উত্তরা প্রতিনিধি: পরিবহণ সেক্টরে নৈরাজ্য গড়ে উঠেছে ক্ষমতাশীন দলের ভূইফোড় সংগঠনের নেতা-কর্মীকে ঘিরে। নিজের আখের গোছানোর কৌশল হিসাবে বেছে নিয়েছে পরিবহন শ্রমীক লীগ, তারা মূলত স্থানীয় প্রভাবশীল নেতার ছত্রছায়া ও ট্রাফিক পুলিশকে ম্যানেজ করেই গড়ে তুলেছে বিশাল নৈরাজ্য আর চাঁদাবাজি সিন্ডিকেট। রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর মহাসড়কে পরিবহণ চাঁদাবাজ চক্রের নেতা নূরু এ পন্থায় কোটি টাকার মালিক বনে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তথ্য সূত্রে জানা যায়, এই পরিবহণ চাঁদাবাজি চলছে প্রায় ১ যুগেরও অধিক সময় ধরে। চাঁদার টাকায় গাড়ি বাড়ি সহ বাজিমাত করেছেন নূরু। সরকার এই সড়ক ও মহাসড়কে চাঁদাবাজি নিয়ে কঠোর ভূমিকা নিলেও সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চলছে এই বেপরোয়া চাঁদাবাজ চক্রের হোতা। তবে বর্তমান ১৮ আসনের নব নির্বাচিত সংসদ আলহাজ্ব খসরু চৌধুরী চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠিন হুশিয়ারী দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিয়ে বলেন, অত্র আসনের বিভিন্ন রুটে চাঁদাবাজি বন্ধ হয়ে গেছে।

জানা গেছে, এহেন অবস্থাতেও গত ১০ মে থেকে আব্দুল্লাহপুর বাস স্টপে পূনরায় চাঁদাবাজি শুরু করেছে চক্রটি। মহাসড়কের পূর্বপাশে একটি বাস কাউন্টারের রুম দখল করে ঐ খানেই অফিস তৈরী করে নুরু। ঐ অফিসে বসে নিয়ন্ত্রণ করে বাস স্ট্যান্ড। তার নিজস্ব একটি ক্যাডার বাহিনী রয়েছে। এই বাহিনী দিয়েই তিনি প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজি করে। আব্দুল্লাহপুরে সকাল থেকে রাত পযর্ন্ত সিভিল পোশাকে হাতে লাঠিনিয়ে বাস তাড়াচ্ছেন কিছু লোকজন।

তাদের জিগ্যেস করলে তারা বলেন, রাস্তার শৃঙ্খলা ফেরানোর জন্য ট্রাফিক পুলিশের সাথে কাজ করছেন তারা। কিন্তু দেখা গেছে, তারা প্রত্যেকটি গাড়ি হতে টাকা তুলছেন।আব্দুল্লাহপুর থেকে আশুলিয়া সড়ক যেতে যে বাস গুলো ছেড়ে যায় তার সংখ্যা প্রায় ৮০০। আর গাবতলি থেকে ছেড়ে আসা প্রায় ৭০০ গাড়ি থেকে টাকা উঠানোর দায়িত্ব পালন করছে নুরুর লোক জন । আব্দুল্লাহপুর বাস কাউন্টার থেকে টাকা উঠানোর দায়িত্ব পালন করে নুরুর কাছের এক ছোট ভাই রইস। দুরপাল্লা সহ আন্তঃজেলা বাস হতে চাঁদা বাজির এক বিরাট অংশ এই চক্রটির হাতে।

বিভিন্ন বাসের হেলপারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আব্দুল্লাহপুরে ২০০ টাকা দিতে হয় না দিলে যাএী নামাতে এবং উঠাতে ঝামেলা করে এরা। তবে গাবতলী থেকে ছেড়ে আসা বাসের চাঁদা ৫০ টাকা। সিন্ডিকেটের এক পুরাতন সদস্য
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শর্তে জানান, এই টাকার ভাগবাটোয়ারা উচ্চ মহলে ও যায়।টাকার বিনিময় সাধারণ সম্পাদক শ্রমিক ফেডারেশন আব্দুল্লাহপুর ইউনিটের পোষ্টটি বাগিয়ে নিয়ে যায় নূরু।সারা দিন ট্রাফিক পুলিশের সামনেই এই চাঁদাবাজি করে তারা।শ্রমিকদের উন্নয়নের কথা বলে দীর্ঘদিন ধরেই এই চাঁদাবাজি করছে নূরু বাহিনী,কিন্তু কোন দিন শ্রমিককে কোন কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা কিংবা ক্ষতিগ্রস্তদের কোন সহযোগীতা করেনি তারা।

এই বিষয় নিয়ে নুরু দি ক্রাইমকে বলেন, এখানে বাস থামানোবা ইয়ে করার দ্বায়িত্ব আমার। শ্রমিক ইউনিয়ন মালিক সমিতি ৩০ টাকা করে নেয় আর যারা টিকিট বেঁচে তারা কমিশন নেয়।

তবে ট্রাফিকের নিরব ভূমিকার বিষয়ে উত্তরা জোনাল ট্রাফিক অফিসার্স( ডিসি) নাবিদ কামাল শৈবাল দি ক্রাইমকে বলেন, আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখবো, আপনি একটি লিখিত অভিযোগ দিতে পারেন।

