ফটিকছড়ি প্রতিনিধি: পদ্মবীণা পুরস্কার ২০২২ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ফটিকছির দুই কৃতি সন্তান কীর্তিমান লেখককে পদ্মবীণা সম্মাননা ও পদক প্রদান করা হচ্ছে।

তাঁরা হচ্ছেন বাংলা একাডেমির সাবেক পরিচালক, প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, বিজ্ঞান লেখক অধ্যাপক সুব্রত বড়ুয়া ও বিশিষ্ট গল্পকার, কবি, অনুবাদক, মহামান্য রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া।

পদ্মবীণা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আগামী ১০ই মার্চ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪ টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে তাঁদের সম্মাননা জানানো হবে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

কথাসাহিত্যিক ও বিজ্ঞানলেখক কবি সুব্রত বড়ুয়ার জন্ম ১৯৪৬ সালে ১ জানুয়ারি চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার অন্তর্গত ছিলোনীয়া গ্রামে। নিজ গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাঁর শিক্ষাজীবনের সূচনা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর শিক্ষকতার মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু। বাংলা একাডেমিতে যোগদান ১৯৭০ সালে। ২০০২ সালে অবসর গ্রহণ। লেখালেখির সূচনা ছাত্রজীবনে। কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ এবং বিজ্ঞানবিষয়ক রচনা সাহিত্যের প্রায় সব শাখাতেই পদচারণা রয়েছে তাঁর।

প্রকাশিত গ্রন্থ: কবিতা: হলুদ বিকেলের গান (১৯৮৫)। উপন্যাস: গ্রহণের দিন (১৯৮৫); ধলপহর (২০০)। কিশোর উপন্যাস: দিনগুলি হায় সোনার খাঁচায় (১৯৮৮)। ছোটগল্প; জোনাকি শহর (১৯৭০); কাচপোকা (১৯৭৫); অনধিকার (১৯৭৭); আত্মচরিত ও অন্যান্য গল্প (১৯৮৯); ভালোবাসা ভালোবাসা (১৯৮৯); তৃণা (১৯৯৩)। প্রবন্ধ-গবেষণা: দস্তয়েভস্কি (১৯৮৫); মোহাম্মদ আবদুল জব্বার: জীবন ও কর্ম (১৯৯৫); বিজ্ঞানচর্চা: প্রসঙ্গ ও অনুষঙ্গ (১৯৮৭); আমাদের এই বাংলাদেশ (১৯৯০); বাংলাদেশের ইতিহাস: প্রাচীন থেকে পলাশী (১৯৯৪); ইতিহাসের পলাশী (২০০৪); ইতিহাসে ; ইতিহাস বাংলাদেশ (২০০৫)। জীবনী : অশোক বড়ুয়া (১৯৯০); শহীদুল্লা কায়সার (১৯৮৮)। বিজ্ঞান: চাঁদে প্রথম মানুষ (১৯৬৯); বিদ্যুতের কাহিনী (১৯৮৪); বিজ্ঞানের ইতিকথা: সন্ধানী মানুষ (১৯৮৮), সৌরজগৎ (১৯৮৫); বিজ্ঞান ও মহাশূন্য (১৯৮৯); পরমাণু শক্তি (১৯৮৯); শিশু-কিশোর বিজ্ঞান সমগ্র (২০০১); গ্রিনিচ মানমন্দির (২০০২)। অনুবাদ: দি রাইট স্টাফ; কণা, কোয়ান্টাম ও তরঙ্গ (১৯৮৪); আমেরিকার ভৌগোলিক রূপরেখা (১৯৮৬); শঙ্খচিল (১৯৯৪); এমিল ও গোয়েন্দা বাহিনী (১৯৭২); নিশ্চয়তার সমীরণ (২০০৪); সরল পথে চলা (২০০৫); গণিতের রাজ্যে এলিস (২০০৫)। সম্পাদনা; অমর একুশে বক্তৃতা (যৌথ, ১৯৮৪); বাংলা একাডেমী ৪০ বছর পূর্তি স্মারকগ্রন্থ (যৌথ, ১৯৯৬); ছোটদের অভিধান ( যৌথ, ১৯৮৩); ভাষা সম্পাদক: বাংলা একাডেমী বিজ্ঞান বিশ্বকোষ (৩য় খ- ২০০১ ও ৪র্থ খ- ২০০২)।

