মিজবাউল হক, চকরিয়া : চলতি বছরের এইচএসসি-আলিম ও সমমানের পরীক্ষায় ফলাফলের দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড। সার্বিকভাবে এবার পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। অন্যদিকে মাদরাসা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত আলিম পরীক্ষায় পাসের হার ৯৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এ বছর আলিমে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯ হাজার ৬১৩ জন শিক্ষার্থী।

গত মঙ্গলবার এইচএসসি-আলিম ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল একসঙ্গে প্রকাশ করা হয়। তারমধ্যে চকরিয়া উপজেলা বিএমচর ইউনিয়ন বেতুয়াবাজারের উত্তর পাশে হযরত ফাতিমা (রা.) বালিকা ফাজিল (ডিগ্রি) জিপিএ ৫ সহ শতভাগ কৃতিত্বের সাথে ফলাফল অর্জন করেছে মাদ্রাসাটি।

কক্সবাজার জেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত মাতামুহুরি নদীর পাদদেশে অবস্থিত চকরিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী অন্যতম নারী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হযরত ফাতিমা (রা.) বালিকা ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা। অত্র এলাকায় অবহেলিত জনগোষ্ঠীর মাঝে আধুনিক মানের নারী দ্বীনি শিক্ষা প্রদান কল্পে ২০০০ সালে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই একঝাঁক মেধাবী শিক্ষক ও সুদক্ষ ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে বিশ্বস্থতার সাথে এলাকায় নারী শিক্ষা প্রসারে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে আসছে। এ অঞ্চলের নিম্নবিত্ত ও কৃষক পরিবারের সন্তানদের কর্মমূখী শিক্ষার পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার প্রাথমিক সোপানে নিয়ে যেতে কাজ করছে এ প্রতিষ্ঠানটি।

বিগত ১ জানুয়ারি ২০০০ সালে মাদ্রাসাটি বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে নবম শ্রেণি পাঠদান অনুমতি লাভ করে দাখিল পরিক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক হওয়ায় ১ জানুয়ারি ২০০২ সালে শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক স্বীকৃতি লাভ করে। তারই ধারাবাহিকতায় ১ মে ২০০৪ প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হয়। ১ জানুয়ারি ২০০৭ সালে দাখিল নবম শ্রেণি বিজ্ঞান শাখার অনুমতি পায়। অল্প সময়ের ব্যবধানে ১ জুলাই ২০১৪ সালে বাংলাদেশ শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক আলিম শ্রেণির অনুমোদন দেন এবং ১ জুলাই ২০১৭ সালে আলিম স্তরের স্বীকৃতি অর্জন করে। গত ২ জানুয়ারি ২০২২ সালে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ফাজিল/স্নাতক পাস অনুমতি পায়। মাদ্রাসার সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আলিম স্তরের চমকপ্রদ ফলাফলের ভিত্তিতে ৬ জুলাই ২০২২ সালে আলিম স্তর এমপিও ভুক্ত হয়। বর্তমানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দাখিল, আলিম, ফাজিল স্তর বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের আওতায় পরিচালিত হয় থাকে। যার ইনস্টিটিউট কোড ইআইআইএন নম্বর ১০৬২২৬।

এদিকে শিক্ষার্থীর পাশাপাশি এলাকাবাসীর মুখেও হাসি ফুটে উঠেছে। স্বস্থির নিঃস্বাস ফেলেছে দীর্ঘদিন ধরে পরিশ্রম করে প্রাতিষ্ঠানকে গড়ে তুলতে কাজ করে যাওয়া শিক্ষক-কর্মচারীরা। সরেজমিনে জানা যায়, ৮নং ওয়ার্ড মাদ্রাসা পাড়ায় অজপাড়া গ্রামে মানুষের ছায়া হয়ে দাঁড়িয়েছে এই মাদ্রাসা। এ গ্রামের খেঁটে খাওয়া মানুষ গুলোর সন্তানদের প্রাথমিক শিক্ষার স্তর পেরিয়ে উচ্চ শিক্ষার ব্যবস্থা করা ছিল খুবই কষ্টকর।

