নিজস্ব প্রতিবেদক: কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলা পূর্ব শত্রুতাকে কেন্দ্র করে রাতের অন্ধকারে খোরশেদ নামে এক ব্যাক্তিকে বাড়ির থেকে ডেকে নিয়ে হামলা করার অভিযোগ উঠেছে মিজান নামে এক ব্যাক্তির উপর।

সুত্রে জানা যায়, গত ১২মে রাতে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের কৈয়নী গ্রামের মৃত মন্টু মিয়ার ছেলে মোঃ খোরশেদ আলমের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী একেই গ্রামের মোঃ মিজান নামে এক ব্যাক্তির সঙ্গে পূর্ব শত্রুতাকে কেন্দ্র করে খোরশেদ আলমের উপর এক পর্যায়ে বিভিন্ন জায়গায় থেকে সন্ত্রাসী এনে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে মিজান গংদের বিরুদ্ধে।

খোরশেদ আলম জানান,পার্শ্ববর্তী গ্রামের মিজানুর রহমান মিজান বিভিন্ন মাদক কারবারি ও মাদক বিক্রি করে যুব সমাজকে নষ্ট করে দিচ্ছে। মাদক বিক্রি করার দায়ে বেশ কিছু দিন পূর্বে মিজানকে প্রশাসন বাড়িতে খুঁজে না পেয়ে চলে যায়। এই প্রশাসন আসাকে কেন্দ্র করে আমার উপর বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায় এবং আমাকে মেরে কিডন্যাপ করে মিজানের বাড়িতে নিয়ে যায়।পরবর্তীতে আমার গ্রামবাসি খবর পেয়ে মিজানের বাড়ির থেকে উদ্ধার করে আমাকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। ঘটনার পরের দিন বিভিন্ন সন্ত্রাসী এনে পুনরায় আমার বাড়িতে এসে ভাংচুর ও নগদ টাকা সহ নিয়ে যায় মিজান গংরা। আমি সাবেক রেলপথ মন্ত্রী ও মুজিবুল হক এমপি মহোদয় ও প্রশাসনের কাছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সঠিক বিচারের দাবি জানাই৷

নিজস্ব প্রতিবেদক: কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলা পূর্ব শত্রুতাকে কেন্দ্র করে রাতের অন্ধকারে খোরশেদ নামে এক ব্যাক্তিকে বাড়ির থেকে ডেকে নিয়ে হামলা করার অভিযোগ উঠেছে মিজান নামে এক ব্যাক্তির উপর।

সুত্রে জানা যায়, গত ১২মে রাতে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের কৈয়নী গ্রামের মৃত মন্টু মিয়ার ছেলে মোঃ খোরশেদ আলমের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী একেই গ্রামের মোঃ মিজান নামে এক ব্যাক্তির সঙ্গে পূর্ব শত্রুতাকে কেন্দ্র করে খোরশেদ আলমের উপর এক পর্যায়ে বিভিন্ন জায়গায় থেকে সন্ত্রাসী এনে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে মিজান গংদের বিরুদ্ধে।

খোরশেদ আলম জানান,পার্শ্ববর্তী গ্রামের মিজানুর রহমান মিজান বিভিন্ন মাদক কারবারি ও মাদক বিক্রি করে যুব সমাজকে নষ্ট করে দিচ্ছে। মাদক বিক্রি করার দায়ে বেশ কিছু দিন পূর্বে মিজানকে প্রশাসন বাড়িতে খুঁজে না পেয়ে চলে যায়। এই প্রশাসন আসাকে কেন্দ্র করে আমার উপর বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায় এবং আমাকে মেরে কিডন্যাপ করে মিজানের বাড়িতে নিয়ে যায়।পরবর্তীতে আমার গ্রামবাসি খবর পেয়ে মিজানের বাড়ির থেকে উদ্ধার করে আমাকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। ঘটনার পরের দিন বিভিন্ন সন্ত্রাসী এনে পুনরায় আমার বাড়িতে এসে ভাংচুর ও নগদ টাকা সহ নিয়ে যায় মিজান গংরা। আমি সাবেক রেলপথ মন্ত্রী ও মুজিবুল হক এমপি মহোদয় ও প্রশাসনের কাছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সঠিক বিচারের দাবি জানাই৷