ফটিকছড়ি প্রতিনিধি: ফটিকছড়িতে চাঁদের গাড়ি চাপায় (জীপ)। দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনার মূল আসামি ঘাতক জীপ ড্রাইভার আলাউদ্দীনকে(২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাতে সিএমপি বায়জিদ থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ।

সে উপজেলার ভুজপুর থানার নারায়নহাট ইউপির উত্তর শৈলকূপা এলাকার মোহাম্মদ রুহুল আমিন প্রকাশ তনু ফকিরের পুত্র। গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফটিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম।

উল্লেখ্য, গত ৯ ফ্রেব্রুয়ারি দুপুরে উপজেলার চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়কের পেলাগাজী দিঘী এলাকায় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে চাঁদের গাড়ির চাপায় দুই স্কুল ছাত্রী নিহত হয়েছে। নিহত মিশু আকতার (১৬) দক্ষিন পাইন্দং মোল্লার বাড়ির আবুল বশরের কন্যা। নিহত নিশা মনি(১৮) একই এলাকার মোহাম্মদ লোকমানের কন্যা।

তারা দুজনই হাইদচকিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্রী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ধানবাহী জীপ গাড়ীটিকে পুলিশের টিএ সার্জেন্ট ধাওয়া করলে গাড়ীটি পালিয়ে যেতে চেষ্টা করে। এসময় গাড়ীটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে ২স্কুল ছাত্রীকে চাপা দেয়। ফায়ারসার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সহযোগিতায় গাড়ীর নিচে থেকে উদ্ধার করে তাদের নাজিরহাটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। দূর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করে,সার্জেন্টের মোটর বাইকে অগ্নি সংযোগ করে। খবর পেয়ে

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহিনুল হাসান ও ফটিকছড়ি থানার অফিসার্স ইনচার্য ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাবাসীকে শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

১০ ফেব্রুয়ারি বৃহষ্পতিবার জীপ চালককে প্রধান আসামী করে ফটিকছড়ি থানায় মামলাটি দায়ের করেন নিহত মিশু আক্তারের চাচা মোহাম্মদ আইয়ুব।

এ ঘটনায় হাইওয়ে থানার ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) জীবন চাকমাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং সার্জেন্ট আল আমিনকে জেলা পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি: ফটিকছড়িতে চাঁদের গাড়ি চাপায় (জীপ)। দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনার মূল আসামি ঘাতক জীপ ড্রাইভার আলাউদ্দীনকে(২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাতে সিএমপি বায়জিদ থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ।

সে উপজেলার ভুজপুর থানার নারায়নহাট ইউপির উত্তর শৈলকূপা এলাকার মোহাম্মদ রুহুল আমিন প্রকাশ তনু ফকিরের পুত্র। গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফটিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম।

উল্লেখ্য, গত ৯ ফ্রেব্রুয়ারি দুপুরে উপজেলার চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়কের পেলাগাজী দিঘী এলাকায় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে চাঁদের গাড়ির চাপায় দুই স্কুল ছাত্রী নিহত হয়েছে। নিহত মিশু আকতার (১৬) দক্ষিন পাইন্দং মোল্লার বাড়ির আবুল বশরের কন্যা। নিহত নিশা মনি(১৮) একই এলাকার মোহাম্মদ লোকমানের কন্যা।

তারা দুজনই হাইদচকিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্রী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ধানবাহী জীপ গাড়ীটিকে পুলিশের টিএ সার্জেন্ট ধাওয়া করলে গাড়ীটি পালিয়ে যেতে চেষ্টা করে। এসময় গাড়ীটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে ২স্কুল ছাত্রীকে চাপা দেয়। ফায়ারসার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সহযোগিতায় গাড়ীর নিচে থেকে উদ্ধার করে তাদের নাজিরহাটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। দূর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করে,সার্জেন্টের মোটর বাইকে অগ্নি সংযোগ করে। খবর পেয়ে

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহিনুল হাসান ও ফটিকছড়ি থানার অফিসার্স ইনচার্য ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাবাসীকে শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

১০ ফেব্রুয়ারি বৃহষ্পতিবার জীপ চালককে প্রধান আসামী করে ফটিকছড়ি থানায় মামলাটি দায়ের করেন নিহত মিশু আক্তারের চাচা মোহাম্মদ আইয়ুব।

এ ঘটনায় হাইওয়ে থানার ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) জীবন চাকমাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং সার্জেন্ট আল আমিনকে জেলা পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।