কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজার সদরের পিএমখালীতে ৪ জনের সিন্ডিকেটে ২০/২৫টি ডাম্পার দিয়ে রীতিমত ফসলি জমি থেকে স্কেলেটার মাধ্যমে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। দিন-দুপুরে কোন ধরণের অনুমতি ছাড়াই ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় দিলেও পরিবেশ অধিদপ্তর নিরব ভুমিকা পালন করছে। স্থানীয় অনেকেই বলে ডাম্পারের মালিকেরা পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশি¬ষ্ট দপ্তরকে ম্যানেজ করে তারা মাটি কেটে ইটভাটায় দিচ্ছে। এতে ফসলি জমিতে চাষাবাদা যেমন ক্ষতি হবে তেমনি পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট হচ্ছে।

প্রকাশ্য এমন পরিবেশ ধ্বংসের কার্যক্রম চললেও কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই। এসব মাটি কাটার কাজ দিনের চেয়ে রাতে জমজমাট হয়ে থাকে। বিশেষ করে ওই এলাকায় যাদের ডাম্পার রয়েছে তারা হলেন মোস্তাক, আব্দুল¬াহ, ওবাইদ ও নুরুল হুদার। এরাই মুলত এসব মাটি কাটার সাথে জড়িত।

পিএমখালী গোলাপরপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে এমন দৃশ্য। বৃহস্পতিবার সকালের দিকে সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের গোলারপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে,ফসলি জমিতে চালানো হচ্ছে মারাত্মক পরিবেশ বিধ্বংসি কাজ। দিন-দুপুরে কয়েকটি স্কেলেটার দিয়ে মিনিট্রাক বা ডাম্পারে করে তুলে নেওয়া হচ্ছে ফসলির জমির মাটি।

এ সময় স্থানীয় মোহাম্মদ ইসলাম নামের একজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মূলত জমির মালিকদের অনুমতি নিয়ে আবার কিছু জায়গায় অনুমতি ছাড়াই নেওয়া হচ্ছে এসব মাটি। এসব মাটি কাটা দিনের চেয়ে রাতে বেশি হয়। এছাড়াএ সড়কের পাশে যারা বসবাস করছে তারা রাতে বেপরোয়া ডাম্পারের হরণের কারণে ঘুমাতেও পারছে না। পাশাপাশি ডাম্পার যাতায়াতে পিএমখালী প্রতিটি সড়কের অবস্থা বেহাল দশা সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, এলাকায় উপরোক্ত ৪ জনের নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে পারেনা। পুরো কক্সবাজার জুড়ে তারা প্রভাব কাটায়। এসব ফসলি জমির মাটি যাচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটায়।

এ সময় ডাম্পার গাড়ি চালক নুরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমরা মাটি টানার কাজ করছি কে কিভাবে এখান থেকে মাটিবিক্রি করছে বা কারা কি করছে আমি কিছুই জানিনা। তবে জমির মালিকের অনুমতি ছাড়া কেউকি মাটি তুলতে পারবে ?

এ ব্যাপারে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একই ইউনিয়নের এক ইউপি মেম্বার বলেন, পিএমখালী ইউনিয়নে মাটি কাটার একটি বড় সিন্ডিকেট রয়েছে। এলাকায় তাদের প্রভাব রয়েছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে কেই মুখ খোলতে সাহস পায়নি। তাদের বেপরোয়া মাটি কেটে বিক্রির কারণে সড়ক ভেঙ্গে যাচ্ছে। এছাড়া পরিবেশসহ নানা সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।

এ ব্যাপারে ঝিলংজা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের এক নেতা বলেন, শুধু পিএমখালী নয় এখন পুরো জেলায় ফসলি জমির মাটি ইটভাটায় নেওয়া হচ্ছে। মূলত এটা অন্যায় হলেও সবাইকে ম্যানেজ করে সবাই দীর্ঘ বছর ধরে এই কাজ করে আসছে। এখন কাকে কে বাঁধা দেবে।

কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি দীপক শর্মা দীপু বলেন, জমির টপচয়েন তোলে ফেলার কারণে ফসলি জমিতে চাষাবাদা যেমন চরম ক্ষতি হচ্ছে তেমনি পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট হচ্ছে। প্রকাশে ডাম্পার দিয়ে অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রি করলেও রহস্যজনক কারণে পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশি¬ষ্ট দপ্তর নিবর ভুমিকা পালন করছে।

