সাতকানিয়া প্রতিনিধি: সাতকানিয়ায় নির্বাচনী সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগে অস্ত্রধারী এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তির নাম জসিম উদ্দিন (৪২)। সে খাগরিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড এলাকার ছৈয়দ আহমদের ছেলে। মঙ্গলবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে নিজ বাড়ি থেকে তাকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়। এসময় তার হেফাজত থাকা ১টি একনলা লম্বা বন্দুক, চাপাতি, ছুরি ও ৩টি লোহার রড উদ্ধার হয়। পুলিশের দাবি,নির্বাচনের দিন এ আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে সে কেন্দ্র ও কেন্দ্রের বাইরে গোলাগুলিতে অংশ নিয়েছিল।
অন্যদিকে,নির্বাচনী সহিংসতায় পৃথক দুজন নিহতের ঘটনায় কোন মামলা দায়ের হয়নি।

মঙ্গলবার (৮ ফেব্রæয়ারি) রাত সাড়ে ৭টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল জলিল।
তিনি জানান, নির্বাচনের দিন খাগরিয়ায় ভোট কেন্দ্রের বাইরে যেসব অস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে ছবি ও ভিডিও দেখে আমরা তাদের শনাক্ত এবং গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি। নিহত ব্যক্তির পরিবারের কেউ চাইলে মামলা করতে পারবেন। বাজালিয়ার ২নং ওয়ার্ডের বাইরে ভোট কেন্দ্রে গুলিতে নিহত আব্দুস শুক্কুরের বিরুদ্ধে বোয়ালখালী থানায় ডাকাতি মামলা রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, গত সোমবার সাতকানিয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুপুর ১২টায় নলুয়ার ৮নং ওয়ার্ডের বোর্ড অফিস ভোট কেন্দ্রের বাইরে বহিরাগতদের সন্ত্রাসীদের দায়ের কোপে শিশু তাসিফ (১৩) ও বাজালিয়ার বোড অফিস কেন্দ্রে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে গোলাগুলিতে আব্দুস শুক্কুর নিহত হয়।

অপরদিকে,উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন চৌধুরীসহ এলাকার লোকজন।
মঙ্গলবার (৮ ফেব্রæয়ারি) বিকালে সোনাকানিয়ার মির্জাখীল বাংলাবাজার এলাকায় ভোটকেন্দ্র দখল ও ফলাফল পরিবর্তনের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত সমাবেশে এ দাবি জানানো হয়।

অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বিদ্রোহী প্রার্থী সেলিম উদ্দিন চৌধুরীর দাবি করে বলেন, সোনাকানিয়া ইউনিয়নের ৬, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্রগুলোতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জসিম উদ্দীন ও তার ভাই খোরশেদের বহিরাগত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাহিনী ও কর্মী-সমর্থক দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। পরে তাঁরা অন্য চেয়ারম্যান প্রার্থীর এজেন্টদের মারধর করে ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেন। এরপর আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সন্ত্রাসীরা চেয়ারম্যান প্রার্থীর ব্যালট পেপার নিয়ে নৌকা প্রতীকে সিল মেরে বাক্সে ভরে দেন।

মির্জাখীল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা আবুল কাশেম, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আব্দুর রকিব চৌধুরী ও ব্যবসায়ী সরওয়ার্দী।

সাতকানিয়া প্রতিনিধি: সাতকানিয়ায় নির্বাচনী সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগে অস্ত্রধারী এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তির নাম জসিম উদ্দিন (৪২)। সে খাগরিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড এলাকার ছৈয়দ আহমদের ছেলে। মঙ্গলবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে নিজ বাড়ি থেকে তাকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়। এসময় তার হেফাজত থাকা ১টি একনলা লম্বা বন্দুক, চাপাতি, ছুরি ও ৩টি লোহার রড উদ্ধার হয়। পুলিশের দাবি,নির্বাচনের দিন এ আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে সে কেন্দ্র ও কেন্দ্রের বাইরে গোলাগুলিতে অংশ নিয়েছিল।
অন্যদিকে,নির্বাচনী সহিংসতায় পৃথক দুজন নিহতের ঘটনায় কোন মামলা দায়ের হয়নি।

মঙ্গলবার (৮ ফেব্রæয়ারি) রাত সাড়ে ৭টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল জলিল।
তিনি জানান, নির্বাচনের দিন খাগরিয়ায় ভোট কেন্দ্রের বাইরে যেসব অস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে ছবি ও ভিডিও দেখে আমরা তাদের শনাক্ত এবং গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি। নিহত ব্যক্তির পরিবারের কেউ চাইলে মামলা করতে পারবেন। বাজালিয়ার ২নং ওয়ার্ডের বাইরে ভোট কেন্দ্রে গুলিতে নিহত আব্দুস শুক্কুরের বিরুদ্ধে বোয়ালখালী থানায় ডাকাতি মামলা রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, গত সোমবার সাতকানিয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুপুর ১২টায় নলুয়ার ৮নং ওয়ার্ডের বোর্ড অফিস ভোট কেন্দ্রের বাইরে বহিরাগতদের সন্ত্রাসীদের দায়ের কোপে শিশু তাসিফ (১৩) ও বাজালিয়ার বোড অফিস কেন্দ্রে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে গোলাগুলিতে আব্দুস শুক্কুর নিহত হয়।

অপরদিকে,উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন চৌধুরীসহ এলাকার লোকজন।
মঙ্গলবার (৮ ফেব্রæয়ারি) বিকালে সোনাকানিয়ার মির্জাখীল বাংলাবাজার এলাকায় ভোটকেন্দ্র দখল ও ফলাফল পরিবর্তনের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত সমাবেশে এ দাবি জানানো হয়।

অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বিদ্রোহী প্রার্থী সেলিম উদ্দিন চৌধুরীর দাবি করে বলেন, সোনাকানিয়া ইউনিয়নের ৬, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্রগুলোতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জসিম উদ্দীন ও তার ভাই খোরশেদের বহিরাগত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাহিনী ও কর্মী-সমর্থক দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। পরে তাঁরা অন্য চেয়ারম্যান প্রার্থীর এজেন্টদের মারধর করে ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেন। এরপর আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সন্ত্রাসীরা চেয়ারম্যান প্রার্থীর ব্যালট পেপার নিয়ে নৌকা প্রতীকে সিল মেরে বাক্সে ভরে দেন।

মির্জাখীল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা আবুল কাশেম, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আব্দুর রকিব চৌধুরী ও ব্যবসায়ী সরওয়ার্দী।