এখানকার সাধারণ মানুষ নিজের ছেলেমেয়েদের উচ্চ শিক্ষার কথা চিন্তাও করতে পারতো না। এমনই এক সময়ে এলাকার হতদরিদ্র কৃষকের সন্তানদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়াতে এগিয়ে আসেন বিএমচর পাহাড়িয়া পাড়া গ্রামের কবির হোছাইন নামে এক শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি। তিনি নিজ উদ্যোগে ২০০০ সালে এ প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন। নিজের জমি প্রতিষ্ঠানের নামে লিখে দিয়ে টিনের ঘর নির্মাণ করে চালু করেন শিক্ষা কার্যক্রম। দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে শতশত শিক্ষার্থীর জীবন গড়তে কাজ করে এ প্রতিষ্ঠানটি। দীর্ঘদিন টিনের ঘরে অতিকষ্টে শিক্ষা কার্যক্রম চালানো হচ্ছিল। যে কোনো শিক্ষার্থীদের জ্ঞান আহরণের জন্য এ প্রতিষ্ঠানটি হতে পারে একটি আদর্শ শিক্ষালয়।

বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক এই সময়ে নিজেকে তথা শিক্ষার্থীকে এগিয়ে রাখার জন্য এ প্রতিষ্ঠানের বিকল্প নেই। পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের আধুনিক, সৃজনশীল ও তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর পাঠদানের মাধ্যমে এগিয়ে নিয়ে আসে এ মাদ্রাসা। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ পুরষ্কারসহ, আধুনিক শিক্ষা, আলোকিত জাতি, সংস্কৃতি ও আলোকিত মানুষ গড়ার প্রত্যয়ে উপজেলার শীর্ষে রয়েছে।

সদ্য প্রকাশিত আলিম পরীক্ষা ২০২৪ এর ফলাফলে এবার উপজেলার সবকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে পেছনে পেলে শীর্ষ স্থানে মাদ্রাসাটি। যা সত্যি প্রশংসনীয়। তারই ধারাবাহিকতায় গত ২০২০ শিক্ষাবর্ষে প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৩১ জন ছাত্রী আলিম পরীক্ষায় অংশ নেয়। যার মধ্যে পাশ করে ৩১ জন। শতকরা পাশের হার ছিল ১০০%। তারমধ্যে ৩ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে। ২০২১ সালে মোট পরিক্ষার্থী ছিল ৬৯ জন। পাসের হার ১০০%। জিপিএ পেয়েছে ৩ জন।

২০২২ সালে মোট পরিক্ষার্থী ছিল ৩০ জন। পাসের হার ৯৬.৬৭%। জিপিএ পেয়েছেন ৪ জন। ২০২৩ সালে মোট পরিক্ষার্থী ছিল ৩০ জন। পাসের হার ১০০%। জিপিএ পেয়েছেন ২ জন। যা উপজেলায় শীর্ষ স্থান দখল করে নেন। মাদ্রাসা স্বীকৃতি পাওয়ার পেছনে যাদের অবদান অনস্বীকার্য মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ কবির হোছাইন।

মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মুহাম্মদ কবির হোছাইন জানান, অধিকাংশ ভর্তিকৃত শিক্ষার্থী পড়াশোনায় পিছিয়ে রয়েছে। অনগ্রসর প্রতিকূল পরিবেশে, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, উপকূলে একদল চৌকস মেধাবী তরুণ শিক্ষক, পরিচালনা পর্ষদ এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এ শিক্ষার্থীদের সকল ধরণের সুযোগ সুবিধা প্রদান করে আজকের এই অবস্থানে আমাদের ফলাফল। তার জন্য এলাকাবাসী ও সর্বোপরি সকল মহলের কাছে মাদ্রায়াটি প্রশংসার দাবীদার হয়ে উঠছে।

তিনি আরও জানান, সরকারিভাবে পাঠদানের অনুমতি পাওয়ার পর প্রথম রেজাল্টে শীর্ষে আমরা। আগামী দিনগুলোতেও আমরা আমাদের শিক্ষক পরিবার নিয়ে এক সাথে কাজ করে এর সাফল্য অব্যাহত রাখতে চাই।

উল্লেখ্য যে, মাদ্রাসায় পড়াশোনার পাশাপাশি ছাত্রীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে অনেক গুলো কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। ফলে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্যতার পরিচয় দিতে সক্ষম হচ্ছে। বর্তমানে মাদ্রাসায় ইবতেদায়ী থেকে ফাজিল পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য নূরানী শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে।

