মোঃ সফিউল আলম, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি : বন্যায় দুর্গতদের মাঝে খাদ্যদ্রব্যসহ ওষুধপত্র ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছে আইসিএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং রেনেসাঁ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এইচ এন এম, শফিকুর রহমান। শনিবার (২৪ আগস্ট) দিনব্যাপী কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এসময় সর্বদলীয় লোকজন এবং সমাজের সচেতন শতাধিক নেতাকর্মী খাদ্য বিতরণের পাশাপাশি উদ্ধার তৎপরতা চালান।

ধনিজকরা হাফেজা খাতুন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এইচ এন এম, শফিকুর রহমান বলেছেন, ভয়াবহ বন্যায় কোটি কোটি মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। বন্যার তোড়ে ভেসে গেছে মাঠের সব ফসল, পুকুর ও মৎস্য খামারের শত কোটি টাকার মাছ। সড়ক-মহাসড়কে পানি উঠে স্থল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে ক্ষেতের ফসল, ভেসে গেছে চাষের মাছ। ঘরবাড়ি, সহায়-সম্বল হারিয়ে দিশাহারা মানুষ। এ ধরনের বন্যা-প্লাবন ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুহূর্তে অসহায় মানবতার পাশে দাঁড়ানো দল-মতনির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের দাঁড়ানোর আহবান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বিপদের সময় বানভাসি মানুষের সেবায় এগিয়ে এসে প্রত্যেক সামর্থ্যবান ব্যক্তির তাদের পাশে দাঁড়ানো উচিত। দেশের একটি অংশে বন্যা পরিস্থিতি অবনতির কারণে অসহায় মানুষ যখন পানিবন্দি অবস্থায় জীবনযাপন করছে, তখন সমাজের বিত্তবানদের বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও সাহায্য-সহযোগিতা করা কর্তব্য। বন্যা উপদ্রুত এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত বানভাসি মানুষ অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয় ও চিকিৎসার অভাবে অর্ধাহার-অনাহারে অবর্ণনীয় দুর্ভোগে দিন যাপন করছে। দুঃখের রাত যেমন শেষ হতে চায় না, তেমনি বানভাসি মানুষের কাছে এখন একেকটি দিন যেন দুর্বিষহ কষ্টের অনন্তকাল।

শফিকুর রহমান আরো বলেন, বন্যায় অনেক দরিদ্র পরিবারের বাড়িঘর, সহায়-সম্পদ ও জীবন-জীবিকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে। বহু রাস্তাঘাট, দোকানপাট, বসতভিটা, ফল-ফসল নিশ্চিহ্ন ও বিলীন হয়ে গেছে। এ অবস্থায় বন্যাকবলিত অঞ্চলের অসহায় বানভাসি মানুষ কতটা দুঃখ-কষ্টের মধ্যে পড়েছে তা সহজেই অনুমেয়। বন্যাদুর্গত বিভিন্ন এলাকায় পানিবাহিত বিভিন্ন ধরনের রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়ছে। প্রয়োজনীয় ওষুধপত্রের অভাবে তারা সুচিকিৎসা পাচ্ছে না। গভীর নলকূপ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সর্বত্র বিশুদ্ধ খাওয়ার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। তাই জরুরি ভিত্তিতে বন্যা উপদ্রুত এলাকায় মানবেতর জীবনযাপনরত বানভাসি মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় ত্রাণ তৎপরতা, শুকনো খাদ্যসামগ্রী প্রদান, আর্থিক সাহায্য-সহযোগিতা ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য আমি সচেতন চৌদ্দগ্রামবাসীর প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

উপস্থিত ছিলেন–সেলিম মেম্বার, মহি উদ্দিন, কাজী ফখরুল ইসলাম, কাজী সাইফুল ইসলাম, সাংবাদিক মীর হোসেন মোল্লা, আবদুল জলিল মাদানী, নুরুল ইসলাম দুলাল, আবুল হাসেম, শুভপুর ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি কামাল হোসেন, রফিকুল ইসলাম, আবুল কালাম সচেতন লোকজন।

মোঃ সফিউল আলম, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি : বন্যায় দুর্গতদের মাঝে খাদ্যদ্রব্যসহ ওষুধপত্র ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছে আইসিএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং রেনেসাঁ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এইচ এন এম, শফিকুর রহমান। শনিবার (২৪ আগস্ট) দিনব্যাপী কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এসময় সর্বদলীয় লোকজন এবং সমাজের সচেতন শতাধিক নেতাকর্মী খাদ্য বিতরণের পাশাপাশি উদ্ধার তৎপরতা চালান।

ধনিজকরা হাফেজা খাতুন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এইচ এন এম, শফিকুর রহমান বলেছেন, ভয়াবহ বন্যায় কোটি কোটি মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। বন্যার তোড়ে ভেসে গেছে মাঠের সব ফসল, পুকুর ও মৎস্য খামারের শত কোটি টাকার মাছ। সড়ক-মহাসড়কে পানি উঠে স্থল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে ক্ষেতের ফসল, ভেসে গেছে চাষের মাছ। ঘরবাড়ি, সহায়-সম্বল হারিয়ে দিশাহারা মানুষ। এ ধরনের বন্যা-প্লাবন ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুহূর্তে অসহায় মানবতার পাশে দাঁড়ানো দল-মতনির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের দাঁড়ানোর আহবান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বিপদের সময় বানভাসি মানুষের সেবায় এগিয়ে এসে প্রত্যেক সামর্থ্যবান ব্যক্তির তাদের পাশে দাঁড়ানো উচিত। দেশের একটি অংশে বন্যা পরিস্থিতি অবনতির কারণে অসহায় মানুষ যখন পানিবন্দি অবস্থায় জীবনযাপন করছে, তখন সমাজের বিত্তবানদের বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও সাহায্য-সহযোগিতা করা কর্তব্য। বন্যা উপদ্রুত এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত বানভাসি মানুষ অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয় ও চিকিৎসার অভাবে অর্ধাহার-অনাহারে অবর্ণনীয় দুর্ভোগে দিন যাপন করছে। দুঃখের রাত যেমন শেষ হতে চায় না, তেমনি বানভাসি মানুষের কাছে এখন একেকটি দিন যেন দুর্বিষহ কষ্টের অনন্তকাল।

শফিকুর রহমান আরো বলেন, বন্যায় অনেক দরিদ্র পরিবারের বাড়িঘর, সহায়-সম্পদ ও জীবন-জীবিকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে। বহু রাস্তাঘাট, দোকানপাট, বসতভিটা, ফল-ফসল নিশ্চিহ্ন ও বিলীন হয়ে গেছে। এ অবস্থায় বন্যাকবলিত অঞ্চলের অসহায় বানভাসি মানুষ কতটা দুঃখ-কষ্টের মধ্যে পড়েছে তা সহজেই অনুমেয়। বন্যাদুর্গত বিভিন্ন এলাকায় পানিবাহিত বিভিন্ন ধরনের রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়ছে। প্রয়োজনীয় ওষুধপত্রের অভাবে তারা সুচিকিৎসা পাচ্ছে না। গভীর নলকূপ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সর্বত্র বিশুদ্ধ খাওয়ার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। তাই জরুরি ভিত্তিতে বন্যা উপদ্রুত এলাকায় মানবেতর জীবনযাপনরত বানভাসি মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় ত্রাণ তৎপরতা, শুকনো খাদ্যসামগ্রী প্রদান, আর্থিক সাহায্য-সহযোগিতা ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য আমি সচেতন চৌদ্দগ্রামবাসীর প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

উপস্থিত ছিলেন–সেলিম মেম্বার, মহি উদ্দিন, কাজী ফখরুল ইসলাম, কাজী সাইফুল ইসলাম, সাংবাদিক মীর হোসেন মোল্লা, আবদুল জলিল মাদানী, নুরুল ইসলাম দুলাল, আবুল হাসেম, শুভপুর ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি কামাল হোসেন, রফিকুল ইসলাম, আবুল কালাম সচেতন লোকজন।