কক্সবাজার প্রতিনিধি: সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার রায়কে ঘিরে কক্সবাজার আদালতে উপস্থিত হয়েছেন আসামিদের স্বজনরা। আক্ষেপ নিয়েই তারা রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করছেন।

সোমবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে এ মামলার কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে দুপুর দুইটায় হবে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।

আদালত পাড়ার বাইরে বিভিন্ন রাস্তায় ব্যানার নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে নির্যাতিত পরিবারের সদস্যসহ এলাকার বিভিন্ন স্তরের মানুষ। তাদের মুখে একটাই কথা দোষীদের শাস্তি চায়।

আদালত চত্বরে মানুষ আসতে শুরু করেছেন নির্যাতিত মানুষ আর এসে গেছেন আসামিদের স্বজনরাও। মাত্র ২৮ কার্যদিবসে শেষ হয়েছে মামলাটির বিচারিক কাজ। এ রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার আদালত চত্বরে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালত আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন।

আদালত প্রাঙ্গনে ইতোমধ্যে হাজির হয়েছেন আসামি পক্ষের স্বজন কন্সটেবল সাফানুর করিমের ভাই জানে আলম, এএসআই লিটন মিয়ার স্ত্রী হ্যাপি আক্তার, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুনের বাবা আবুল হোসেন, কনস্টেবল কামাল হোসেনের স্ত্রী লিজা মনি ও কনস্টেবল রুবেল শর্মার স্ত্রী লক্ষী শর্মাসহ আরও অনেকেই।

জানতে চাইলে কন্সটেবল সাফানুর করিমের ভাই জানে আলম গণমাধ্যমকে বলেন, আমার ভাই নির্দোষ। যারা সিনহাকে হত্যা করেছেন, সেসব প্রকৃত দোষীদের শাস্তি চাই।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই ঈদুল আজহার আগের রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এপিবিএন চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর সিনহা। পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত এ কর্মকর্তা।

হত্যাকাণ্ডের চারদিন পর ৫ আগস্ট সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে কক্সবাজার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিমের আদালতে হত্যা মামলা করেন। মামলায় টেকনাফ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ নয়জনকে আসামি করা হয়।

মামলায় বর্তমানে কারাগারে থাকা ১৫ আসামি হলেন- বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন পরিদর্শক লিয়াকত আলী, টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, প্রদীপের দেহরক্ষী রুবেল শর্মা, বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের বরখাস্ত উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দদুলাল রক্ষিত, বরখাস্ত কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আব্দুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, বরখাস্ত কনস্টেবল সাগর দেব, বরখাস্ত এপিবিএনের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহজাহান, বরখাস্ত কনস্টেবল মো. রাজীব ও মো. আবদুল্লাহ। এছাড়া রয়েছেন টেকনাফ থানায় পুলিশের দায়ের করা মামলার সাক্ষী টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুরের মারিশবুনিয়া গ্রামের নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।

দীর্ঘশুনানি, সাক্ষীদের জবানবন্দি, জেরা ও আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে গত ১২ জানুয়ারি রায়ের জন্য ৩১ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছিলেন বিচারক। 

কক্সবাজার প্রতিনিধি: সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার রায়কে ঘিরে কক্সবাজার আদালতে উপস্থিত হয়েছেন আসামিদের স্বজনরা। আক্ষেপ নিয়েই তারা রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করছেন।

সোমবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে এ মামলার কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে দুপুর দুইটায় হবে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।

আদালত পাড়ার বাইরে বিভিন্ন রাস্তায় ব্যানার নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে নির্যাতিত পরিবারের সদস্যসহ এলাকার বিভিন্ন স্তরের মানুষ। তাদের মুখে একটাই কথা দোষীদের শাস্তি চায়।

আদালত চত্বরে মানুষ আসতে শুরু করেছেন নির্যাতিত মানুষ আর এসে গেছেন আসামিদের স্বজনরাও। মাত্র ২৮ কার্যদিবসে শেষ হয়েছে মামলাটির বিচারিক কাজ। এ রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার আদালত চত্বরে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালত আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন।

আদালত প্রাঙ্গনে ইতোমধ্যে হাজির হয়েছেন আসামি পক্ষের স্বজন কন্সটেবল সাফানুর করিমের ভাই জানে আলম, এএসআই লিটন মিয়ার স্ত্রী হ্যাপি আক্তার, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুনের বাবা আবুল হোসেন, কনস্টেবল কামাল হোসেনের স্ত্রী লিজা মনি ও কনস্টেবল রুবেল শর্মার স্ত্রী লক্ষী শর্মাসহ আরও অনেকেই।

জানতে চাইলে কন্সটেবল সাফানুর করিমের ভাই জানে আলম গণমাধ্যমকে বলেন, আমার ভাই নির্দোষ। যারা সিনহাকে হত্যা করেছেন, সেসব প্রকৃত দোষীদের শাস্তি চাই।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই ঈদুল আজহার আগের রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এপিবিএন চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর সিনহা। পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত এ কর্মকর্তা।

হত্যাকাণ্ডের চারদিন পর ৫ আগস্ট সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে কক্সবাজার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিমের আদালতে হত্যা মামলা করেন। মামলায় টেকনাফ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ নয়জনকে আসামি করা হয়।

মামলায় বর্তমানে কারাগারে থাকা ১৫ আসামি হলেন- বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন পরিদর্শক লিয়াকত আলী, টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, প্রদীপের দেহরক্ষী রুবেল শর্মা, বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের বরখাস্ত উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দদুলাল রক্ষিত, বরখাস্ত কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আব্দুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, বরখাস্ত কনস্টেবল সাগর দেব, বরখাস্ত এপিবিএনের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহজাহান, বরখাস্ত কনস্টেবল মো. রাজীব ও মো. আবদুল্লাহ। এছাড়া রয়েছেন টেকনাফ থানায় পুলিশের দায়ের করা মামলার সাক্ষী টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুরের মারিশবুনিয়া গ্রামের নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।

দীর্ঘশুনানি, সাক্ষীদের জবানবন্দি, জেরা ও আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে গত ১২ জানুয়ারি রায়ের জন্য ৩১ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছিলেন বিচারক।