প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বন্দর-পতেঙ্গা আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের উদ্যোগে নির্বাচনে প্রতিটি কেন্দ্র পাহারা দিয়ে শেখ হাসিনার নৌকাকে বিজয়ী করায় ৩০ নং পূর্ব মাদারবাড়ি ওয়ার্ডে নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে গতকাল রোববার (২১ জানুয়ারী) বিকাল ৫ টায় নছু মালুম জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

৩০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক মজিবুল হক পেয়ারুর সঞ্চালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সভাপতি আলহাজ্ব সালাহউদ্দীন ইবনে আহমদ।

আওয়ামী লীগ হতে নবনির্বাচিত টানা চারবারের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফ নিজে উপস্থিত হয়ে নেতাকর্মীদের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে বলেন, আপনারা বিজয়ী প্রার্থীকে সবসময় সংবর্ধনা দেন, আজ আমিই আপনাদের ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা ও সংবর্ধনা জানাতে এসেছি। আওয়ামী লীগ নামধারী খন্দকার মোশতাক গংদের বিশ্বাসঘাতকতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আপনারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যেভাবে প্রতিটি কেন্দ্র পাহারা দিয়ে নৌকার বিজয়, আমার বিজয়, আমার নেত্রীর বিজয় নিশ্চিত করেছেন তাঁরাই আওয়ামী লীগ, বাকিরা কচুরিপানা, জোয়ারে আসে, ভাটায় চলে যায়।

এম এ লতিফ এমপি বলেন, আমি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে সংবর্ধনার আয়োজন করবো। যারা রাতদিন আমার জন্য, নৌকার জন্য কষ্ট করেছেন তাঁদের কষ্টার্জিত বিজয়ের মালা আমি তাঁদের গলায় পরিয়ে দিলাম। এই মালা আমার নয়, এই মালা আপনাদের মতো কমিটেড নেতাকর্মীদের প্রাপ্য যারা শেখ হাসিনার নৌকার বিজয় নিয়ে এসেছেন। বার বার আমাকে আপনারা জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করছেন, বিশেষ করে পূর্ব মাদারবাড়ি ওয়ার্ডবাসী আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছেন। আমি ও আমার পরিবার এই ঋণ কৃতজ্ঞচিত্তে আজীবন স্মরণ কররো।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন-মহানগর আওয়ামীলীগ এর শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুল হক মিয়া, ৩০ নং পূর্ব মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আতাউল্লাহ চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মান্নান, মোঃ সানাউল্লাহ, আবদুল মালেক, হাসান রাজু, ওয়ারিশ আলী খান, মঞ্জু খান, লায়লা এটলী, মোঃ জাহাঙ্গীর, আনোয়ার হোসেন, পঙ্কজ বৈদ্য সুজন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মতিন মাস্টার, শামসুল হুদা মিন্টু, নুরুল হুদা, শাহেদ ইফতেখার, সুফিউর রহমান টিপু, সাব্বির, মোঃ সোলেমান, রোকনুজ্জামান রাশেদ, সিরাজুম মুনির সাকিব, ফয়সাল বিন শফি, ছাত্র নেতা আবু তারেক রনি, ফয়সাল সাব্বির, সাফাত বিন আলম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট আবিদ হোসেন, শাহীন চৌধুরী, সালাউদ্দীন সরকার, আবদুল মোনাফ, হাজী মোঃ নাসিম, আবু তালেব, মোঃ শাহরিয়ার হাসান, হাজী শাহাজাহানসহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ এবং স্বাধীনতা নারী শক্তি’র নেতৃবৃন্দ।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বন্দর-পতেঙ্গা আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের উদ্যোগে নির্বাচনে প্রতিটি কেন্দ্র পাহারা দিয়ে শেখ হাসিনার নৌকাকে বিজয়ী করায় ৩০ নং পূর্ব মাদারবাড়ি ওয়ার্ডে নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে গতকাল রোববার (২১ জানুয়ারী) বিকাল ৫ টায় নছু মালুম জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

৩০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক মজিবুল হক পেয়ারুর সঞ্চালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সভাপতি আলহাজ্ব সালাহউদ্দীন ইবনে আহমদ।

আওয়ামী লীগ হতে নবনির্বাচিত টানা চারবারের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফ নিজে উপস্থিত হয়ে নেতাকর্মীদের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে বলেন, আপনারা বিজয়ী প্রার্থীকে সবসময় সংবর্ধনা দেন, আজ আমিই আপনাদের ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা ও সংবর্ধনা জানাতে এসেছি। আওয়ামী লীগ নামধারী খন্দকার মোশতাক গংদের বিশ্বাসঘাতকতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আপনারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যেভাবে প্রতিটি কেন্দ্র পাহারা দিয়ে নৌকার বিজয়, আমার বিজয়, আমার নেত্রীর বিজয় নিশ্চিত করেছেন তাঁরাই আওয়ামী লীগ, বাকিরা কচুরিপানা, জোয়ারে আসে, ভাটায় চলে যায়।

এম এ লতিফ এমপি বলেন, আমি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে সংবর্ধনার আয়োজন করবো। যারা রাতদিন আমার জন্য, নৌকার জন্য কষ্ট করেছেন তাঁদের কষ্টার্জিত বিজয়ের মালা আমি তাঁদের গলায় পরিয়ে দিলাম। এই মালা আমার নয়, এই মালা আপনাদের মতো কমিটেড নেতাকর্মীদের প্রাপ্য যারা শেখ হাসিনার নৌকার বিজয় নিয়ে এসেছেন। বার বার আমাকে আপনারা জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করছেন, বিশেষ করে পূর্ব মাদারবাড়ি ওয়ার্ডবাসী আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছেন। আমি ও আমার পরিবার এই ঋণ কৃতজ্ঞচিত্তে আজীবন স্মরণ কররো।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন-মহানগর আওয়ামীলীগ এর শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুল হক মিয়া, ৩০ নং পূর্ব মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আতাউল্লাহ চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মান্নান, মোঃ সানাউল্লাহ, আবদুল মালেক, হাসান রাজু, ওয়ারিশ আলী খান, মঞ্জু খান, লায়লা এটলী, মোঃ জাহাঙ্গীর, আনোয়ার হোসেন, পঙ্কজ বৈদ্য সুজন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মতিন মাস্টার, শামসুল হুদা মিন্টু, নুরুল হুদা, শাহেদ ইফতেখার, সুফিউর রহমান টিপু, সাব্বির, মোঃ সোলেমান, রোকনুজ্জামান রাশেদ, সিরাজুম মুনির সাকিব, ফয়সাল বিন শফি, ছাত্র নেতা আবু তারেক রনি, ফয়সাল সাব্বির, সাফাত বিন আলম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট আবিদ হোসেন, শাহীন চৌধুরী, সালাউদ্দীন সরকার, আবদুল মোনাফ, হাজী মোঃ নাসিম, আবু তালেব, মোঃ শাহরিয়ার হাসান, হাজী শাহাজাহানসহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ এবং স্বাধীনতা নারী শক্তি’র নেতৃবৃন্দ।