মিজবাউল হক, চকরিয়া : চলতি বছরের এইচএসসি-আলিম ও সমমানের পরীক্ষায় ফলাফলের দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড। সার্বিকভাবে এবার পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। অন্যদিকে মাদরাসা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত আলিম পরীক্ষায় পাসের হার ৯৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এ বছর আলিমে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯ হাজার ৬১৩ জন শিক্ষার্থী।

গত মঙ্গলবার এইচএসসি-আলিম ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল একসঙ্গে প্রকাশ করা হয়। তারমধ্যে চকরিয়া উপজেলা বিএমচর ইউনিয়ন বেতুয়াবাজারের উত্তর পাশে হযরত ফাতিমা (রা.) বালিকা ফাজিল (ডিগ্রি) জিপিএ ৫ সহ শতভাগ কৃতিত্বের সাথে ফলাফল অর্জন করেছে মাদ্রাসাটি।

কক্সবাজার জেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত মাতামুহুরি নদীর পাদদেশে অবস্থিত চকরিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী অন্যতম নারী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হযরত ফাতিমা (রা.) বালিকা ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা। অত্র এলাকায় অবহেলিত জনগোষ্ঠীর মাঝে আধুনিক মানের নারী দ্বীনি শিক্ষা প্রদান কল্পে ২০০০ সালে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই একঝাঁক মেধাবী শিক্ষক ও সুদক্ষ ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে বিশ্বস্থতার সাথে এলাকায় নারী শিক্ষা প্রসারে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে আসছে। এ অঞ্চলের নিম্নবিত্ত ও কৃষক পরিবারের সন্তানদের কর্মমূখী শিক্ষার পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার প্রাথমিক সোপানে নিয়ে যেতে কাজ করছে এ প্রতিষ্ঠানটি।

বিগত ১ জানুয়ারি ২০০০ সালে মাদ্রাসাটি বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে নবম শ্রেণি পাঠদান অনুমতি লাভ করে দাখিল পরিক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক হওয়ায় ১ জানুয়ারি ২০০২ সালে শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক স্বীকৃতি লাভ করে। তারই ধারাবাহিকতায় ১ মে ২০০৪ প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হয়। ১ জানুয়ারি ২০০৭ সালে দাখিল নবম শ্রেণি বিজ্ঞান শাখার অনুমতি পায়। অল্প সময়ের ব্যবধানে ১ জুলাই ২০১৪ সালে বাংলাদেশ শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক আলিম শ্রেণির অনুমোদন দেন এবং ১ জুলাই ২০১৭ সালে আলিম স্তরের স্বীকৃতি অর্জন করে। গত ২ জানুয়ারি ২০২২ সালে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ফাজিল/স্নাতক পাস অনুমতি পায়। মাদ্রাসার সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আলিম স্তরের চমকপ্রদ ফলাফলের ভিত্তিতে ৬ জুলাই ২০২২ সালে আলিম স্তর এমপিও ভুক্ত হয়। বর্তমানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দাখিল, আলিম, ফাজিল স্তর বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের আওতায় পরিচালিত হয় থাকে। যার ইনস্টিটিউট কোড ইআইআইএন নম্বর ১০৬২২৬।

এদিকে শিক্ষার্থীর পাশাপাশি এলাকাবাসীর মুখেও হাসি ফুটে উঠেছে। স্বস্থির নিঃস্বাস ফেলেছে দীর্ঘদিন ধরে পরিশ্রম করে প্রাতিষ্ঠানকে গড়ে তুলতে কাজ করে যাওয়া শিক্ষক-কর্মচারীরা। সরেজমিনে জানা যায়, ৮নং ওয়ার্ড মাদ্রাসা পাড়ায় অজপাড়া গ্রামে মানুষের ছায়া হয়ে দাঁড়িয়েছে এই মাদ্রাসা। এ গ্রামের খেঁটে খাওয়া মানুষ গুলোর সন্তানদের প্রাথমিক শিক্ষার স্তর পেরিয়ে উচ্চ শিক্ষার ব্যবস্থা করা ছিল খুবই কষ্টকর।