কবি সুব্রত বড়ুয়া বাংলা একাডেমির পরিচালক ছিলেন।ছোটগল্পে অবদানের জন্য তিনি ১৯৮৩ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। ভাষা ও সাহিত্যে তার অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০১৮ সালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।অগ্রণী ব্যাংক শিশুসাহিত্য পুরুস্কার (১৩৮৮, ১৩৯১, ১৩৯৪) চট্টগ্রাম বিজ্ঞান পরিষদ স্বর্ণ পদক (১৯৯৭)।

সম্পদ বড়ুয়া একজন খ্যাতিমান কবি, অনুবাদক ও গল্পকার। সম্পদ বড়ুয়ার জন্ম ১৯৫৮ সালে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার হাইদচকিয়া গ্রামে। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। পরে তিনি ইংল্যান্ডের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাবলিক ফিন্যান্সে এমএসসি ডিগ্রি নিয়ে কলেজে অধ্যাপনা শুরু করেন। ১৯৮৬ সালে তিনি সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন। বর্তমানে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে সচিব হিসেবে কর্মরত আছেন। ছাত্র থাকাকালীন ছড়া লেখার মাধ্যমে লেখালেখিতে তাঁর আগমন। ইংরেজিতে অধ্যাপনা করায় প্রথম থেকেই কবিতা লেখা ও অনুবাদের প্রতি আগ্রহ বেশি। আর এতেই একজন সফল অনুবাদক হয়ে ওঠেন তিনি। এছাড়াও তিনি আলবার্তো মোরাভিয়ার গল্প (২০০৩), বার্ট্রান্ড রাসেলের আত্মকথা ১ম খণ্ড (২০০৪), আফ্রিকান প্রাণীদের গল্প (২০১৫), গল্প দেশে দেশে (২০১৫) গ্রন্থের রচয়িতা।

কবি সুব্রত বড়ুয়া ও সম্পদ বড়ুয়ার সাথে পদ্মবীণা পুরস্কার ২০২২ ভূষিত হয়েছেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, খ্যাতিমান সমাজবিজ্ঞানী, প্রাবন্ধিক, গবেষক অধ্যাপক অনুপম সেন এবং বাংলা একাডেমির সভাপতি- বরেণ্য কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন।

 

 ফটিকছড়ি প্রতিনিধি: পদ্মবীণা পুরস্কার ২০২২ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ফটিকছির দুই কৃতি সন্তান কীর্তিমান লেখককে পদ্মবীণা সম্মাননা ও পদক প্রদান করা হচ্ছে।

তাঁরা হচ্ছেন বাংলা একাডেমির সাবেক পরিচালক, প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, বিজ্ঞান লেখক অধ্যাপক সুব্রত বড়ুয়া ও বিশিষ্ট গল্পকার, কবি, অনুবাদক, মহামান্য রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া।

পদ্মবীণা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আগামী ১০ই মার্চ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪ টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে তাঁদের সম্মাননা জানানো হবে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

কথাসাহিত্যিক ও বিজ্ঞানলেখক কবি সুব্রত বড়ুয়ার জন্ম ১৯৪৬ সালে ১ জানুয়ারি চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার অন্তর্গত ছিলোনীয়া গ্রামে। নিজ গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাঁর শিক্ষাজীবনের সূচনা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর শিক্ষকতার মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু। বাংলা একাডেমিতে যোগদান ১৯৭০ সালে। ২০০২ সালে অবসর গ্রহণ। লেখালেখির সূচনা ছাত্রজীবনে। কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ এবং বিজ্ঞানবিষয়ক রচনা সাহিত্যের প্রায় সব শাখাতেই পদচারণা রয়েছে তাঁর।

