ক্রাইম প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম চসিকে ৫ বছরের অধিক সময় দায়িত্ব পালনের সুবাদে সাবেক মেয়র মেয়র আ জ ম নাছির, প্রশাসক ও বর্তমান সৎ ও পরিছন্ন মেয়র রেজাউল করিম চৌধূরীকে ভূল বুঝিয়ে উদ্ধর্তন জনৈক কর্মকর্তার যোগসাজসে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, দোকান বরাদ্দ, টেন্ডার বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্য ও বিভিন্ন উপঢৌকন নেয়াসহ নানা অপকর্ম করে যাচ্ছে।

সাবেক মেয়রকে ভূল বুঝিয়ে মাটি উত্তোলনের নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাত করেছেন। পৌর প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজনের সময় নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও দোকান বরাদ্দের নামে নিয়মনীতি ভঙ্গ করে লক্ষ লক্ষ টাকা অবৈধভাবে নিজে হাতিয়ে নিয়েছে। যা দপ্তরের সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা করলে তার দুর্নীতির থলের বিড়াল বাহির হয়ে আসবে। এছাড়াও করোনাকালীন সময়ে গরীব দুস্থ হকার শ্রমিক পথচারীদেরকে ৫০০টাকা দেয়ার নামে অনেক টাকা আত্মসাত করেছেন।

Madhur Handi City Corporation, Desperate Hashem, to prevent transfer

আরো পড়ুনঃ https://thecrimebd.net/english/news/13316/

এছাড়াও বিভিন্ন দূর্যোগকালীন সময় অর্থাৎ গত বছরের আগস্ট মাসে নগরে জলাবদ্ধতা হয়ে বেশ কিছু এলাকার জনসাধারণ ক্ষতিগ্রস্থ হলে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রনালয় কর্তৃক ৩৬ টন চাউল বরাদ্ধ দেয় সিটি কর্পোরেশনকে। সে চাউল সঠিকভাবে বণ্টন করা হলেও চসিকের নিজস্ব ফান্ড থেকে ৪ কর্মচারীর নামে ৯লাখ করে একুনে ৩৬ লাখ টাকার চাউল ও আলু ক্রয় বাবদ সম্পূন্ন অর্থ হাশেম নিজেই আত্মসাৎ করেছে। এই টাকার সম্মন্বয় তিনি এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত করেনি। শুধু তাই নয়, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বা বিধিঅনুযায়ী দু’লাখ টাকার উপরে কোন কিছু ক্রয় কিংবা জরুরী কাজ করতে হলে “স্পট টেন্ডারের” মাধ্যমে তা সম্পন্ন করতে হয়। বেপরোয়া আবুল হাশেম তা না করে তার নিজস্ব কুটকৌশলে এই টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

সুত্রে জানা গেছে, গত কোরবানির সময় প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (অতি.) দায়িত্বের সময় ৫০ লক্ষ টাকা আত্মসাত করে উদ্বর্তন কর্মকর্তাদেরকে লক্ষ লক্ষ টাকা উপঢৌকন দিয়ে মুখ বন্ধ করে রেখেছেন। এর বাইরে অনেক শ্রমিক ও সেবকদেরকে বদলী বা চাকরিচ্যুত করার ভয় দেখিয়ে মাসিক লক্ষ লক্ষ আয় করেছেন। উচ্ছেদের নাম করে গোপনে অবৈধ ব‍্যবসায়ীর কাছ থেকে এবং পূর্ণবাসন এর নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে তিনি পকেট ভারি করেছেন। চসিকের বড় বড় অনুষ্ঠানের নামে নিয়মকানুন তোয়াক্কা না করে বিনা টেন্ডারে কেনাকাটা এবং নেজারত শাখা হতে বিভিন্ন গিফট ও খাওয়া খরচ বাবত লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি।

Unbridled corruption of the CCC Hashem syndicate, embezzlement of crores of TAKA

ইংরেজী ভার্সনে পড়ুন: https://thecrimebd.net/english/news/14389/

সুত্রে আরো জানা গেছে, হাশেম প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা (অতি.) দায়িত্বে থাকা অবস্থায় বই মেলার নাম করে বিনা টেন্ডারে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচের নামে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়া শিক্ষকদের বদলী বা বিভিন্ন ভাতার দেয়ার নামে ঘুষ বাণিজ্যও করেছে দেদাচ্ছে। শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন পরীক্ষায় ফি বাবত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাছ হতে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন। এরই প্রভাবে সুচতুর আবুল হাশেম তার আপন খালাতো বোন শেফায়েতুন নাহার পপি পিতা – মৃত জোবাইর আহমদ গ্রাম- মিয়াজির পাড়া ডাক- বড় মহেশখালী থানা- মহেশখালী জেলা- কক্সবাজারকে হাতে খড়ি চসিক স্কুল ও কলেজে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ দেন এবং চসিক পরিচালিত বিভিন্ন মাদ্রাসায় অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ বাণিজ্য করেন। মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম কমিটির সদস‍্য না হয়েও জনৈক উদ্বর্তন কর্মকর্তার যোগসাজসে অবৈধ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কর্মচারিদের স্থায়ীকরনের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন।

মেয়রের পিএস আবুল হাশেম একজন নারী লিপ্সু, দুর্নীতিবাজ, অসৎ কর্মকর্তা ও চসিকের গ্রুপিং এর মুল হোতা। তাকে দ্রুত রিলিজ দিলে সিটি কর্পোরেশনের স্বাভাবিক গতি ফিরিয়ে আসবে বলে অনেকের অভিমত।

