ক্রাইম প্রতিবেদক: জনগণের ভোটে ক্ষমতায় থেকে আওয়ামী লীগ সারাদেশে দেশের উন্নয়ন করছে। তাই আওয়ামী লীগকে ভয়ভীতি দেখিয়ে কোনো লাভ হবে না। আওয়ামী লীগ শান্তি ও উন্নয়নে বিশ্বাস করে। আজ শনিবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর ২টায় আনোয়ারা উপজেলার কেইপিজেড মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ এই জনসভার আয়োজন করেন।

তিনি বলেন, নৌকা মার্কা যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই দেশের উন্নতি হয়েছে। আমরা দেশের উন্নয়ন করি। আর বিএনপি-জামায়াত ধ্বংস করে। তারা আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করে। খুন করা ছাড়া বিএনপি কিছুই জানে না। বঙ্গববন্ধুকে হত্যায় জিয়াউর রহমান জড়িত ছিল। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপির আমলে এক বেলা ভাত জুটত না। এখন সেই ভাতের কষ্ট নেই। আমরা দারিদ্রের হার কমিয়ে এনেছি। বহুমুখী প্রকল্প নিয়ে আমরা দেশকে এগিয়ে নিচ্ছি।

টানেল নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে যারা জড়িত ছিলেন তাদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, আজ আমি আপনাদের আরও ১১টি প্রকল্প উপহার হিসেবে উদ্বোধন করে দিলাম। আজকের এ উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে গত নির্বাচনে আপনারা ভোট দিয়েছিলেন বলে। ‘৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আমি সবই হারিয়েছি। ছয় বছর দেশে আসতে দেয়নি জিয়াউর রহমান। একরকম জোর করেই দেশে ফেরা। আসার পর থেকে বাংলাদেশে মানুষের জন্য কাজ করছি। চাই, কীভাবে দেশের মানুষকে ভালো রাখা যায়।

৩.৩১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই টানেল কেবল ঢাকা-চট্টগ্রাম না, সমগ্র বাংলাদেশের আঞ্চলিক যোগাযোগে ‘বিরাট ভূমিকা রাখবে’ বলে আশা প্রকাশ করেন সরকার প্রধান।

তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় এতবড় টানেল এই প্রথম। বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে সহযোগিতা দেয়ায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে তিনি ধন্যবাদ জানান। চীন সফরে গিয় তাদেরকে বলেছিলাম, সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তৃতায় স্বাধীনতা সংগ্রামে চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগ নেতাদের ভূমিকার স্মরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদেরর সরকারের লক্ষ্য, দেশ আরো উন্নত হোক। কক্সবাজার যেতে বহুত সময় লাগত, আজ এত সময় লাগবে না। ঢাকা থেকে এসে এখন চট্টগ্রাম শহরের ভেতরে ঢুকে যানজটে পড়তে হবে না। এশিয়ার হাইয়ের সঙ্গে সংযুক্ত করব, যা আমাদের উন্নয়নের অবদান রাখবে।

এসময় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, ভুমিমন্ত্রী আলহাজ্ব সাইফুজাম্মান জাবেদ, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এম.পি, মো. মহীউদ্দীন বাচ্চু এমপি, নজরুল ইসলাম চৌধূরী এমপি, চসিক মেয়র রেজাউল করিম চৌধূরী, সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, চট্টগ্রাম মহানগর ১৪ দলের সমন্বয়ক ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট ইব্রাহীম হোসেন চৌধুরী বাবুল, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মসিউর রহমান চৌধুরীসহ দলের নেতাকর্মীবৃন্দ।

ক্রাইম প্রতিবেদক: জনগণের ভোটে ক্ষমতায় থেকে আওয়ামী লীগ সারাদেশে দেশের উন্নয়ন করছে। তাই আওয়ামী লীগকে ভয়ভীতি দেখিয়ে কোনো লাভ হবে না। আওয়ামী লীগ শান্তি ও উন্নয়নে বিশ্বাস করে। আজ শনিবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর ২টায় আনোয়ারা উপজেলার কেইপিজেড মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ এই জনসভার আয়োজন করেন।

তিনি বলেন, নৌকা মার্কা যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই দেশের উন্নতি হয়েছে। আমরা দেশের উন্নয়ন করি। আর বিএনপি-জামায়াত ধ্বংস করে। তারা আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করে। খুন করা ছাড়া বিএনপি কিছুই জানে না। বঙ্গববন্ধুকে হত্যায় জিয়াউর রহমান জড়িত ছিল। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপির আমলে এক বেলা ভাত জুটত না। এখন সেই ভাতের কষ্ট নেই। আমরা দারিদ্রের হার কমিয়ে এনেছি। বহুমুখী প্রকল্প নিয়ে আমরা দেশকে এগিয়ে নিচ্ছি।

টানেল নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে যারা জড়িত ছিলেন তাদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, আজ আমি আপনাদের আরও ১১টি প্রকল্প উপহার হিসেবে উদ্বোধন করে দিলাম। আজকের এ উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে গত নির্বাচনে আপনারা ভোট দিয়েছিলেন বলে। ‘৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আমি সবই হারিয়েছি। ছয় বছর দেশে আসতে দেয়নি জিয়াউর রহমান। একরকম জোর করেই দেশে ফেরা। আসার পর থেকে বাংলাদেশে মানুষের জন্য কাজ করছি। চাই, কীভাবে দেশের মানুষকে ভালো রাখা যায়।

৩.৩১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই টানেল কেবল ঢাকা-চট্টগ্রাম না, সমগ্র বাংলাদেশের আঞ্চলিক যোগাযোগে ‘বিরাট ভূমিকা রাখবে’ বলে আশা প্রকাশ করেন সরকার প্রধান।

তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় এতবড় টানেল এই প্রথম। বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে সহযোগিতা দেয়ায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে তিনি ধন্যবাদ জানান। চীন সফরে গিয় তাদেরকে বলেছিলাম, সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তৃতায় স্বাধীনতা সংগ্রামে চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগ নেতাদের ভূমিকার স্মরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদেরর সরকারের লক্ষ্য, দেশ আরো উন্নত হোক। কক্সবাজার যেতে বহুত সময় লাগত, আজ এত সময় লাগবে না। ঢাকা থেকে এসে এখন চট্টগ্রাম শহরের ভেতরে ঢুকে যানজটে পড়তে হবে না। এশিয়ার হাইয়ের সঙ্গে সংযুক্ত করব, যা আমাদের উন্নয়নের অবদান রাখবে।

এসময় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, ভুমিমন্ত্রী আলহাজ্ব সাইফুজাম্মান জাবেদ, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এম.পি, মো. মহীউদ্দীন বাচ্চু এমপি, নজরুল ইসলাম চৌধূরী এমপি, চসিক মেয়র রেজাউল করিম চৌধূরী, সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, চট্টগ্রাম মহানগর ১৪ দলের সমন্বয়ক ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট ইব্রাহীম হোসেন চৌধুরী বাবুল, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মসিউর রহমান চৌধুরীসহ দলের নেতাকর্মীবৃন্দ।