চকরিয়া অফিস : চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ভাড়া কমিয়ে এক যুগান্তকারী ঘোষণা দিয়েছে সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপ। দেশের সামগ্রীক অর্থনৈতিক বিবেচনায় মানুষের আর্থিক দূর্ভোগ লাগবে এ ঘোষণা দেন বলে বলে জানান পরিবহন মালিক গ্রুপ। তবে সচেতন যাত্রী মহল তাদের একাধিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ঘোষণাকে ভিন্নভাবে নিচ্ছে। তাদের মতে সদ্য নির্মিত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল সড়কে স্বপ্নের ট্রেন সার্ভিস চালু হওয়ায় যাত্রী স্বল্পতায় পড়ে বড় ধরণের ধাক্কা খেয়েছে এ সড়কে চলাচলকারী বিলাস বহুল বাস সার্ভিস গুলো।

জানা গেছে, পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত ও পর্যটন নগরী কক্সবাজার হওয়াতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কটি সমগ্র দেশবাসীর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সে হিসেবে এ সড়কে যাত্রী পরিবহন সহ নানাবিধ গাড়ির চাপও বেশি। দেশের নানা প্রান্ত থেকে বলতে গেলে পুরো বছরই গাড়ির চাপ থাকে সড়কটিতে। আবার দেশের অন্যান্য সড়কের চাইতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে তুলনামুলক ভাড়াও বেশি। এ সড়কে পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা যাত্রীদের কাছ থেকে গলাকাটা বাণিজ্য করার এমন অভিযোগও কম নয়। সবমিলিয়ে যাত্রীরা ভাড়া নিয়ে প্রতিবাদ করে না। পরিবহন গ্রæপ যে রকম তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী ভাড়া নির্ধারণ করে সে রকম ভাড়া দিয়ে যাত্রীরা এ সড়কে গাড়িতে যাতায়াত করে।

আবার এ সড়কে ভিআইপি যাত্রীও বেশি হওয়ায় আজ থেকে প্রায় তিন যুগ পূর্বে এ সড়কে আধুনিক ও মান সম্মত যাত্রী সেবা নিয়ে এগিয়ে আসে এস আলম, সৌদিয়া, প্যারাগন, রিলাক্স, মোহাম্মদী, সোনারগাঁও, বোরাক, শাহ আমীন সহ নাম করা কিছু পরিবহন মালিক গ্রæপ। তবে নানা চড়াই উতরাই এর মধ্যে যাত্রীদের ভাল সেবা দিয়ে টিকে থাকে এস আলম ও সৌদিয়া। অপরাপর পরিবহন গুলো কালের আবর্তে হারিয়ে যায়। এরইমধ্যে বিগত কয়েক বছর পূর্বে সড়কটিতে নতুন করে যুক্ত হয়েছে মারশা ও পূরবী পরিবহন। এ দুটি পরিবহন অতি দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়। এ কারণে তাদের যাত্রীও বেশি। চট্টগ্রাম থেকে চকরিয়া কিংবা কক্সবাজার যাতায়াতে যাত্রীরা সময় মত টিকেটও পায় না। এ সংকটকে পুজি করে মারশা পরিবহন এ সড়কে নৈরাজ্য সৃষ্টি করারও অভিযোগ আছে। তারা অত্যাধিক ভাড়া বাড়িয়ে দেয়। আবার চট্টগ্রাম থেকে চকরিয়া এবং কক্সবাজার থেকে চকরিয়ার যাত্রীদের টিকেট দিতে চায় না। এ নিয়ে মারশা পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীদের মধ্যে প্রায়ই সময় ঝগড়া লাগে। অনেক সময় চকরিয়ার যাত্রীরা বাধ্য হয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার টিকেট নিয়ে চলাচল করতে হয়। ফলে বেশি ভাড়া গুণতে হচ্ছে যাত্রীদের।

কয়েক যুগ ধরে ভাড়া বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় মত্ত থাকলেও ভাড়া কমানোর চিন্তা করনি তারা। কিছুদিন আগে তেলের দাম কমানো হয় সামান্য। এরপরও পরিবহণ মালিক গ্রুপ যাত্রী সেবায় ভাড়া কমায়নি। কিন্তু কয়েকদিন আগে হঠাৎ সৌদিয়া পরিহন চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে ভাড়া কমানোর ঘোষণা দেন। এরপর পূরবী পরিবহণ ও ভাড়া কমানোর ঘোষণা দেন। মারশা পরিবহন এখনও ভাড়া কমানোর কোন ঘোষণা দেননি। তারা এ সড়কে দাবিয়ে বেড়াচ্ছে।

যাত্রী সাধারণের অভিমত পরিবহন মালিক গুলো দেশের সামগ্রীক অর্থনৈতিক বিবেচনায় ভাড়া কমানোর ঘোষণা দিয়েছে এমন কথা বলা হলেও মুলত তা নয়। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল সড়ক চালু হওয়ায় ট্রেন যাতায়াত শুরু হওয়াতে এসব পরিবহন গুলো যাত্রী সংকটে পড়েছে।

চকরিয়া অফিস : চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ভাড়া কমিয়ে এক যুগান্তকারী ঘোষণা দিয়েছে সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপ। দেশের সামগ্রীক অর্থনৈতিক বিবেচনায় মানুষের আর্থিক দূর্ভোগ লাগবে এ ঘোষণা দেন বলে বলে জানান পরিবহন মালিক গ্রুপ। তবে সচেতন যাত্রী মহল তাদের একাধিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ঘোষণাকে ভিন্নভাবে নিচ্ছে। তাদের মতে সদ্য নির্মিত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল সড়কে স্বপ্নের ট্রেন সার্ভিস চালু হওয়ায় যাত্রী স্বল্পতায় পড়ে বড় ধরণের ধাক্কা খেয়েছে এ সড়কে চলাচলকারী বিলাস বহুল বাস সার্ভিস গুলো।

জানা গেছে, পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত ও পর্যটন নগরী কক্সবাজার হওয়াতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কটি সমগ্র দেশবাসীর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সে হিসেবে এ সড়কে যাত্রী পরিবহন সহ নানাবিধ গাড়ির চাপও বেশি। দেশের নানা প্রান্ত থেকে বলতে গেলে পুরো বছরই গাড়ির চাপ থাকে সড়কটিতে। আবার দেশের অন্যান্য সড়কের চাইতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে তুলনামুলক ভাড়াও বেশি। এ সড়কে পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা যাত্রীদের কাছ থেকে গলাকাটা বাণিজ্য করার এমন অভিযোগও কম নয়। সবমিলিয়ে যাত্রীরা ভাড়া নিয়ে প্রতিবাদ করে না। পরিবহন গ্রæপ যে রকম তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী ভাড়া নির্ধারণ করে সে রকম ভাড়া দিয়ে যাত্রীরা এ সড়কে গাড়িতে যাতায়াত করে।

আবার এ সড়কে ভিআইপি যাত্রীও বেশি হওয়ায় আজ থেকে প্রায় তিন যুগ পূর্বে এ সড়কে আধুনিক ও মান সম্মত যাত্রী সেবা নিয়ে এগিয়ে আসে এস আলম, সৌদিয়া, প্যারাগন, রিলাক্স, মোহাম্মদী, সোনারগাঁও, বোরাক, শাহ আমীন সহ নাম করা কিছু পরিবহন মালিক গ্রæপ। তবে নানা চড়াই উতরাই এর মধ্যে যাত্রীদের ভাল সেবা দিয়ে টিকে থাকে এস আলম ও সৌদিয়া। অপরাপর পরিবহন গুলো কালের আবর্তে হারিয়ে যায়। এরইমধ্যে বিগত কয়েক বছর পূর্বে সড়কটিতে নতুন করে যুক্ত হয়েছে মারশা ও পূরবী পরিবহন। এ দুটি পরিবহন অতি দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়। এ কারণে তাদের যাত্রীও বেশি। চট্টগ্রাম থেকে চকরিয়া কিংবা কক্সবাজার যাতায়াতে যাত্রীরা সময় মত টিকেটও পায় না। এ সংকটকে পুজি করে মারশা পরিবহন এ সড়কে নৈরাজ্য সৃষ্টি করারও অভিযোগ আছে। তারা অত্যাধিক ভাড়া বাড়িয়ে দেয়। আবার চট্টগ্রাম থেকে চকরিয়া এবং কক্সবাজার থেকে চকরিয়ার যাত্রীদের টিকেট দিতে চায় না। এ নিয়ে মারশা পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীদের মধ্যে প্রায়ই সময় ঝগড়া লাগে। অনেক সময় চকরিয়ার যাত্রীরা বাধ্য হয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার টিকেট নিয়ে চলাচল করতে হয়। ফলে বেশি ভাড়া গুণতে হচ্ছে যাত্রীদের।

কয়েক যুগ ধরে ভাড়া বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় মত্ত থাকলেও ভাড়া কমানোর চিন্তা করনি তারা। কিছুদিন আগে তেলের দাম কমানো হয় সামান্য। এরপরও পরিবহণ মালিক গ্রুপ যাত্রী সেবায় ভাড়া কমায়নি। কিন্তু কয়েকদিন আগে হঠাৎ সৌদিয়া পরিহন চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে ভাড়া কমানোর ঘোষণা দেন। এরপর পূরবী পরিবহণ ও ভাড়া কমানোর ঘোষণা দেন। মারশা পরিবহন এখনও ভাড়া কমানোর কোন ঘোষণা দেননি। তারা এ সড়কে দাবিয়ে বেড়াচ্ছে।

যাত্রী সাধারণের অভিমত পরিবহন মালিক গুলো দেশের সামগ্রীক অর্থনৈতিক বিবেচনায় ভাড়া কমানোর ঘোষণা দিয়েছে এমন কথা বলা হলেও মুলত তা নয়। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল সড়ক চালু হওয়ায় ট্রেন যাতায়াত শুরু হওয়াতে এসব পরিবহন গুলো যাত্রী সংকটে পড়েছে।