ঢাকা ব্যুরো: বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারকে এবার সংবিধান চোর বলে আখ্যা দিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর ব্যখ্যায় তিনি বলেছেন, তত্বাবধায়ক সরকার বাতিলে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে যে রায় দিয়েছে সে রায়ের শর্ট ভার্ডিক্টে পর পর দুটি নির্বাচন তত্ববধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে পারে বলা হলেও পুর্ণাঙ্গ রায় থেকে যে পর্যবেক্ষণ তুলে দেয়া হয়েছে। পুর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের আগেই সংসদে তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছে সরকার যা অসাংবিধানিক ও অবৈধ। বর্তমান সরকারই অবৈধ। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন করতে চাইলেও তাদের আগে প্রমাণ করতে হবে সাংবিধানিকভাবে তারা বৈধ।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, এই মূহুর্তে একটা কথা খুব জোর দিয়ে বলতে হবে এ সরকার অবৈধ, সংবিধানকে প্রতারণা করে ক্ষমতায় বসে আছে। দেশের মানুষ এবং সারাবিশ্বকে জানাতে হবে এরা অবৈধ। তিনি বলেন, অথচ এই অবৈধ সরকাই আবার সংবিধানের দোহাই দিয়ে ফের একতরফা নির্বাচনে পায়তারা করছে। এটা খুবই হাস্যকর, ‘ভুতের মুখে রাম রাম মানায় না। তিনি বলেন, আমরা জীবন দিয়ে রাজপথে লড়াই করছি, আর পেছনে ফিরে তাকানোর সুযোগ নেই। সময় এসেছে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে এই জুলুম সরকারের পতন ঘটানোর। এই সংবিধান চোরদের কোনো ক্ষমা নেই।

আজ সোমবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তি ও সরকার পতনের একদফা দাবিতে যুবদল আয়োজিত এক বিশাল যুব সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সোমবার দুপুর আড়াইটায় এ সমাবেশ শুরু হলেও বেলা ১০টা থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন ইউনিট থেকে নেতাকর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে থাকে। এ সময় তারা দলীয় চেয়ারপারর্সন খালেদা জিয়া মুক্তি ও সরকারের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকে। দুপুর ১টার মধ্যেই কাকরাইল, নয়াপল্টন থেকে ফকিরাপুল মোড়ের রাস্তার পাশে নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে সমাবেশটি জনসমুদ্রে রূপ নেয়। সিনিয়র নেতাদের বক্তব্য চলাকালে নেতাকর্মীরা ‘ হটাও হাসিনা বাঁচাও দেশ, টেকব্যাক বাংলাদেশ’, টেকব্যাক বাংলাদেশ’ বলে স্লোগান দিতে থাকে।

যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিল্টনের সঞ্চালনায় যুব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলাল, ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম।

বিএনপির স্হায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, আমরা যখন যুবদল করতাম, এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে তার পতন ঘটিয়েছিলাম। আজকের যুব সমাজের কাছে আমার প্রশ্ন- যুবদল আরো সংঘটিত হয়েছে তাহলে কেনো এখনো কেনো সরকারের পতন নিশ্চিত করতে পারলাম না? আজকের সমাবেশ সরকারের প্রতি স্পষ্ট একটি বার্তা, তোমাদের আর সময় নেই।

তিনি বলেন, আমরা বলি না তলে তলে কিছু হয়ে গেছে, আমাদের সঙ্গে জনগণ আছে, আন্দোলনে তাদের সম্পৃক্ততাই আমাদের জন্য যথেষ্ট। সামনে কঠোর আন্দোলন, সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে। বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ৪৩ লক্ষ মামলা, তারা যদি সবাই ঢাকার দিকে আসতে থাকে, বিচার বিভাগের কোনো খরব থাকবে? প্রয়োজনে সবাইকে ঢাকায় এনে জড়ো করে যা করার সেটাই করবো।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আমরা যতক্ষণ পর্যন্ত সরকারের পতন ঘটাতে না পারবো, নিজেদের আত্মতুষ্টির কোনো কারণ নেই। তিনি বলেন, আমাদের নেত্রীর মৃত্যুর সংবাদ শেনার জন্য যিনি গণভবনে বসে আছেন, আমাদের নেত্রীকে হারানের আগে তার পতন নিশ্চিত করবো। সেদিনই বলবো আমরা পেরেছি, আমরা পারবো।

