লিটন কুতুবী,কুতুবদিয়া প্রতিনিধি: প্রেমের মরা জলে ডুবে না। দীর্ঘদিনের মন দেয়া নেয়া, অবশেষে পরিবারের অজান্তে নিজেদের প্রণয় প্রতিষ্ঠা করতে দু’জনই অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমায় রাজধানীতে। মেয়ের পক্ষের অপহরণ মামলার অভিযোগে বে- রসিক পুলিশ প্রেমিকাকে আটকপূর্বক উদ্ধার করে বাপের হাতে তুলে দেয়।

যুগল প্রেমিক প্রেমিকা একে অপরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে মরিয়া হয়ে স্ব-স্ব পরিবারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। তারপরও প্রেমিকার পরিবার বিষয়টি মেনে নিতে চরম বিব্রত বোধ করছে। কিন্তু বে রসিক পুলিশ প্রেমিকার পরিবারের কথায় ছেলের পরিবারের উপর চাপ সৃস্টি করে প্রেমিক যুগলের পথের কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রেমিকা কৌশল অবলম্বন করে পুনরায় প্রেমিকের হাত ধরে নিজের অজান্তে আপন মনে স্বপ্নের ঠিকানা খুঁজে নিতে গিয়ে বাঁধার মুখে যুগল প্রেমিক।

ঘটনার সূত্রপাত কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপজেলার উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের বাঁকখালি এলাকার হাবিব উল্লাহর কলেজ পড়ুয়া আসমাউল হোসনা এবং একই এলাকার ছেলে ফরিদ আলমের ছেলে সাখাওয়াত।

বিগত ৪ বছর পূর্বে থেকে তারা উভয়ের মধ্যে মন দেয়া নেয়া চলছিল।তারা একে অপরের হাত ধরে দিন দুপুরে পালিয়ে যায় দুই পরিবারের অজান্তে। মেয়ের পরিবার মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে অবশেষে গত ৫-সেপ্টেম্বর ওই মেয়ের পিতা হাবিব উল্লাহ্ বাদী হয়ে ছেলে,পিতাসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে কুতুবদিয়া থানায় একটি অপহরণ মামলা রুজু করেন। থানা পুলিশ তারই সূত্র ধরে চিরুনী অভিযান চালিয়ে আসমাউল হুসনা নামের ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

অভিযুক্তরা হলেন, ছেলের পিতা ফরিদ আলম, প্রেমিক শাখাওয়াত হোসেন,একই এলাকার মিজানুর রহমান।

পুলিশ সূত্র জানায়, ঘটনায় মামলা রুজু হওয়ার পর অপহৃত কলেজ ছাত্রীর সন্ধানে ব্যাপক তৎপর ছিল পুলিশ। এক পর্যায়ে গত ১০-সেপ্টেম্বর রাতে কুতুবদিয়া থেকেই ভিকটিমকে উদ্ধার পূর্বক কুতুবদিয়া জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রট আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কুতুবদিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) মো. ইস্রাফিল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত কলেজ ছাত্রী আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে অপহরণ নয় পালিয়েছে বলে বয়ান দেন। দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের ইতি টানতে তারা দুই জনে পালিয়ে গিয়ে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে শাখাওয়াত হোসেনের সাথে বিয়ে করেন বলে জবানবন্দি দেয়। বাদির আবেদনের ভিত্তিতে কুতুবদিয়া সিনিয়র জুড়িসিয়্যাল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভিকটিমকে পিতার জিম্মায় দেন।

ভিকটিম আসমাউল হোসনাকে অন্যত্রে বিয়ে দিচ্ছে বলে ছেলে পরিবারে খবর পাঠালে ছেলে গত ১৬-সেপ্টেম্বর আনুমানিক রাত ৮টার দিকে একদল যুবক নিয়ে মেয়েকে অপহরণ করতে যায়। ঐ সময় মেয়ের পিতা ও ভাই বাঁধা দিলে মারধর করে ওই কলেজ ছাত্রীকে তার বিবাহিত স্ত্রীর দাবিতে মেয়ের পিত্রালয় থেকে তুলে নিয়ে যায়।