উত্তরা প্রতিনিধি: পরিবহণ সেক্টরে নৈরাজ্য গড়ে উঠেছে ক্ষমতাশীন দলের ভূইফোড় সংগঠনের নেতা-কর্মীকে ঘিরে। নিজের আখের গোছানোর কৌশল হিসাবে বেছে নিয়েছে পরিবহন শ্রমীক লীগ, তারা মূলত স্থানীয় প্রভাবশীল নেতার ছত্রছায়া ও ট্রাফিক পুলিশকে ম্যানেজ করেই গড়ে তুলেছে বিশাল নৈরাজ্য আর চাঁদাবাজি সিন্ডিকেট। রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর মহাসড়কে পরিবহণ চাঁদাবাজ চক্রের নেতা নূরু এ পন্থায় কোটি টাকার মালিক বনে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তথ্য সূত্রে জানা যায়, এই পরিবহণ চাঁদাবাজি চলছে প্রায় ১ যুগেরও অধিক সময় ধরে। চাঁদার টাকায় গাড়ি বাড়ি সহ বাজিমাত করেছেন নূরু। সরকার এই সড়ক ও মহাসড়কে চাঁদাবাজি নিয়ে কঠোর ভূমিকা নিলেও সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চলছে এই বেপরোয়া চাঁদাবাজ চক্রের হোতা। তবে বর্তমান ১৮ আসনের নব নির্বাচিত সংসদ আলহাজ্ব খসরু চৌধুরী চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠিন হুশিয়ারী দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিয়ে বলেন, অত্র আসনের বিভিন্ন রুটে চাঁদাবাজি বন্ধ হয়ে গেছে।

জানা গেছে, এহেন অবস্থাতেও গত ১০ মে থেকে আব্দুল্লাহপুর বাস স্টপে পূনরায় চাঁদাবাজি শুরু করেছে চক্রটি। মহাসড়কের পূর্বপাশে একটি বাস কাউন্টারের রুম দখল করে ঐ খানেই অফিস তৈরী করে নুরু। ঐ অফিসে বসে নিয়ন্ত্রণ করে বাস স্ট্যান্ড। তার নিজস্ব একটি ক্যাডার বাহিনী রয়েছে। এই বাহিনী দিয়েই তিনি প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজি করে। আব্দুল্লাহপুরে সকাল থেকে রাত পযর্ন্ত সিভিল পোশাকে হাতে লাঠিনিয়ে বাস তাড়াচ্ছেন কিছু লোকজন।

তাদের জিগ্যেস করলে তারা বলেন, রাস্তার শৃঙ্খলা ফেরানোর জন্য ট্রাফিক পুলিশের সাথে কাজ করছেন তারা। কিন্তু দেখা গেছে, তারা প্রত্যেকটি গাড়ি হতে টাকা তুলছেন।আব্দুল্লাহপুর থেকে আশুলিয়া সড়ক যেতে যে বাস গুলো ছেড়ে যায় তার সংখ্যা প্রায় ৮০০। আর গাবতলি থেকে ছেড়ে আসা প্রায় ৭০০ গাড়ি থেকে টাকা উঠানোর দায়িত্ব পালন করছে নুরুর লোক জন । আব্দুল্লাহপুর বাস কাউন্টার থেকে টাকা উঠানোর দায়িত্ব পালন করে নুরুর কাছের এক ছোট ভাই রইস। দুরপাল্লা সহ আন্তঃজেলা বাস হতে চাঁদা বাজির এক বিরাট অংশ এই চক্রটির হাতে।

বিভিন্ন বাসের হেলপারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আব্দুল্লাহপুরে ২০০ টাকা দিতে হয় না দিলে যাএী নামাতে এবং উঠাতে ঝামেলা করে এরা। তবে গাবতলী থেকে ছেড়ে আসা বাসের চাঁদা ৫০ টাকা। সিন্ডিকেটের এক পুরাতন সদস্য
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শর্তে জানান, এই টাকার ভাগবাটোয়ারা উচ্চ মহলে ও যায়।টাকার বিনিময় সাধারণ সম্পাদক শ্রমিক ফেডারেশন আব্দুল্লাহপুর ইউনিটের পোষ্টটি বাগিয়ে নিয়ে যায় নূরু।সারা দিন ট্রাফিক পুলিশের সামনেই এই চাঁদাবাজি করে তারা।শ্রমিকদের উন্নয়নের কথা বলে দীর্ঘদিন ধরেই এই চাঁদাবাজি করছে নূরু বাহিনী,কিন্তু কোন দিন শ্রমিককে কোন কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা কিংবা ক্ষতিগ্রস্তদের কোন সহযোগীতা করেনি তারা।

এই বিষয় নিয়ে নুরু দি ক্রাইমকে বলেন, এখানে বাস থামানোবা ইয়ে করার দ্বায়িত্ব আমার। শ্রমিক ইউনিয়ন মালিক সমিতি ৩০ টাকা করে নেয় আর যারা টিকিট বেঁচে তারা কমিশন নেয়।

তবে ট্রাফিকের নিরব ভূমিকার বিষয়ে উত্তরা জোনাল ট্রাফিক অফিসার্স( ডিসি) নাবিদ কামাল শৈবাল দি ক্রাইমকে বলেন, আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখবো, আপনি একটি লিখিত অভিযোগ দিতে পারেন।