নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামে বইমেলার পাশ থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট (সিটিটিসি)। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন সিজেকেএস জামে মসজিদের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া জঙ্গি সদস্যের নাম মো. রুমেল (২০)। তিনি নরসিংদীর বেলাবো উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামের কুদ্দুস মিয়ার ছেলে। তিনি চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও থানার জিন্নাত আলী মসজিদ সংলগ্ন বড়বাড়িতে থাকতো। তবে তার পেশা সম্পর্কে স্পষ্ট কিছু জানাতে পারেনি পুলিশ।

রুমেলকে গ্রেপ্তারের কথা দু’দিন পর স্বীকার করে সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট গণমাধ্যমদের বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি নিষিদ্ধ ঘোষিত উগ্রপন্থি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সক্রিয় সদস্য। মূলত বই মেলায় হামলা করতেই ২১ ফেব্রুয়ারি দুপুরে এম এ আজিজ স্টেডিয়াম এলাকায় আসেন। তবে হামলার পরিকল্পনা নিয়ে বই মেলায় আসলেও তার সাথে কোন ধরনের অস্ত্র ছিল না। তার কাছ থেকে বেশকিছু উগ্র জিহাদী বক্তব্যসম্বলিত প্রচারপত্র ও ব্যানার উদ্ধার করা হয়।’

আজ বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম নগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আহমেদ পেয়ার গণমাধ্যমদের বলেন, ‘গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেশিয়াম প্রাঙ্গণে সিটি করপোরেশন আয়োজিত বইমেলার পাশের সিজেকেএস জামে মসজিদের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায়
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের এক উপ পরিদর্শক (এসআই) বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ৮, ৯ (৩), ১১ ও ১৩ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মামলার পর আনসার আল ইসলামের সদস্য রুমেলকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে ঢাকা থেকে আসা অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট।

সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের উপ কমিশনার ফারুক আহমেদ বলেন,‘ আমরা গোপন সূত্রে খবরটি পাওয়ার পর ২১শে ফেব্রুয়ারি বই মেলার আশপাশে পোশাকে ও সাদা পোশাকে ফোর্স মোতায়ন করি। বই মেলার প্রবেশ পথেই সন্দেহজনক আচরণের কারণে তাকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাকে আটক করলে তার কাছ থেকে বেশকিছু উগ্র জিহাদী বক্তব্যসম্বলিত প্রচারপত্র ও ব্যানার পাওয়া যায়। পরে তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে আনসার আল ইসলামের সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করে। মূলত বই মেলাতে হামলার জন্যই সেখানে গিয়েছিল।’

এদিকে, একইদিনে বইমেলা থেকে হাটহাজারীর মেখল মাদ্রাসার এক ছাত্রকে আটকের পর প্রথম দিন কোতোয়ালী থানা পুলিশ। পরের দিন নগর গোয়েন্দা পুলিশের পশ্চিম বিভাগ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে উগ্রবাদী কোন কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানান ডিসি ফারুক আহমেদ।

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামে বইমেলার পাশ থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট (সিটিটিসি)। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন সিজেকেএস জামে মসজিদের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া জঙ্গি সদস্যের নাম মো. রুমেল (২০)। তিনি নরসিংদীর বেলাবো উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামের কুদ্দুস মিয়ার ছেলে। তিনি চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও থানার জিন্নাত আলী মসজিদ সংলগ্ন বড়বাড়িতে থাকতো। তবে তার পেশা সম্পর্কে স্পষ্ট কিছু জানাতে পারেনি পুলিশ।

রুমেলকে গ্রেপ্তারের কথা দু’দিন পর স্বীকার করে সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট গণমাধ্যমদের বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি নিষিদ্ধ ঘোষিত উগ্রপন্থি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সক্রিয় সদস্য। মূলত বই মেলায় হামলা করতেই ২১ ফেব্রুয়ারি দুপুরে এম এ আজিজ স্টেডিয়াম এলাকায় আসেন। তবে হামলার পরিকল্পনা নিয়ে বই মেলায় আসলেও তার সাথে কোন ধরনের অস্ত্র ছিল না। তার কাছ থেকে বেশকিছু উগ্র জিহাদী বক্তব্যসম্বলিত প্রচারপত্র ও ব্যানার উদ্ধার করা হয়।’

আজ বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম নগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আহমেদ পেয়ার গণমাধ্যমদের বলেন, ‘গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেশিয়াম প্রাঙ্গণে সিটি করপোরেশন আয়োজিত বইমেলার পাশের সিজেকেএস জামে মসজিদের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায়
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের এক উপ পরিদর্শক (এসআই) বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ৮, ৯ (৩), ১১ ও ১৩ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মামলার পর আনসার আল ইসলামের সদস্য রুমেলকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে ঢাকা থেকে আসা অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট।

সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের উপ কমিশনার ফারুক আহমেদ বলেন,‘ আমরা গোপন সূত্রে খবরটি পাওয়ার পর ২১শে ফেব্রুয়ারি বই মেলার আশপাশে পোশাকে ও সাদা পোশাকে ফোর্স মোতায়ন করি। বই মেলার প্রবেশ পথেই সন্দেহজনক আচরণের কারণে তাকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাকে আটক করলে তার কাছ থেকে বেশকিছু উগ্র জিহাদী বক্তব্যসম্বলিত প্রচারপত্র ও ব্যানার পাওয়া যায়। পরে তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে আনসার আল ইসলামের সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করে। মূলত বই মেলাতে হামলার জন্যই সেখানে গিয়েছিল।’

এদিকে, একইদিনে বইমেলা থেকে হাটহাজারীর মেখল মাদ্রাসার এক ছাত্রকে আটকের পর প্রথম দিন কোতোয়ালী থানা পুলিশ। পরের দিন নগর গোয়েন্দা পুলিশের পশ্চিম বিভাগ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে উগ্রবাদী কোন কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানান ডিসি ফারুক আহমেদ।