তিনি বলেন, থানায় থানায় নির্দেশ দেয়া হয়েছে প্রতিটি কেন্দ্র ৭০ জন করে পুলিশ পাহারায় রাখতে। এতো পুলিশ তো নেই, আসলে আওয়ামী লীগের কর্মীদের পুলিশের পোষাক পড়িয়ে ভোট চুরি নিশ্চিত করতে প্রস্তুত রাখা হবে।

বিএনপির এই নেতা আক্ষেপ করে বলেন, পূজায় প্রতিদিন কোর্টে হাজিরা দিতে হবে, আমার পূজা শেষ। মন্দিরে না গেলে দেবি হয়তো আমাকে মাফ করবে, কিন্তু আদালত রেহাই দেবে না। তিনি বলেন, আগামীতে সরকার মরণ কামড় দেবে, কামড় দেয়া সেই দাঁত ভেঙে দেয়ার জন্য সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে। বিনা কারণে যারা হয়রান করে তাদের বিনা কারণে ছাড় দেয়া যাবে না। যুদ্ধের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি রাখতে হবে। মরতে হয় রাস্তায় মরবো, দাবি আদায় করেই ঘরে ফিরবো।

ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম বলেন, পরিস্কার বলতে চাই আওয়ামী লীগ আইন না মানলে আমাদের মানতে হবে এমন কোনো কথা নেই৷ আইনের উর্ধ্বে গিয়ে আন্দোলন করতে হবে। ওপরের নির্দেশের দিকে তাকিয়ে থাকলে খালেদা জিয়াকে ফেরত পাবো না। তাকে মুক্ত করতে যা যা করার তাই করতে হবে। সময় কম, হাসিনা আবারো জোর করে ক্ষমতায় আসলে কেউ বাঁচবে না। তাকে হটাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে থাকতে হবে।

যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশনেত্রীর কিছু হলে, দেশে আগুন জ্বলবে। আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি ঐক্যবদ্ধ। এ সময় নেতাকর্মীদের নিয়ে হাত তুলে আগামীর আন্দোলনে রাজপথে সরব থাকার শপথ করেন তিনি।

ঢাকা ব্যুরো: বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারকে এবার সংবিধান চোর বলে আখ্যা দিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর ব্যখ্যায় তিনি বলেছেন, তত্বাবধায়ক সরকার বাতিলে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে যে রায় দিয়েছে সে রায়ের শর্ট ভার্ডিক্টে পর পর দুটি নির্বাচন তত্ববধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে পারে বলা হলেও পুর্ণাঙ্গ রায় থেকে যে পর্যবেক্ষণ তুলে দেয়া হয়েছে। পুর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের আগেই সংসদে তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছে সরকার যা অসাংবিধানিক ও অবৈধ। বর্তমান সরকারই অবৈধ। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন করতে চাইলেও তাদের আগে প্রমাণ করতে হবে সাংবিধানিকভাবে তারা বৈধ।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, এই মূহুর্তে একটা কথা খুব জোর দিয়ে বলতে হবে এ সরকার অবৈধ, সংবিধানকে প্রতারণা করে ক্ষমতায় বসে আছে। দেশের মানুষ এবং সারাবিশ্বকে জানাতে হবে এরা অবৈধ। তিনি বলেন, অথচ এই অবৈধ সরকাই আবার সংবিধানের দোহাই দিয়ে ফের একতরফা নির্বাচনে পায়তারা করছে। এটা খুবই হাস্যকর, ‘ভুতের মুখে রাম রাম মানায় না। তিনি বলেন, আমরা জীবন দিয়ে রাজপথে লড়াই করছি, আর পেছনে ফিরে তাকানোর সুযোগ নেই। সময় এসেছে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে এই জুলুম সরকারের পতন ঘটানোর। এই সংবিধান চোরদের কোনো ক্ষমা নেই।

আজ সোমবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তি ও সরকার পতনের একদফা দাবিতে যুবদল আয়োজিত এক বিশাল যুব সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সোমবার দুপুর আড়াইটায় এ সমাবেশ শুরু হলেও বেলা ১০টা থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন ইউনিট থেকে নেতাকর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে থাকে। এ সময় তারা দলীয় চেয়ারপারর্সন খালেদা জিয়া মুক্তি ও সরকারের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকে। দুপুর ১টার মধ্যেই কাকরাইল, নয়াপল্টন থেকে ফকিরাপুল মোড়ের রাস্তার পাশে নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে সমাবেশটি জনসমুদ্রে রূপ নেয়। সিনিয়র নেতাদের বক্তব্য চলাকালে নেতাকর্মীরা ‘ হটাও হাসিনা বাঁচাও দেশ, টেকব্যাক বাংলাদেশ’, টেকব্যাক বাংলাদেশ’ বলে স্লোগান দিতে থাকে।

যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিল্টনের সঞ্চালনায় যুব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলাল, ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম।

বিএনপির স্হায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, আমরা যখন যুবদল করতাম, এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে তার পতন ঘটিয়েছিলাম। আজকের যুব সমাজের কাছে আমার প্রশ্ন- যুবদল আরো সংঘটিত হয়েছে তাহলে কেনো এখনো কেনো সরকারের পতন নিশ্চিত করতে পারলাম না? আজকের সমাবেশ সরকারের প্রতি স্পষ্ট একটি বার্তা, তোমাদের আর সময় নেই।

তিনি বলেন, আমরা বলি না তলে তলে কিছু হয়ে গেছে, আমাদের সঙ্গে জনগণ আছে, আন্দোলনে তাদের সম্পৃক্ততাই আমাদের জন্য যথেষ্ট। সামনে কঠোর আন্দোলন, সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে। বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ৪৩ লক্ষ মামলা, তারা যদি সবাই ঢাকার দিকে আসতে থাকে, বিচার বিভাগের কোনো খরব থাকবে? প্রয়োজনে সবাইকে ঢাকায় এনে জড়ো করে যা করার সেটাই করবো।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আমরা যতক্ষণ পর্যন্ত সরকারের পতন ঘটাতে না পারবো, নিজেদের আত্মতুষ্টির কোনো কারণ নেই। তিনি বলেন, আমাদের নেত্রীর মৃত্যুর সংবাদ শেনার জন্য যিনি গণভবনে বসে আছেন, আমাদের নেত্রীকে হারানের আগে তার পতন নিশ্চিত করবো। সেদিনই বলবো আমরা পেরেছি, আমরা পারবো।

তিনি বলেন, থানায় থানায় নির্দেশ দেয়া হয়েছে প্রতিটি কেন্দ্র ৭০ জন করে পুলিশ পাহারায় রাখতে। এতো পুলিশ তো নেই, আসলে আওয়ামী লীগের কর্মীদের পুলিশের পোষাক পড়িয়ে ভোট চুরি নিশ্চিত করতে প্রস্তুত রাখা হবে।

বিএনপির এই নেতা আক্ষেপ করে বলেন, পূজায় প্রতিদিন কোর্টে হাজিরা দিতে হবে, আমার পূজা শেষ। মন্দিরে না গেলে দেবি হয়তো আমাকে মাফ করবে, কিন্তু আদালত রেহাই দেবে না। তিনি বলেন, আগামীতে সরকার মরণ কামড় দেবে, কামড় দেয়া সেই দাঁত ভেঙে দেয়ার জন্য সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে। বিনা কারণে যারা হয়রান করে তাদের বিনা কারণে ছাড় দেয়া যাবে না। যুদ্ধের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি রাখতে হবে। মরতে হয় রাস্তায় মরবো, দাবি আদায় করেই ঘরে ফিরবো।

ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম বলেন, পরিস্কার বলতে চাই আওয়ামী লীগ আইন না মানলে আমাদের মানতে হবে এমন কোনো কথা নেই৷ আইনের উর্ধ্বে গিয়ে আন্দোলন করতে হবে। ওপরের নির্দেশের দিকে তাকিয়ে থাকলে খালেদা জিয়াকে ফেরত পাবো না। তাকে মুক্ত করতে যা যা করার তাই করতে হবে। সময় কম, হাসিনা আবারো জোর করে ক্ষমতায় আসলে কেউ বাঁচবে না। তাকে হটাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে থাকতে হবে।

যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশনেত্রীর কিছু হলে, দেশে আগুন জ্বলবে। আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি ঐক্যবদ্ধ। এ সময় নেতাকর্মীদের নিয়ে হাত তুলে আগামীর আন্দোলনে রাজপথে সরব থাকার শপথ করেন তিনি।