প্রকাশিত গ্রন্থ: কবিতা: হলুদ বিকেলের গান (১৯৮৫)। উপন্যাস: গ্রহণের দিন (১৯৮৫); ধলপহর (২০০)। কিশোর উপন্যাস: দিনগুলি হায় সোনার খাঁচায় (১৯৮৮)। ছোটগল্প; জোনাকি শহর (১৯৭০); কাচপোকা (১৯৭৫); অনধিকার (১৯৭৭); আত্মচরিত ও অন্যান্য গল্প (১৯৮৯); ভালোবাসা ভালোবাসা (১৯৮৯); তৃণা (১৯৯৩)। প্রবন্ধ-গবেষণা: দস্তয়েভস্কি (১৯৮৫); মোহাম্মদ আবদুল জব্বার: জীবন ও কর্ম (১৯৯৫); বিজ্ঞানচর্চা: প্রসঙ্গ ও অনুষঙ্গ (১৯৮৭); আমাদের এই বাংলাদেশ (১৯৯০); বাংলাদেশের ইতিহাস: প্রাচীন থেকে পলাশী (১৯৯৪); ইতিহাসের পলাশী (২০০৪); ইতিহাসে ; ইতিহাস বাংলাদেশ (২০০৫)। জীবনী : অশোক বড়ুয়া (১৯৯০); শহীদুল্লা কায়সার (১৯৮৮)। বিজ্ঞান: চাঁদে প্রথম মানুষ (১৯৬৯); বিদ্যুতের কাহিনী (১৯৮৪); বিজ্ঞানের ইতিকথা: সন্ধানী মানুষ (১৯৮৮), সৌরজগৎ (১৯৮৫); বিজ্ঞান ও মহাশূন্য (১৯৮৯); পরমাণু শক্তি (১৯৮৯); শিশু-কিশোর বিজ্ঞান সমগ্র (২০০১); গ্রিনিচ মানমন্দির (২০০২)। অনুবাদ: দি রাইট স্টাফ; কণা, কোয়ান্টাম ও তরঙ্গ (১৯৮৪); আমেরিকার ভৌগোলিক রূপরেখা (১৯৮৬); শঙ্খচিল (১৯৯৪); এমিল ও গোয়েন্দা বাহিনী (১৯৭২); নিশ্চয়তার সমীরণ (২০০৪); সরল পথে চলা (২০০৫); গণিতের রাজ্যে এলিস (২০০৫)। সম্পাদনা; অমর একুশে বক্তৃতা (যৌথ, ১৯৮৪); বাংলা একাডেমী ৪০ বছর পূর্তি স্মারকগ্রন্থ (যৌথ, ১৯৯৬); ছোটদের অভিধান ( যৌথ, ১৯৮৩); ভাষা সম্পাদক: বাংলা একাডেমী বিজ্ঞান বিশ্বকোষ (৩য় খ- ২০০১ ও ৪র্থ খ- ২০০২)।

কবি সুব্রত বড়ুয়া বাংলা একাডেমির পরিচালক ছিলেন।ছোটগল্পে অবদানের জন্য তিনি ১৯৮৩ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। ভাষা ও সাহিত্যে তার অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০১৮ সালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।অগ্রণী ব্যাংক শিশুসাহিত্য পুরুস্কার (১৩৮৮, ১৩৯১, ১৩৯৪) চট্টগ্রাম বিজ্ঞান পরিষদ স্বর্ণ পদক (১৯৯৭)।

সম্পদ বড়ুয়া একজন খ্যাতিমান কবি, অনুবাদক ও গল্পকার। সম্পদ বড়ুয়ার জন্ম ১৯৫৮ সালে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার হাইদচকিয়া গ্রামে। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। পরে তিনি ইংল্যান্ডের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাবলিক ফিন্যান্সে এমএসসি ডিগ্রি নিয়ে কলেজে অধ্যাপনা শুরু করেন। ১৯৮৬ সালে তিনি সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন। বর্তমানে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে সচিব হিসেবে কর্মরত আছেন। ছাত্র থাকাকালীন ছড়া লেখার মাধ্যমে লেখালেখিতে তাঁর আগমন। ইংরেজিতে অধ্যাপনা করায় প্রথম থেকেই কবিতা লেখা ও অনুবাদের প্রতি আগ্রহ বেশি। আর এতেই একজন সফল অনুবাদক হয়ে ওঠেন তিনি। এছাড়াও তিনি আলবার্তো মোরাভিয়ার গল্প (২০০৩), বার্ট্রান্ড রাসেলের আত্মকথা ১ম খণ্ড (২০০৪), আফ্রিকান প্রাণীদের গল্প (২০১৫), গল্প দেশে দেশে (২০১৫) গ্রন্থের রচয়িতা।

কবি সুব্রত বড়ুয়া ও সম্পদ বড়ুয়ার সাথে পদ্মবীণা পুরস্কার ২০২২ ভূষিত হয়েছেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, খ্যাতিমান সমাজবিজ্ঞানী, প্রাবন্ধিক, গবেষক অধ্যাপক অনুপম সেন এবং বাংলা একাডেমির সভাপতি- বরেণ্য কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন।