মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, পেকুয়া: কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বৃহত্তম বাণিজ্যিক কেন্দ্র পেকুয়া আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরী বাজারে সিএনজি স্টেশনের চাঁদাবাজির স্পট দখলে নিতে দুই পক্ষের মধ্যে প্রকাশ্যে গুলিবিনিময় ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।

গুলিবিনয়ময় ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় উভয় পক্ষে গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১৬ জন কমবেশি আহত হয়েছে। আহতদেরকে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে সিএনজি শ্রমিক ও সাধারণ পথচারীরাও রয়েছে।

গতকাল শুক্রবার (২৮ জুন) বিকাল ৩ঘটিকার দিকে পেকুয়া বাজারে দুই শ্রমিক সংগঠনের মাঝে গুলি বিনিময়ের ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর খবর পেয়ে পেকুয়া থানার ওসির নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নেয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও পেকুয়া বাজারের একাধিক ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক সংগঠন নিয়ে পেকুয়ায় দুটি গ্রুপের মধ্যে গত এক মাস ধরে দ্বন্ধ চরম আকার ধারণ করে। একটি শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি পরিচয়ে গত এক মাস ধরে কথিত শ্রমিক নেতা পরিচয়ধারী কানা রফিকের নেতৃত্বে পেকুয়ার বিভিন্ন এলাকার ৭/৮টি সিএনজি স্টেশনের চাঁদাবাজির স্পট দখল করে চাঁদা উত্তোলেনের জন্য লোক নিয়োগ করেন। অধিকাংশ চাঁদাবাজির স্পট দখলে নিলেও পেকুয়া বাজার সিএনজি স্টেশনের চাঁদাবাজির স্পট দখল করতে পারেনি কানা রফিকের লোকজন।

গতকাল ২৮ জুন দুপুরে কানা রফিকের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ১০/১৫ জনের একদল লোক পেকুয়া বাজারে সিএনজির চাঁদাবাজির স্পট দখল করতে গেলে নাছির- বারেকের নিয়ন্ত্রণাধীন বৈধ শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা বাধা দেয়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটে। এসময় উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে গুলি বিনিময়ের ঘটনায় আতংকিত হয়ে পেকুয়া বাজারের ব্যবসায়ীরা দোকান পাট বন্ধ করে দেয়। বাজারে আগত পথচারীরা ভয়ে পালিয়ে যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পেকুয়া উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে রাজাখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী নাছির উদ্দিন ও পেকুয়া উপজেলা যুবলীগের সেক্রেটারী মো.বারেক বৈধ সিএনজি শ্রমিক সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিল। সম্প্রতি কথিত শ্রমিক নেতা মো.রফিক ওরফে কানা রফিক ও রফিকুল ইসলাম সিএনজি শ্রমিক লীগের ব্যানারে নাছির-বারেকের নিয়ন্ত্রণাধীন বৈধ সিএনজি শ্রমিক সংগঠনের চাঁদাবাজির স্পটগুলো একের পর এক দখলে নিতে থাকে। কয়েকটি স্পট দখলে নিতে পারেনি। ঘটনার দিন গতকাল ২৮ জুন পেকুয়া বাজারে সিএনজি স্টেশনের চাঁদাবাজির স্পট জবর দখলের জন্য কানা রফিকের নেতৃত্বে বেপরোয়া গুলি বর্ষণ করে। অপরদিকে বারেক-নাছিরের লোকজনও পাল্টা গুলি বর্ষণ করে। এসময় উভয় পক্ষে এবং বাজারের পথচারীসহ কমপক্ষে ১৬ জন কমবেশি গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে।

গুলিবিদ্ধরা হলেন-পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের শেখের কিল্লাঘোনা গ্রামের বদিউল আলমের ছেলে আবদুল কুদ্দুস মনু (৪০), পুর্ব গোঁয়াখালী এলাকার গিয়াস উদ্দিন এর ছেলে নয়ন (২৩), আন্নর আলী মাতবর পাড়া এলাকার মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে নেজাম উদ্দিন (৪৫), একই এলাকার শওকত হোসেন (২২)। হামলায় আহতরা হলেন, পেকুয়া সদরের মিয়াপাড়া এলাকার নুরুল হোসেন এর ছেলে মোজাম্মেল (৩০) ও পুর্ব গোঁয়াখালী এলাকার আনছার উদ্দিনের ছেলে আতিক আহমদ (২৪)। বারবাকিয়া পূর্ব জালিয়াখালি মোহাম্মদ সেকান্দর ছেলে মোক্তার আহমদ (২৬), আবুল বশরের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (২৪), বারবাকিয়া ইউনিয়নের বুধামাঝির ঘোনা এলাকার আবুল হাশেমের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (১৯), পশ্চিম বারবাকিয়া এলাকার আব্দুল মোতালেবের ছেলে
জাহেদুল ইসলাম (২০), মোহাম্মদ নাজেম উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ রুবেল (১৯), শফিউল্লাহ ছেলে মোরশেদ (১৯), মোহাম্মদ আলমের ছেলে তাউসিফ (২১), আব্দুল মোনাফের ছেলে মোহাম্মদ রাজিব (২৪), আক্কাস উদ্দিনের ছেলে মিনহাজ (১৯), আলতাসের ছেলে বাবু (১৭), মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ কালু (২৫), গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন মৃত মোহাম্মদ মিয়ার ছেলে জিয়াবুল (১৮)।

পেকুয়া উপজেলার বৈধ সিএনজি শ্রমিক সংগঠনের সেক্রেটারী ও উপজেলা যুবলীগ নেতা মো: বারেক বলেন, সম্পূর্ন অন্যায়ভাবে কথিত শ্রমিক নেতা পরিচয়ধারী কানা রফিকের নেতৃত্বে গতকাল শুক্রবার বিকালে সিএনজি স্টেশন জবর দখল করতে আসলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। তিনি খোঁজ নিয়ে এসব বিষয় জেনেছেন। তিনি বর্তমানে সাংগঠনিক কাজে ঢাকায় অবস্থান করছেন।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: ইলিয়াছ বলেন, পেকুয়া বাজারে দুই শ্রমিক সংগঠনের মধ্যে সংর্ঘের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এখনো পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, পেকুয়া: কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বৃহত্তম বাণিজ্যিক কেন্দ্র পেকুয়া আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরী বাজারে সিএনজি স্টেশনের চাঁদাবাজির স্পট দখলে নিতে দুই পক্ষের মধ্যে প্রকাশ্যে গুলিবিনিময় ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।

গুলিবিনয়ময় ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় উভয় পক্ষে গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১৬ জন কমবেশি আহত হয়েছে। আহতদেরকে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে সিএনজি শ্রমিক ও সাধারণ পথচারীরাও রয়েছে।

গতকাল শুক্রবার (২৮ জুন) বিকাল ৩ঘটিকার দিকে পেকুয়া বাজারে দুই শ্রমিক সংগঠনের মাঝে গুলি বিনিময়ের ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর খবর পেয়ে পেকুয়া থানার ওসির নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নেয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও পেকুয়া বাজারের একাধিক ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক সংগঠন নিয়ে পেকুয়ায় দুটি গ্রুপের মধ্যে গত এক মাস ধরে দ্বন্ধ চরম আকার ধারণ করে। একটি শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি পরিচয়ে গত এক মাস ধরে কথিত শ্রমিক নেতা পরিচয়ধারী কানা রফিকের নেতৃত্বে পেকুয়ার বিভিন্ন এলাকার ৭/৮টি সিএনজি স্টেশনের চাঁদাবাজির স্পট দখল করে চাঁদা উত্তোলেনের জন্য লোক নিয়োগ করেন। অধিকাংশ চাঁদাবাজির স্পট দখলে নিলেও পেকুয়া বাজার সিএনজি স্টেশনের চাঁদাবাজির স্পট দখল করতে পারেনি কানা রফিকের লোকজন।

