বিজন কুমার বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মানুষ মানুষের জন্য কথাটি প্রমাণ করতেই বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীরা বাংলাদেশে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।

কক্সবাজারের উখিয়া কুতুপালং নিবন্ধিত শরণার্থী শিবিরের একটি প্রতিনিধিদল ফেনী নোয়াখালী কুমিল্লাসহ বন্যকবলিত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে এসব ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে। শরণার্থী শিবিরে নিজেরা চাল-ডালসহ বিভিন্ন পণ্য সংগ্রহ করে বন্যাকবলিত এলাকায় গিয়ে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ায়।

উখিয়া কুতুপালং রিফিউজি কমিউনিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত দুদিনে তারা ফেনী নোয়াখালী কুমিল্লা ও লক্ষীপুরের বন্যাকবলিত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত তিন হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে। তাদের ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে নগদ অর্থ এবং বিভিন্ন খাদ্য পণ্য।

রোহিঙ্গা সংগঠক আরমান ইলাহী ও সৈয়দুল হক জানান, গত ৩২ বছর ধরে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

বাংলাদেশের মানুষ শুরু থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে। রোহিঙ্গারাও বাংলাদেশের বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের দুঃখ দুর্দশা লাঘবে অংশীদার হতে চায়।

শরণার্থীরা জানিয়েছে বন্যার্তদের সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।

বিজন কুমার বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মানুষ মানুষের জন্য কথাটি প্রমাণ করতেই বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীরা বাংলাদেশে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।

কক্সবাজারের উখিয়া কুতুপালং নিবন্ধিত শরণার্থী শিবিরের একটি প্রতিনিধিদল ফেনী নোয়াখালী কুমিল্লাসহ বন্যকবলিত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে এসব ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে। শরণার্থী শিবিরে নিজেরা চাল-ডালসহ বিভিন্ন পণ্য সংগ্রহ করে বন্যাকবলিত এলাকায় গিয়ে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ায়।

উখিয়া কুতুপালং রিফিউজি কমিউনিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত দুদিনে তারা ফেনী নোয়াখালী কুমিল্লা ও লক্ষীপুরের বন্যাকবলিত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত তিন হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে। তাদের ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে নগদ অর্থ এবং বিভিন্ন খাদ্য পণ্য।

রোহিঙ্গা সংগঠক আরমান ইলাহী ও সৈয়দুল হক জানান, গত ৩২ বছর ধরে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

বাংলাদেশের মানুষ শুরু থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে। রোহিঙ্গারাও বাংলাদেশের বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের দুঃখ দুর্দশা লাঘবে অংশীদার হতে চায়।

শরণার্থীরা জানিয়েছে বন্যার্তদের সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।