এ বিষয়ে জানতে ০১৮৩০- ৫৭২০২৭ নম্বর থেকে কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালকের ০১৫৫৬৪৫৭৪৭১ নম্বরে বেশ কয়েকবার ফোন দিলেও রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজার সদরের পিএমখালীতে ৪ জনের সিন্ডিকেটে ২০/২৫টি ডাম্পার দিয়ে রীতিমত ফসলি জমি থেকে স্কেলেটার মাধ্যমে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। দিন-দুপুরে কোন ধরণের অনুমতি ছাড়াই ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় দিলেও পরিবেশ অধিদপ্তর নিরব ভুমিকা পালন করছে। স্থানীয় অনেকেই বলে ডাম্পারের মালিকেরা পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশি¬ষ্ট দপ্তরকে ম্যানেজ করে তারা মাটি কেটে ইটভাটায় দিচ্ছে। এতে ফসলি জমিতে চাষাবাদা যেমন ক্ষতি হবে তেমনি পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট হচ্ছে।

প্রকাশ্য এমন পরিবেশ ধ্বংসের কার্যক্রম চললেও কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই। এসব মাটি কাটার কাজ দিনের চেয়ে রাতে জমজমাট হয়ে থাকে। বিশেষ করে ওই এলাকায় যাদের ডাম্পার রয়েছে তারা হলেন মোস্তাক, আব্দুল¬াহ, ওবাইদ ও নুরুল হুদার। এরাই মুলত এসব মাটি কাটার সাথে জড়িত।

পিএমখালী গোলাপরপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে এমন দৃশ্য। বৃহস্পতিবার সকালের দিকে সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের গোলারপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে,ফসলি জমিতে চালানো হচ্ছে মারাত্মক পরিবেশ বিধ্বংসি কাজ। দিন-দুপুরে কয়েকটি স্কেলেটার দিয়ে মিনিট্রাক বা ডাম্পারে করে তুলে নেওয়া হচ্ছে ফসলির জমির মাটি।

এ সময় স্থানীয় মোহাম্মদ ইসলাম নামের একজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মূলত জমির মালিকদের অনুমতি নিয়ে আবার কিছু জায়গায় অনুমতি ছাড়াই নেওয়া হচ্ছে এসব মাটি। এসব মাটি কাটা দিনের চেয়ে রাতে বেশি হয়। এছাড়াএ সড়কের পাশে যারা বসবাস করছে তারা রাতে বেপরোয়া ডাম্পারের হরণের কারণে ঘুমাতেও পারছে না। পাশাপাশি ডাম্পার যাতায়াতে পিএমখালী প্রতিটি সড়কের অবস্থা বেহাল দশা সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, এলাকায় উপরোক্ত ৪ জনের নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে পারেনা। পুরো কক্সবাজার জুড়ে তারা প্রভাব কাটায়। এসব ফসলি জমির মাটি যাচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটায়।

এ সময় ডাম্পার গাড়ি চালক নুরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমরা মাটি টানার কাজ করছি কে কিভাবে এখান থেকে মাটিবিক্রি করছে বা কারা কি করছে আমি কিছুই জানিনা। তবে জমির মালিকের অনুমতি ছাড়া কেউকি মাটি তুলতে পারবে ?

এ ব্যাপারে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একই ইউনিয়নের এক ইউপি মেম্বার বলেন, পিএমখালী ইউনিয়নে মাটি কাটার একটি বড় সিন্ডিকেট রয়েছে। এলাকায় তাদের প্রভাব রয়েছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে কেই মুখ খোলতে সাহস পায়নি। তাদের বেপরোয়া মাটি কেটে বিক্রির কারণে সড়ক ভেঙ্গে যাচ্ছে। এছাড়া পরিবেশসহ নানা সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।

এ ব্যাপারে ঝিলংজা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের এক নেতা বলেন, শুধু পিএমখালী নয় এখন পুরো জেলায় ফসলি জমির মাটি ইটভাটায় নেওয়া হচ্ছে। মূলত এটা অন্যায় হলেও সবাইকে ম্যানেজ করে সবাই দীর্ঘ বছর ধরে এই কাজ করে আসছে। এখন কাকে কে বাঁধা দেবে।

কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি দীপক শর্মা দীপু বলেন, জমির টপচয়েন তোলে ফেলার কারণে ফসলি জমিতে চাষাবাদা যেমন চরম ক্ষতি হচ্ছে তেমনি পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট হচ্ছে। প্রকাশে ডাম্পার দিয়ে অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রি করলেও রহস্যজনক কারণে পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশি¬ষ্ট দপ্তর নিবর ভুমিকা পালন করছে।

এ বিষয়ে জানতে ০১৮৩০- ৫৭২০২৭ নম্বর থেকে কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালকের ০১৫৫৬৪৫৭৪৭১ নম্বরে বেশ কয়েকবার ফোন দিলেও রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।