গতকাল ২৮ জুন দুপুরে কানা রফিকের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ১০/১৫ জনের একদল লোক পেকুয়া বাজারে সিএনজির চাঁদাবাজির স্পট দখল করতে গেলে নাছির- বারেকের নিয়ন্ত্রণাধীন বৈধ শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা বাধা দেয়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটে। এসময় উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে গুলি বিনিময়ের ঘটনায় আতংকিত হয়ে পেকুয়া বাজারের ব্যবসায়ীরা দোকান পাট বন্ধ করে দেয়। বাজারে আগত পথচারীরা ভয়ে পালিয়ে যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পেকুয়া উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে রাজাখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী নাছির উদ্দিন ও পেকুয়া উপজেলা যুবলীগের সেক্রেটারী মো.বারেক বৈধ সিএনজি শ্রমিক সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিল। সম্প্রতি কথিত শ্রমিক নেতা মো.রফিক ওরফে কানা রফিক ও রফিকুল ইসলাম সিএনজি শ্রমিক লীগের ব্যানারে নাছির-বারেকের নিয়ন্ত্রণাধীন বৈধ সিএনজি শ্রমিক সংগঠনের চাঁদাবাজির স্পটগুলো একের পর এক দখলে নিতে থাকে। কয়েকটি স্পট দখলে নিতে পারেনি। ঘটনার দিন গতকাল ২৮ জুন পেকুয়া বাজারে সিএনজি স্টেশনের চাঁদাবাজির স্পট জবর দখলের জন্য কানা রফিকের নেতৃত্বে বেপরোয়া গুলি বর্ষণ করে। অপরদিকে বারেক-নাছিরের লোকজনও পাল্টা গুলি বর্ষণ করে। এসময় উভয় পক্ষে এবং বাজারের পথচারীসহ কমপক্ষে ১৬ জন কমবেশি গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে।

গুলিবিদ্ধরা হলেন-পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের শেখের কিল্লাঘোনা গ্রামের বদিউল আলমের ছেলে আবদুল কুদ্দুস মনু (৪০), পুর্ব গোঁয়াখালী এলাকার গিয়াস উদ্দিন এর ছেলে নয়ন (২৩), আন্নর আলী মাতবর পাড়া এলাকার মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে নেজাম উদ্দিন (৪৫), একই এলাকার শওকত হোসেন (২২)। হামলায় আহতরা হলেন, পেকুয়া সদরের মিয়াপাড়া এলাকার নুরুল হোসেন এর ছেলে মোজাম্মেল (৩০) ও পুর্ব গোঁয়াখালী এলাকার আনছার উদ্দিনের ছেলে আতিক আহমদ (২৪)। বারবাকিয়া পূর্ব জালিয়াখালি মোহাম্মদ সেকান্দর ছেলে মোক্তার আহমদ (২৬), আবুল বশরের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (২৪), বারবাকিয়া ইউনিয়নের বুধামাঝির ঘোনা এলাকার আবুল হাশেমের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (১৯), পশ্চিম বারবাকিয়া এলাকার আব্দুল মোতালেবের ছেলে
জাহেদুল ইসলাম (২০), মোহাম্মদ নাজেম উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ রুবেল (১৯), শফিউল্লাহ ছেলে মোরশেদ (১৯), মোহাম্মদ আলমের ছেলে তাউসিফ (২১), আব্দুল মোনাফের ছেলে মোহাম্মদ রাজিব (২৪), আক্কাস উদ্দিনের ছেলে মিনহাজ (১৯), আলতাসের ছেলে বাবু (১৭), মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ কালু (২৫), গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন মৃত মোহাম্মদ মিয়ার ছেলে জিয়াবুল (১৮)।

পেকুয়া উপজেলার বৈধ সিএনজি শ্রমিক সংগঠনের সেক্রেটারী ও উপজেলা যুবলীগ নেতা মো: বারেক বলেন, সম্পূর্ন অন্যায়ভাবে কথিত শ্রমিক নেতা পরিচয়ধারী কানা রফিকের নেতৃত্বে গতকাল শুক্রবার বিকালে সিএনজি স্টেশন জবর দখল করতে আসলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। তিনি খোঁজ নিয়ে এসব বিষয় জেনেছেন। তিনি বর্তমানে সাংগঠনিক কাজে ঢাকায় অবস্থান করছেন।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: ইলিয়াছ বলেন, পেকুয়া বাজারে দুই শ্রমিক সংগঠনের মধ্যে সংর্ঘের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এখনো পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।