতেও তিনি চট্টগ্রামের বিষয়গুলো আরো জোরালোভাবে জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করবেন–এমন প্রত্যাশা সবার। সংসদে দেওয়া তাঁর বক্তব্য আজ বই আকারে প্রকাশিত হয়েছে। এতে করে আগামী প্রজন্ম জানতে পারবে তিনি সংসদে কী বলেছিলেন। তিনি বলেন, জানার কোনো শেষ নেই। যত বেশি পড়া হবে তত বেশি জানা যাবে। একটি ভালো বই একজন বন্ধুর মতো। আর একজন ভালো বন্ধু একটি লাইব্রেরির সমান।

তিনি আরো বলেন, ব্যক্তি হিসেবে প্রত্যেকে যদি নিজেকে সৎ, দায়িত্ববান ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে, তাহলে সম্মিলিতভাবে একটি আদর্শ সমাজ গড়া সম্ভব। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র–এই তিনটি স্তর একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। তাই পরিবর্তন শুরু করতে হবে নিজের জায়গা থেকেই।

চট্টগ্রাম–১৫ (সাতকানিয়া–লোহাগাড়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী জানান, তিনি আজীবন চট্টগ্রামের মানুষের সঙ্গেই থাকতে চান। চট্টগ্রামের বাইরে তার কোনো ঠিকানা নেই। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, ভবিষ্যতেও তিনি চট্টগ্রামের বাইরে কোথাও থাকবেন না এবং চট্টগ্রামের মানুষের জন্য কাজ করে যাবেন। তিনি বলেন, অতীতে সংসদে শুধু নিজ নির্বাচনী এলাকা সাতকানিয়া–লোহাগাড়ার উন্নয়ন নয়, চট্টগ্রামের বড় বড় সমস্যা এবং জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতেও কথা বলেছি; যা বইতে স্থান পেয়েছে। আগামী দিনেও চট্টগ্রাম ও দেশের স্বার্থে সংসদে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার করেন তিনি। সভায় বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির ও পরিবেশ বিজ্ঞানী নজরুল ইসলাম বলেন, আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী যেভাবে বাংলাদেশ ও নিজ এলাকার মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি পায়ে হেঁটে এলাকায় এলাকায় ঘুরে সাধারণ মানুষের দুঃখ–কষ্ট বোঝার চেষ্টা করেন এবং উন্নয়নের জন্য কাজ করেন। এ ধরনের জনবান্ধব নেতৃত্ব থেকে শেখার অনেক কিছু রয়েছে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বিষয়েও আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরীর দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফিলিস্তিন, কাশ্মীরসহ আন্তর্জাতিক নানা ইস্যুতে তিনি জাতীয় সংসদে যে বক্তব্য রেখেছেন, তা শিক্ষণীয়। ভিন্নমত থাকলেও চট্টগ্রামের উন্নয়নের প্রশ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, একসময় চট্টগ্রামে কথা বলার মতো পরিবেশ ছিল না। এখন সেই পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এজন্য তিনি জুলাই বিপ্লবের শহীদ ফারুক হোসেন, ফয়সাল আহমেদ শান্ত, হৃদয় তরুয়া, শহীদ তানভিরসহ সারা দেশের শহীদদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাদের আত্মত্যাগ কখনো ভুলে না যাওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন তাফহীম পাবলিকেশনের স্বত্বাধিকারী মুহাম্মদ আবু সুফিয়ান। বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুল আমিন, অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ, দৈনিক কালের কণ্ঠের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান মোস্তফা নঈম, দৈনিক ইনকিলাবের সিনিয়র রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম সেলিম ও এটিএন বাংলার ব্যুরো প্রধান আবুল হাসনাত।

দি ক্রাইম ডেস্ক: দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক বলেছেন, অতীতে চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত অনেক নেতা জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলেও নির্বাচনের পর তাদের চট্টগ্রামে খুব একটা পাওয়া যায়নি। আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী যেন চট্টগ্রামের নেতা হিসেবেই নিজেকে গড়ে তোলেন এবং চট্টগ্রামের উন্নয়ন, সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আরো বেশি করে ভাবেন ও কাজ করেন–এটাই প্রত্যাশা।