এখানকার সাধারণ মানুষ নিজের ছেলেমেয়েদের উচ্চ শিক্ষার কথা চিন্তাও করতে পারতো না। এমনই এক সময়ে এলাকার হতদরিদ্র কৃষকের সন্তানদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়াতে এগিয়ে আসেন বিএমচর পাহাড়িয়া পাড়া গ্রামের কবির হোছাইন নামে এক শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি। তিনি নিজ উদ্যোগে ২০০০ সালে এ প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন। নিজের জমি প্রতিষ্ঠানের নামে লিখে দিয়ে টিনের ঘর নির্মাণ করে চালু করেন শিক্ষা কার্যক্রম। দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে শতশত শিক্ষার্থীর জীবন গড়তে কাজ করে এ প্রতিষ্ঠানটি। দীর্ঘদিন টিনের ঘরে অতিকষ্টে শিক্ষা কার্যক্রম চালানো হচ্ছিল। যে কোনো শিক্ষার্থীদের জ্ঞান আহরণের জন্য এ প্রতিষ্ঠানটি হতে পারে একটি আদর্শ শিক্ষালয়।

বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক এই সময়ে নিজেকে তথা শিক্ষার্থীকে এগিয়ে রাখার জন্য এ প্রতিষ্ঠানের বিকল্প নেই। পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের আধুনিক, সৃজনশীল ও তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর পাঠদানের মাধ্যমে এগিয়ে নিয়ে আসে এ মাদ্রাসা। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ পুরষ্কারসহ, আধুনিক শিক্ষা, আলোকিত জাতি, সংস্কৃতি ও আলোকিত মানুষ গড়ার প্রত্যয়ে উপজেলার শীর্ষে রয়েছে।

সদ্য প্রকাশিত আলিম পরীক্ষা ২০২৪ এর ফলাফলে এবার উপজেলার সবকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে পেছনে পেলে শীর্ষ স্থানে মাদ্রাসাটি। যা সত্যি প্রশংসনীয়। তারই ধারাবাহিকতায় গত ২০২০ শিক্ষাবর্ষে প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৩১ জন ছাত্রী আলিম পরীক্ষায় অংশ নেয়। যার মধ্যে পাশ করে ৩১ জন। শতকরা পাশের হার ছিল ১০০%। তারমধ্যে ৩ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে। ২০২১ সালে মোট পরিক্ষার্থী ছিল ৬৯ জন। পাসের হার ১০০%। জিপিএ পেয়েছে ৩ জন।

২০২২ সালে মোট পরিক্ষার্থী ছিল ৩০ জন। পাসের হার ৯৬.৬৭%। জিপিএ পেয়েছেন ৪ জন। ২০২৩ সালে মোট পরিক্ষার্থী ছিল ৩০ জন। পাসের হার ১০০%। জিপিএ পেয়েছেন ২ জন। যা উপজেলায় শীর্ষ স্থান দখল করে নেন। মাদ্রাসা স্বীকৃতি পাওয়ার পেছনে যাদের অবদান অনস্বীকার্য মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ কবির হোছাইন।

মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মুহাম্মদ কবির হোছাইন জানান, অধিকাংশ ভর্তিকৃত শিক্ষার্থী পড়াশোনায় পিছিয়ে রয়েছে। অনগ্রসর প্রতিকূল পরিবেশে, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, উপকূলে একদল চৌকস মেধাবী তরুণ শিক্ষক, পরিচালনা পর্ষদ এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এ শিক্ষার্থীদের সকল ধরণের সুযোগ সুবিধা প্রদান করে আজকের এই অবস্থানে আমাদের ফলাফল। তার জন্য এলাকাবাসী ও সর্বোপরি সকল মহলের কাছে মাদ্রায়াটি প্রশংসার দাবীদার হয়ে উঠছে।

তিনি আরও জানান, সরকারিভাবে পাঠদানের অনুমতি পাওয়ার পর প্রথম রেজাল্টে শীর্ষে আমরা। আগামী দিনগুলোতেও আমরা আমাদের শিক্ষক পরিবার নিয়ে এক সাথে কাজ করে এর সাফল্য অব্যাহত রাখতে চাই।

উল্লেখ্য যে, মাদ্রাসায় পড়াশোনার পাশাপাশি ছাত্রীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে অনেক গুলো কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। ফলে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্যতার পরিচয় দিতে সক্ষম হচ্ছে। বর্তমানে মাদ্রাসায় ইবতেদায়ী থেকে ফাজিল পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য নূরানী শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে।