গাজীপুর প্রতিনিধি: জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, শ্রীপুর-বরমী সড়ক, মাওনা-গোসিঙ্গা সড়ক একই সঙ্গে সংস্কারের সময়ে ব্যাপক খোঁড়াখুঁড়ির সময় মাটির নিচে থাকা টেলিফোনের তার ছিন্নভিন্ন করে ফেলার কারণে গত ১০ বছর ধরে শ্রীপুর এক্সচেঞ্জের সহস্রাধিক টেলিফোনের সংযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন আছে।

এ বিষয়টি শ্রীপুরসহ গাজীপুরের টেলিফোন কর্তৃপক্ষ জানলেও প্রতিমাসে রেন্ট বিল পাঠাচ্ছে বিটিসিএল বিভাগ। কবে নাগাদ টেলিফোনের সংযোগ আবার দেওয়া হবে এরও সঠিক তথ্য স্থানীয় অফিস পরিচালনাকারীরা দিতে পারছেন না।

স্থানীয় লাইনম্যান শাহজাহান জানান, ‘শুনেছি লাইন মেরামত করা হবে। তবে কবে নাগাদ শুরু হবে তা জানি না।’

এদিকে সুপারভাইজার কাম সাব-অ্যাসিসট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার কামরুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানান, তার ছিন্নভিন্ন করে ফেলার কারণে এক্সচেঞ্জ থেকে প্রায় ১ হাজার ২০০ সংযোগ দেওয়ার সক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে তার সংকটের জন্য মাত্র ৫০/৬০টি সংযোগ চালু রয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অফিস আদেশ হলেই পুনরায় কাজ শুরু করা হবে। আর বিলের বিষয়টি রাজস্ব শাখার কাজ। ঐ বিষয়ে তিনি কিছু বলতে নারাজ।

গাজীপুর প্রতিনিধি: জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, শ্রীপুর-বরমী সড়ক, মাওনা-গোসিঙ্গা সড়ক একই সঙ্গে সংস্কারের সময়ে ব্যাপক খোঁড়াখুঁড়ির সময় মাটির নিচে থাকা টেলিফোনের তার ছিন্নভিন্ন করে ফেলার কারণে গত ১০ বছর ধরে শ্রীপুর এক্সচেঞ্জের সহস্রাধিক টেলিফোনের সংযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন আছে।

এ বিষয়টি শ্রীপুরসহ গাজীপুরের টেলিফোন কর্তৃপক্ষ জানলেও প্রতিমাসে রেন্ট বিল পাঠাচ্ছে বিটিসিএল বিভাগ। কবে নাগাদ টেলিফোনের সংযোগ আবার দেওয়া হবে এরও সঠিক তথ্য স্থানীয় অফিস পরিচালনাকারীরা দিতে পারছেন না।

স্থানীয় লাইনম্যান শাহজাহান জানান, ‘শুনেছি লাইন মেরামত করা হবে। তবে কবে নাগাদ শুরু হবে তা জানি না।’

এদিকে সুপারভাইজার কাম সাব-অ্যাসিসট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার কামরুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানান, তার ছিন্নভিন্ন করে ফেলার কারণে এক্সচেঞ্জ থেকে প্রায় ১ হাজার ২০০ সংযোগ দেওয়ার সক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে তার সংকটের জন্য মাত্র ৫০/৬০টি সংযোগ চালু রয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অফিস আদেশ হলেই পুনরায় কাজ শুরু করা হবে। আর বিলের বিষয়টি রাজস্ব শাখার কাজ। ঐ বিষয়ে তিনি কিছু বলতে নারাজ।