খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: পার্বত্য জেলার রাঙামাটি নানিয়াচরে ঠ্যাঙাড়ে কর্তৃক গ্রামবাসীকে গুলিতে আহত করার ঘটনায় নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন। ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট(ইউপিডিএফ) রাঙামাটি জেলা ইউনিটের সংগঠক সচল চাকমা জেলার নানিয়াচরে ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসী কর্তৃক সুকেন চাকমা ওরফে পাক্কোজ্যা চাকমা নামে এক গ্রামবাসীকে গুলি করে গুরুতর আহত করার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

আজ বুধবার(১৫ মে ) সংবাদ মাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘গতকাল মঙ্গলবার(১৪ মে) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে নানিয়াচর বাজারে জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসী রিজুম চাকমার সাথে নান্যাচর বাজার দক্ষিণ পাড়ার বাসিন্দা মৃত সমরঞ্জন চাকমার ছেলে সুকেন চাকমার(৪০) কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে রিজুম চাকমা তার হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে পাক্কোজ্যা চাকমাকে গুলি করে। এতে তার পেটে গুলি বিদ্ধ হলে তিনি গুরুতর জখম হন।‘এ অবস্থায় তাকে প্রথমে রাঙামাটি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে কর্তব্যরত ডাক্তারের পরামর্শে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়।’

ইউপিডিএফ নেতা উক্ত ঘটনাকে ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসের জঘন্য রূপ আখ্যায়িত করে বলেন, ‘ঠ্যাঙাড়েদের উৎপাত ও অত্যাচারে সর্বত্র জনগণ অতিষ্ঠ হয়ে এখন ফুঁসে উঠতে শুরু করেছে। উক্ত বন্দুক হামলার ঘটনার পর নানিয়াচর বাজার এলাকার ক্ষুদ্ধ জনগণ সংগঠিত হয়ে ঠ্যাঙাড়েদের তাড়িয়ে দিতে চাইলে একটি বিশেষ মহল তাদেরকে বাধা দেয়।’

সচল চাকমা প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন করে বলেন, নানিয়াচর বাজারে কীভাবে একটি সশস্ত্র দুর্বৃত্ত দল প্রকাশ্যে মাসের পর মাস বছরের পর বছর অবস্থান করতে পারে? কী উদ্দেশ্যে তাদেরকে সেখানে রাখা হযেছে তা জনগণের জানার অধিকার রয়েছে। তিনি বলেন, গত ১৫ এপ্রিল খাগড়াছড়ি জেলার ভাইবোনছড়ায় মংসানু মারমা নামে এক ইউপি মেম্বারকে তার নিজ বাড়ি থেকে অপহরণ চেষ্টার পর সেখানকার এলাকাবাসী দেওয়ান পাড়ায় আর্মি সাব জোন ক্যাম্প সংলগ্ন অবস্থানরত ঠ্যাঙাড়েদের তাড়িয়ে দিতে চাইলে তখনও জনতাকে বাধা দেয়া হয়। কী কারণে বিভিন্ন খুন ও ধর্ষণ মামলার আসামী এইসব ঠ্যাঙাড়েহ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার না করে বরং তাদেরকে সুরক্ষা দেয়া হচ্ছে, কেন অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রসহ বিজিবি কর্তৃক আটকের পরও তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে, তার ব্যাখ্যা ও জবাব সরকারকে দিতে হবে বলে সচল চাকমা বিবৃতিতে উল্লেখ করেন।

তিনি অবিলম্বে পাক্কোজ্যা চাকমাকে হত্যা চেষ্টাকারী ঠ্যাঙাড়ে রিজুম চাকমাকে গ্রেফতার, নানিয়াচর বাজারে অবস্থিত ঠ্যাঙাড়ে আস্তানা ধ্বংস এবং ঠ্যাঙাড়ে বাহিনী ভেঙে দিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান। ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট(ইউপিডিএফ)’র প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগের নিরন চাকমা স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: পার্বত্য জেলার রাঙামাটি নানিয়াচরে ঠ্যাঙাড়ে কর্তৃক গ্রামবাসীকে গুলিতে আহত করার ঘটনায় নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন। ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট(ইউপিডিএফ) রাঙামাটি জেলা ইউনিটের সংগঠক সচল চাকমা জেলার নানিয়াচরে ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসী কর্তৃক সুকেন চাকমা ওরফে পাক্কোজ্যা চাকমা নামে এক গ্রামবাসীকে গুলি করে গুরুতর আহত করার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

আজ বুধবার(১৫ মে ) সংবাদ মাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘গতকাল মঙ্গলবার(১৪ মে) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে নানিয়াচর বাজারে জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসী রিজুম চাকমার সাথে নান্যাচর বাজার দক্ষিণ পাড়ার বাসিন্দা মৃত সমরঞ্জন চাকমার ছেলে সুকেন চাকমার(৪০) কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে রিজুম চাকমা তার হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে পাক্কোজ্যা চাকমাকে গুলি করে। এতে তার পেটে গুলি বিদ্ধ হলে তিনি গুরুতর জখম হন।‘এ অবস্থায় তাকে প্রথমে রাঙামাটি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে কর্তব্যরত ডাক্তারের পরামর্শে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়।’

ইউপিডিএফ নেতা উক্ত ঘটনাকে ঠ্যাঙাড়ে সন্ত্রাসের জঘন্য রূপ আখ্যায়িত করে বলেন, ‘ঠ্যাঙাড়েদের উৎপাত ও অত্যাচারে সর্বত্র জনগণ অতিষ্ঠ হয়ে এখন ফুঁসে উঠতে শুরু করেছে। উক্ত বন্দুক হামলার ঘটনার পর নানিয়াচর বাজার এলাকার ক্ষুদ্ধ জনগণ সংগঠিত হয়ে ঠ্যাঙাড়েদের তাড়িয়ে দিতে চাইলে একটি বিশেষ মহল তাদেরকে বাধা দেয়।’

সচল চাকমা প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন করে বলেন, নানিয়াচর বাজারে কীভাবে একটি সশস্ত্র দুর্বৃত্ত দল প্রকাশ্যে মাসের পর মাস বছরের পর বছর অবস্থান করতে পারে? কী উদ্দেশ্যে তাদেরকে সেখানে রাখা হযেছে তা জনগণের জানার অধিকার রয়েছে। তিনি বলেন, গত ১৫ এপ্রিল খাগড়াছড়ি জেলার ভাইবোনছড়ায় মংসানু মারমা নামে এক ইউপি মেম্বারকে তার নিজ বাড়ি থেকে অপহরণ চেষ্টার পর সেখানকার এলাকাবাসী দেওয়ান পাড়ায় আর্মি সাব জোন ক্যাম্প সংলগ্ন অবস্থানরত ঠ্যাঙাড়েদের তাড়িয়ে দিতে চাইলে তখনও জনতাকে বাধা দেয়া হয়। কী কারণে বিভিন্ন খুন ও ধর্ষণ মামলার আসামী এইসব ঠ্যাঙাড়েহ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার না করে বরং তাদেরকে সুরক্ষা দেয়া হচ্ছে, কেন অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রসহ বিজিবি কর্তৃক আটকের পরও তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে, তার ব্যাখ্যা ও জবাব সরকারকে দিতে হবে বলে সচল চাকমা বিবৃতিতে উল্লেখ করেন।

তিনি অবিলম্বে পাক্কোজ্যা চাকমাকে হত্যা চেষ্টাকারী ঠ্যাঙাড়ে রিজুম চাকমাকে গ্রেফতার, নানিয়াচর বাজারে অবস্থিত ঠ্যাঙাড়ে আস্তানা ধ্বংস এবং ঠ্যাঙাড়ে বাহিনী ভেঙে দিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান। ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট(ইউপিডিএফ)’র প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগের নিরন চাকমা স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।