ক্রাইম প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম চসিকে ৫ বছরের অধিক সময় দায়িত্ব পালনের সুবাদে সাবেক মেয়র মেয়র আ জ ম নাছির, প্রশাসক ও বর্তমান সৎ ও পরিছন্ন মেয়র রেজাউল করিম চৌধূরীকে ভূল বুঝিয়ে উদ্ধর্তন জনৈক কর্মকর্তার যোগসাজসে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, দোকান বরাদ্দ, টেন্ডার বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্য ও বিভিন্ন উপঢৌকন নেয়াসহ নানা অপকর্ম করে যাচ্ছে।

সাবেক মেয়রকে ভূল বুঝিয়ে মাটি উত্তোলনের নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাত করেছেন। পৌর প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজনের সময় নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও দোকান বরাদ্দের নামে নিয়মনীতি ভঙ্গ করে লক্ষ লক্ষ টাকা অবৈধভাবে নিজে হাতিয়ে নিয়েছে। যা দপ্তরের সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা করলে তার দুর্নীতির থলের বিড়াল বাহির হয়ে আসবে। এছাড়াও করোনাকালীন সময়ে গরীব দুস্থ হকার শ্রমিক পথচারীদেরকে ৫০০টাকা দেয়ার নামে অনেক টাকা আত্মসাত করেছেন।

Madhur Handi City Corporation, Desperate Hashem, to prevent transfer

আরো পড়ুনঃ https://thecrimebd.net/english/news/13316/

এছাড়াও বিভিন্ন দূর্যোগকালীন সময় অর্থাৎ গত বছরের আগস্ট মাসে নগরে জলাবদ্ধতা হয়ে বেশ কিছু এলাকার জনসাধারণ ক্ষতিগ্রস্থ হলে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রনালয় কর্তৃক ৩৬ টন চাউল বরাদ্ধ দেয় সিটি কর্পোরেশনকে। সে চাউল সঠিকভাবে বণ্টন করা হলেও চসিকের নিজস্ব ফান্ড থেকে ৪ কর্মচারীর নামে ৯লাখ করে একুনে ৩৬ লাখ টাকার চাউল ও আলু ক্রয় বাবদ সম্পূন্ন অর্থ হাশেম নিজেই আত্মসাৎ করেছে। এই টাকার সম্মন্বয় তিনি এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত করেনি। শুধু তাই নয়, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বা বিধিঅনুযায়ী দু’লাখ টাকার উপরে কোন কিছু ক্রয় কিংবা জরুরী কাজ করতে হলে “স্পট টেন্ডারের” মাধ্যমে তা সম্পন্ন করতে হয়। বেপরোয়া আবুল হাশেম তা না করে তার নিজস্ব কুটকৌশলে এই টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

সুত্রে জানা গেছে, গত কোরবানির সময় প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (অতি.) দায়িত্বের সময় ৫০ লক্ষ টাকা আত্মসাত করে উদ্বর্তন কর্মকর্তাদেরকে লক্ষ লক্ষ টাকা উপঢৌকন দিয়ে মুখ বন্ধ করে রেখেছেন। এর বাইরে অনেক শ্রমিক ও সেবকদেরকে বদলী বা চাকরিচ্যুত করার ভয় দেখিয়ে মাসিক লক্ষ লক্ষ আয় করেছেন। উচ্ছেদের নাম করে গোপনে অবৈধ ব‍্যবসায়ীর কাছ থেকে এবং পূর্ণবাসন এর নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে তিনি পকেট ভারি করেছেন। চসিকের বড় বড় অনুষ্ঠানের নামে নিয়মকানুন তোয়াক্কা না করে বিনা টেন্ডারে কেনাকাটা এবং নেজারত শাখা হতে বিভিন্ন গিফট ও খাওয়া খরচ বাবত লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি।

Unbridled corruption of the CCC Hashem syndicate, embezzlement of crores of TAKA

ইংরেজী ভার্সনে পড়ুন: https://thecrimebd.net/english/news/14389/

সুত্রে আরো জানা গেছে, হাশেম প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা (অতি.) দায়িত্বে থাকা অবস্থায় বই মেলার নাম করে বিনা টেন্ডারে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচের নামে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়া শিক্ষকদের বদলী বা বিভিন্ন ভাতার দেয়ার নামে ঘুষ বাণিজ্যও করেছে দেদাচ্ছে। শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন পরীক্ষায় ফি বাবত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাছ হতে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন। এরই প্রভাবে সুচতুর আবুল হাশেম তার আপন খালাতো বোন শেফায়েতুন নাহার পপি পিতা – মৃত জোবাইর আহমদ গ্রাম- মিয়াজির পাড়া ডাক- বড় মহেশখালী থানা- মহেশখালী জেলা- কক্সবাজারকে হাতে খড়ি চসিক স্কুল ও কলেজে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ দেন এবং চসিক পরিচালিত বিভিন্ন মাদ্রাসায় অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ বাণিজ্য করেন। মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম কমিটির সদস‍্য না হয়েও জনৈক উদ্বর্তন কর্মকর্তার যোগসাজসে অবৈধ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কর্মচারিদের স্থায়ীকরনের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন।

মেয়রের পিএস আবুল হাশেম একজন নারী লিপ্সু, দুর্নীতিবাজ, অসৎ কর্মকর্তা ও চসিকের গ্রুপিং এর মুল হোতা। তাকে দ্রুত রিলিজ দিলে সিটি কর্পোরেশনের স্বাভাবিক গতি ফিরিয়ে আসবে বলে অনেকের অভিমত।