লোহাগাড়া প্রতিনিধি : লোহাগাড়ায় কোটি টাকা প্রতারণা ও আত্মসাতের অভিযোগে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিদেশ ফেরত মো. সামশুল আলম।
মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে এক সাংবাদিক সম্মলনে লিখিত বক্তব্যে বড় ভাই মো. ফারুক কন্ট্রাক্টরের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনা হয়। লোহাগাড়া প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সাংবাদিক সম্মেলনে সামশুল আলমের সাথে ছিলেন তার প্রতিবেশী মো. ইউনুছ মাস্টার ও আলমগীর প্রমূখ।
লিখিত বক্তব্যে সামশুল আলম বলেন, তিনি দীর্ঘ ২৬ বছর প্রবাসে ছিলেন। তার বিদেশকালীন সময়ে বিভিন্ন দফায় বড় ভাই মো. ফারুক কন্ট্রাক্টরের নিকট ১ কোটি ১৪ টাকা দিয়েছেন। বড় ভাই ফারুক কন্ট্রাক্টর ছোট ভাই প্রবাসী সমশুল আলমের নামে জায়গা জমি, দোকানপাট ও প্ল্যাট বাড়ি কিনার জন্য এসব টাকা পাঠিয়েছেন। ডাচ্বাংলা ব্যাংক লোহাগাড়া শাখায় ফারুক কন্ট্রাক্টরের একটি একাউন্টে হিসাব নাম্বার-০৪৬১১০৭৬০ পাঠানো হয়। এই টাকা প্রেরণের প্রমাণাদি রয়েছে।
সমশুল আলম বিদেশ থেকে বাড়িতে আসার পর টাকার হিসাব চাইলে বড় ভাই ফারুক কন্ট্রাক্টর গড়িমসি করে। একপর্যায়ে বাড়াবাড়ি না করার জন্য হুমকি-ধমকি দেয়। এমনকি প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন। একপর্যায়ে টাকা ফিরে পাওয়ার জন্য বিদেশ ফেরত সামশুল আলম লোহাগাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবরে বড় ভাই ফারুক কন্ট্রাক্টরের বিরুদ্ধে দরখাস্ত করেন। চেয়ারম্যানের সালিশী বৈঠকে ৩৮ লাখ ৭২ হাজার টাকার হিসেব দেখিয়েছেন অভিযুক্ত বড় ভাই ফারুক কন্ট্রাক্টর।
অভিযুক্ত বড় ভাইয়ের হুমকি-ধমকির কারণে বিদেশ ফেরত সমশুল আলশ নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন। বিদেশ ফেরত সামশুল আলম বড়ভাইয়ের কাছ থেকে টাকা উদ্ধার ও নিরাপত্তার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ অপরিহার্য মনে করেন। অন্যথায়, তার ব্যাপক ক্ষতি আশংকা করা হচ্ছে।
অভিযুক্ত বড় ভাই মো. ফারুক ও বিদেশ ফেরত সামশুল আলম লোহাগাড়া উপজেলা সদর ইউনিয়নের কালোয়ার পাড়ার প্রয়াত আবদুল আলমের পুত্র।



