নিজস্ব প্রতিবেদক: কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের হাজারী পাড়া নন্দিশা পুকুর সংলগ্ন কুয়েত প্রবাসী হাজী ডাইভার শাহ জাহান৷ বিগত ১৮- ০৪- ২০০২ সালে লালমাই থানার অন্তর্গত যুক্তিখোলা চাইল ভান্ডার গ্রামের আব্দুল মতিনের মেয়ে মোসাঃ মর্জিনা আক্তারের সঙ্গে বিবাহ আবদ্ধ হয়।

বর্তমানে ডাইভার শাহজাহান এর দুই ছেলে। কিছু দিন পূর্বে শাহজাহানের স্ত্রী মোসাঃ মর্জিনা আক্তারের সঙ্গে টাকা নিয়ে কথা কাটাকাটি হলে শাহজাহান এক পর্যায়ে কথা কাটাকাটির মধ্যে দিয়ে তার স্ত্রী মর্জিনাকে ডিভোর্স দিয়ে ফেলে। ডিভোর্স দেওয়ার পর হাজারী পাড়ার ব্রিজ সংলগ্ন নাজির আহম্মদ নামে এক লোকের ছবি মর্জিনার ছবির সঙ্গে এডিটিং করে বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়া ও ফেইসবুকে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে কুয়েত প্রবাসী ডাইভার শাহজাহানের উপর। এমন অভিযোগ করেন শাহজাহানের স্ত্রী মোসাঃ মর্জিনা আক্তার ও হাজারী পাড়া ব্রিজ সংলগ্ন নাজির আহম্মদ।

অন্যদিকে, ডাইভার শাহজাহানের ছেলে শাকিব ও শামিমকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

শাহ জাহানের দুই সন্তান গণমাধ্যমকে জানায়, আমার বাবা হাজী ডাইভার শাহজাহান। সে বিভিন্ন সময় আমার মায়ের সঙ্গে খারাপ আচরণ করতো এবং কি দুই লক্ষ টাকা দিয়ে বাড়ি নির্মাণের জন্য বলে। পরবর্তীতে বাড়ি নির্মাণের কাজ ধরার পর প্রায় ১০ লক্ষ টাকা ঘর নির্মাণে লেগে যায়, বাকি সম্পূর্ন টাকা আমার মা বিভিন্ন লোক থেকে হাওলাত করে ঘরের কাজ সম্পূর্ণ করেন। মানুষের হাওলাতের টাকার জন্য আমার মা বাবাকে বললে একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার মাকে ডিভোর্স দিয়ে ফেলে। এমনকি আমার মায়ের ছবি হাজারী পাড়া ব্রিজ সংলগ্ন নাজির আহম্মদ নামে এক লোকের সঙ্গে ছবি এডিটিং করে বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছে ও আমাদেরকে প্রাণ নাশের হুমকিও দিচ্ছে।

নাজির আহম্মদ জানান, একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে জানায় আমি রয়েছি মধ্য প্রাচ্যের দেশ কুয়েতে কিন্তু হাজী ডাইভার শাহজাহান ওর বউয়ের ছবির সঙ্গে আমার ছবি এডিটিং করে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনলাইন প্রিন্ট মিডিয়া অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠ নিরপেক্ষ একটি তদন্তের মাধ্যমে সঠিক বিচারের দাবী জানাই।

চৌদ্দগ্রাম থানা প্রশাসন জানায়, এমন একটি অভিযোগ পেয়েছি আমরা।তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

নিজস্ব প্রতিবেদক: কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের হাজারী পাড়া নন্দিশা পুকুর সংলগ্ন কুয়েত প্রবাসী হাজী ডাইভার শাহ জাহান৷ বিগত ১৮- ০৪- ২০০২ সালে লালমাই থানার অন্তর্গত যুক্তিখোলা চাইল ভান্ডার গ্রামের আব্দুল মতিনের মেয়ে মোসাঃ মর্জিনা আক্তারের সঙ্গে বিবাহ আবদ্ধ হয়।

বর্তমানে ডাইভার শাহজাহান এর দুই ছেলে। কিছু দিন পূর্বে শাহজাহানের স্ত্রী মোসাঃ মর্জিনা আক্তারের সঙ্গে টাকা নিয়ে কথা কাটাকাটি হলে শাহজাহান এক পর্যায়ে কথা কাটাকাটির মধ্যে দিয়ে তার স্ত্রী মর্জিনাকে ডিভোর্স দিয়ে ফেলে। ডিভোর্স দেওয়ার পর হাজারী পাড়ার ব্রিজ সংলগ্ন নাজির আহম্মদ নামে এক লোকের ছবি মর্জিনার ছবির সঙ্গে এডিটিং করে বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়া ও ফেইসবুকে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে কুয়েত প্রবাসী ডাইভার শাহজাহানের উপর। এমন অভিযোগ করেন শাহজাহানের স্ত্রী মোসাঃ মর্জিনা আক্তার ও হাজারী পাড়া ব্রিজ সংলগ্ন নাজির আহম্মদ।

অন্যদিকে, ডাইভার শাহজাহানের ছেলে শাকিব ও শামিমকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

শাহ জাহানের দুই সন্তান গণমাধ্যমকে জানায়, আমার বাবা হাজী ডাইভার শাহজাহান। সে বিভিন্ন সময় আমার মায়ের সঙ্গে খারাপ আচরণ করতো এবং কি দুই লক্ষ টাকা দিয়ে বাড়ি নির্মাণের জন্য বলে। পরবর্তীতে বাড়ি নির্মাণের কাজ ধরার পর প্রায় ১০ লক্ষ টাকা ঘর নির্মাণে লেগে যায়, বাকি সম্পূর্ন টাকা আমার মা বিভিন্ন লোক থেকে হাওলাত করে ঘরের কাজ সম্পূর্ণ করেন। মানুষের হাওলাতের টাকার জন্য আমার মা বাবাকে বললে একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার মাকে ডিভোর্স দিয়ে ফেলে। এমনকি আমার মায়ের ছবি হাজারী পাড়া ব্রিজ সংলগ্ন নাজির আহম্মদ নামে এক লোকের সঙ্গে ছবি এডিটিং করে বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছে ও আমাদেরকে প্রাণ নাশের হুমকিও দিচ্ছে।

নাজির আহম্মদ জানান, একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে জানায় আমি রয়েছি মধ্য প্রাচ্যের দেশ কুয়েতে কিন্তু হাজী ডাইভার শাহজাহান ওর বউয়ের ছবির সঙ্গে আমার ছবি এডিটিং করে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনলাইন প্রিন্ট মিডিয়া অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠ নিরপেক্ষ একটি তদন্তের মাধ্যমে সঠিক বিচারের দাবী জানাই।

চৌদ্দগ্রাম থানা প্রশাসন জানায়, এমন একটি অভিযোগ পেয়েছি আমরা।তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেব।