বান্দরবান প্রতিনিধি: বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদের ‘সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবন ও হলরুম’ নিলামে কাঙ্কিত মূল্য না পাওয়ায় ফের নিলামের সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

এর আগে সিন্ডিকেট নিলামে এই ভবনগুলো অনেকটা পানির দামে নিয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু উপজেলা প্রশাসন প্রত্যাশিত মূল্য না পাওয়ায় দ্বিতীয় নিলাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, গেল ৯ডিসেম্বর নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভার সিদ্ধান্তক্রমে ‘সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবন ও হলরুম’ নির্মাণের জায়গায় পরিত্যাক্ত দ্বিতল ভবন ও হলরুম নিলাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয় থেকে গত ৩১জানুয়ারী স্থানীয়ভাবে নিলাম বিজ্ঞপ্তি জারী করা হলে, গত ৫ফেব্রুয়ারি ওই নিলাম ডাকে অংশ নেন ৭৭ জন ঠিকাদার।

ভবনের মূল্য নির্ধারণকারী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের যোগসাজসে পরিষদের প্রত্যাশিত ৫ লাখ ৭হাজার টাকা দামের চেয়ে কম দামে ৩লক্ষ ৫০ হাজার টাকায় সর্বোচ্চ ডাক হাঁকেন ঠিকাদার জহির উদ্দিন।

এই ব্যাপারে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ঠিকাদার জানান, সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিতে পর্দার আড়াল থেকে আলোচনার মাধ্যমে সিন্ডিকেট তৈরী করে দেওয়া হয়েছে। যার কারণে প্রশাসনের প্রত্যাশিত দাম উঠেনি নিলাম ডাকে। এভাবে নিলাম ডাকে আলোচনার মাধ্যমে সিন্ডিকেট তৈরি করায় রাজস্ব বঞ্চিত হয় সরকার।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী আবুল কালাম জানান- প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় পুনরায় নিলাম ডাক দিচ্ছে উপজেলা প্রশাসন। এভাবে তৃতীয় ডাক দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। সিন্ডিকেট এর কথা অস্বীকার করে তিনি বলেন, ডাকে অন্তত ৭৭জন ঠিকাদার অংশ নিয়েছে। আমরা শুধুমাত্র মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছি মাত্র।

এই প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালমা ফেরদৌস বলেন- ওই নিলামে এলজিইডি ডাক নির্ধারণ করেছিল। আর প্রাক্কলিত মূল্য না পেলে পুনরায় ডাক দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। যার কারণে পুনরায় ডাক দেওয়া হবে। তবে প্রথমবারের ডাকে কোন সিন্ডিকেট হয়েছিল বলে কেউ অভিযোগ করেনি।

বান্দরবান প্রতিনিধি: বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদের ‘সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবন ও হলরুম’ নিলামে কাঙ্কিত মূল্য না পাওয়ায় ফের নিলামের সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

এর আগে সিন্ডিকেট নিলামে এই ভবনগুলো অনেকটা পানির দামে নিয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু উপজেলা প্রশাসন প্রত্যাশিত মূল্য না পাওয়ায় দ্বিতীয় নিলাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, গেল ৯ডিসেম্বর নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভার সিদ্ধান্তক্রমে ‘সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবন ও হলরুম’ নির্মাণের জায়গায় পরিত্যাক্ত দ্বিতল ভবন ও হলরুম নিলাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয় থেকে গত ৩১জানুয়ারী স্থানীয়ভাবে নিলাম বিজ্ঞপ্তি জারী করা হলে, গত ৫ফেব্রুয়ারি ওই নিলাম ডাকে অংশ নেন ৭৭ জন ঠিকাদার।

ভবনের মূল্য নির্ধারণকারী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের যোগসাজসে পরিষদের প্রত্যাশিত ৫ লাখ ৭হাজার টাকা দামের চেয়ে কম দামে ৩লক্ষ ৫০ হাজার টাকায় সর্বোচ্চ ডাক হাঁকেন ঠিকাদার জহির উদ্দিন।

এই ব্যাপারে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ঠিকাদার জানান, সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিতে পর্দার আড়াল থেকে আলোচনার মাধ্যমে সিন্ডিকেট তৈরী করে দেওয়া হয়েছে। যার কারণে প্রশাসনের প্রত্যাশিত দাম উঠেনি নিলাম ডাকে। এভাবে নিলাম ডাকে আলোচনার মাধ্যমে সিন্ডিকেট তৈরি করায় রাজস্ব বঞ্চিত হয় সরকার।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী আবুল কালাম জানান- প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় পুনরায় নিলাম ডাক দিচ্ছে উপজেলা প্রশাসন। এভাবে তৃতীয় ডাক দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। সিন্ডিকেট এর কথা অস্বীকার করে তিনি বলেন, ডাকে অন্তত ৭৭জন ঠিকাদার অংশ নিয়েছে। আমরা শুধুমাত্র মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছি মাত্র।

এই প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালমা ফেরদৌস বলেন- ওই নিলামে এলজিইডি ডাক নির্ধারণ করেছিল। আর প্রাক্কলিত মূল্য না পেলে পুনরায় ডাক দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। যার কারণে পুনরায় ডাক দেওয়া হবে। তবে প্রথমবারের ডাকে কোন সিন্ডিকেট হয়েছিল বলে কেউ অভিযোগ করেনি।