গতকাল রোববার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে সাবেক সংসদ সদস্য ও সংসদীয় দলের হুইপ আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরীর অষ্টম জাতীয় সংসদে প্রদত্ত ভাষণের ওপর প্রকাশিত বিশেষ সংকলন ‘সংসদীয় ভাষণ’–এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এম এ মালেক বলেন, আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী একজন আদর্শবাদী নেতা। তিনি অতীতেও সংসদে চট্টগ্রামের নানা সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন। নির্বাচিত হলে ভবিষ্যতেও তিনি চট্টগ্রামের বিষয়গুলো আরো জোরালোভাবে জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করবেন–এমন প্রত্যাশা সবার। সংসদে দেওয়া তাঁর বক্তব্য আজ বই আকারে প্রকাশিত হয়েছে। এতে করে আগামী প্রজন্ম জানতে পারবে তিনি সংসদে কী বলেছিলেন। তিনি বলেন, জানার কোনো শেষ নেই। যত বেশি পড়া হবে তত বেশি জানা যাবে। একটি ভালো বই একজন বন্ধুর মতো। আর একজন ভালো বন্ধু একটি লাইব্রেরির সমান।

তিনি আরো বলেন, ব্যক্তি হিসেবে প্রত্যেকে যদি নিজেকে সৎ, দায়িত্ববান ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে, তাহলে সম্মিলিতভাবে একটি আদর্শ সমাজ গড়া সম্ভব। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র–এই তিনটি স্তর একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। তাই পরিবর্তন শুরু করতে হবে নিজের জায়গা থেকেই।

চট্টগ্রাম–১৫ (সাতকানিয়া–লোহাগাড়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী জানান, তিনি আজীবন চট্টগ্রামের মানুষের সঙ্গেই থাকতে চান। চট্টগ্রামের বাইরে তার কোনো ঠিকানা নেই। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, ভবিষ্যতেও তিনি চট্টগ্রামের বাইরে কোথাও থাকবেন না এবং চট্টগ্রামের মানুষের জন্য কাজ করে যাবেন। তিনি বলেন, অতীতে সংসদে শুধু নিজ নির্বাচনী এলাকা সাতকানিয়া–লোহাগাড়ার উন্নয়ন নয়, চট্টগ্রামের বড় বড় সমস্যা এবং জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতেও কথা বলেছি; যা বইতে স্থান পেয়েছে। আগামী দিনেও চট্টগ্রাম ও দেশের স্বার্থে সংসদে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার করেন তিনি। সভায় বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির ও পরিবেশ বিজ্ঞানী নজরুল ইসলাম বলেন, আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী যেভাবে বাংলাদেশ ও নিজ এলাকার মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি পায়ে হেঁটে এলাকায় এলাকায় ঘুরে সাধারণ মানুষের দুঃখ–কষ্ট বোঝার চেষ্টা করেন এবং উন্নয়নের জন্য কাজ করেন। এ ধরনের জনবান্ধব নেতৃত্ব থেকে শেখার অনেক কিছু রয়েছে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বিষয়েও আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরীর দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফিলিস্তিন, কাশ্মীরসহ আন্তর্জাতিক নানা ইস্যুতে তিনি জাতীয় সংসদে যে বক্তব্য রেখেছেন, তা শিক্ষণীয়। ভিন্নমত থাকলেও চট্টগ্রামের উন্নয়নের প্রশ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, একসময় চট্টগ্রামে কথা বলার মতো পরিবেশ ছিল না। এখন সেই পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এজন্য তিনি জুলাই বিপ্লবের শহীদ ফারুক হোসেন, ফয়সাল আহমেদ শান্ত, হৃদয় তরুয়া, শহীদ তানভিরসহ সারা দেশের শহীদদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাদের আত্মত্যাগ কখনো ভুলে না যাওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন তাফহীম পাবলিকেশনের স্বত্বাধিকারী মুহাম্মদ আবু সুফিয়ান। বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুল আমিন, অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ, দৈনিক কালের কণ্ঠের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান মোস্তফা নঈম, দৈনিক ইনকিলাবের সিনিয়র রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম সেলিম ও এটিএন বাংলার ব্যুরো প্রধান আবুল হাসনাত।