নিজস্ব প্রতিবেদক: অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২২ উদযাপন উপলক্ষ্যে আজ সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে ভবিষৎ প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ভাষা শহিদদের ইতিহাস ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, রাজশাহী’তে ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য রচনা লিখন প্রতিযোগীতা আয়োজন করা হয়। উক্ত প্রতিযোগীতায় রেঞ্জ কার্যালয়, রাজশাহী, জেলা পুলিশ, রাজশাহী, পিবিআই, রাজশাহী, নৌ-পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ, সিআইডি, আরআরএফ ও রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত পুলিশ সদস্যের সন্তান এবং রাজশাহী মহানগরীর স্বনামধন্য স্কুল প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ও ছাত্রীদের অংশগ্রহণের জন্য আহবান করা হয়।
প্রতিযোগীতায় (৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণীর ছাত্র/ছাত্রীদেরকে ‘ক’ গ্রুপে অনধিক ৫০০ শব্দ দিয়ে ‘অমর একুশে ফেব্রুয়ারি’ সম্পর্কে) ও (৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮ম শ্রেণীর ছাত্র/ছাত্রীদেরকে ‘খ’ গ্রুপে অনধিক ৮০০ শব্দ দিয়ে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ সম্পর্কে) এবং (৯ম ও ১০ম শ্রেণীর ছাত্র/ছাত্রীদেরকে ‘গ’ গ্রুপে অনধিক ১০০০ শব্দ দিয়ে ‘ভাষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা’ সম্পর্কে) রচনা লিখন প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণের জন্য বলা হয়। এই প্রতিযোগীতায় ৫৬ জন ছাত্র/ছাত্রী অংশগ্রহণ করেন।

রচনা লিখন প্রতিযোগীতায় বিজয়ী ছাত্র ও ছাত্রীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আব্দুল বাতেন, বিপিএম, পিপিএম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. রশীদুল হাসান, পিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর), রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ, রাজশাহী এবং এ বি এম মাসুদ হোসেন, বিপিএম (বার), পুলিশ সুপার, রাজশাহী ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে অমর একুশে ফেব্রুয়ারিকে সমস্ত বাংলা ভাষা ব্যবহারকারী জনগণের জন্য গৌরবোজ্জ্বল একটি দিন হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
তিনি বলেন, অমর একুশের চেতনা তথা নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য আর গৌরবময় ইতিহাসকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হলে প্রয়োজন সচেতনতা, সঠিক ইতিহাসকে জানা এবং সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা করা। আমাদের ভবিষৎ প্রজন্ম যাতে নিজের ভাষার ইতিহাসকে জানার পাশাপাশি এ পৃথিবীর সকল ভাষাকে সম্মান করতে শেখে সে লক্ষ্যে সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, রাজশাহী’র কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানটির সঞ্চালকের ভূমিকায় ছিলেন কামরুন নাহার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, রাজশাহী। এছাড়াও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে রেঞ্জ কার্যালয়, রাজশাহী, জেলা পুলিশ, রাজশাহী ও রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শহিদ ডিআইজি মামুন মাহমুদ স্কুল এন্ড কলেজ, রাজশাহী’র অধ্যক্ষ এবং ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, রাজশাহী’র অফিসার ফোর্সসহ প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণকৃত ছাত্র ও ছাত্রী এবং তাদের অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন।
Post Views: 733