আকবরবলী ঘাট এলাকায় স্থানীয় জনতার ধাওয়া ও পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই কলেজ ছাত্রীকে সিএনজিতে রেখে অপহৃততা পালিয়ে যায়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই ইস্রাফিল দি ক্রাইমকে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। তবে পলাতক হওয়ায় এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। প্রাথমিকভাবে ওই কলেজ ছাত্রী পুলিশের উপস্থিতিতে শ্বশুর বাড়িতে ফেরার ইচ্ছা পোষণ করেন বলে জানা গেছে।

কুতুবদিয়া থানার ওসি (তদন্ত) কানন সরকার এ বিষয়ে দি ক্রাইমকে বলেন, একই অভিযোগে একটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

লিটন কুতুবী,কুতুবদিয়া প্রতিনিধি: প্রেমের মরা জলে ডুবে না। দীর্ঘদিনের মন দেয়া নেয়া, অবশেষে পরিবারের অজান্তে নিজেদের প্রণয় প্রতিষ্ঠা করতে দু’জনই অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমায় রাজধানীতে। মেয়ের পক্ষের অপহরণ মামলার অভিযোগে বে- রসিক পুলিশ প্রেমিকাকে আটকপূর্বক উদ্ধার করে বাপের হাতে তুলে দেয়।

যুগল প্রেমিক প্রেমিকা একে অপরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে মরিয়া হয়ে স্ব-স্ব পরিবারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। তারপরও প্রেমিকার পরিবার বিষয়টি মেনে নিতে চরম বিব্রত বোধ করছে। কিন্তু বে রসিক পুলিশ প্রেমিকার পরিবারের কথায় ছেলের পরিবারের উপর চাপ সৃস্টি করে প্রেমিক যুগলের পথের কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রেমিকা কৌশল অবলম্বন করে পুনরায় প্রেমিকের হাত ধরে নিজের অজান্তে আপন মনে স্বপ্নের ঠিকানা খুঁজে নিতে গিয়ে বাঁধার মুখে যুগল প্রেমিক।

ঘটনার সূত্রপাত কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপজেলার উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের বাঁকখালি এলাকার হাবিব উল্লাহর কলেজ পড়ুয়া আসমাউল হোসনা এবং একই এলাকার ছেলে ফরিদ আলমের ছেলে সাখাওয়াত।

বিগত ৪ বছর পূর্বে থেকে তারা উভয়ের মধ্যে মন দেয়া নেয়া চলছিল।তারা একে অপরের হাত ধরে দিন দুপুরে পালিয়ে যায় দুই পরিবারের অজান্তে। মেয়ের পরিবার মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে অবশেষে গত ৫-সেপ্টেম্বর ওই মেয়ের পিতা হাবিব উল্লাহ্ বাদী হয়ে ছেলে,পিতাসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে কুতুবদিয়া থানায় একটি অপহরণ মামলা রুজু করেন। থানা পুলিশ তারই সূত্র ধরে চিরুনী অভিযান চালিয়ে আসমাউল হুসনা নামের ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

অভিযুক্তরা হলেন, ছেলের পিতা ফরিদ আলম, প্রেমিক শাখাওয়াত হোসেন,একই এলাকার মিজানুর রহমান।

পুলিশ সূত্র জানায়, ঘটনায় মামলা রুজু হওয়ার পর অপহৃত কলেজ ছাত্রীর সন্ধানে ব্যাপক তৎপর ছিল পুলিশ। এক পর্যায়ে গত ১০-সেপ্টেম্বর রাতে কুতুবদিয়া থেকেই ভিকটিমকে উদ্ধার পূর্বক কুতুবদিয়া জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রট আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কুতুবদিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) মো. ইস্রাফিল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত কলেজ ছাত্রী আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে অপহরণ নয় পালিয়েছে বলে বয়ান দেন। দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের ইতি টানতে তারা দুই জনে পালিয়ে গিয়ে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে শাখাওয়াত হোসেনের সাথে বিয়ে করেন বলে জবানবন্দি দেয়। বাদির আবেদনের ভিত্তিতে কুতুবদিয়া সিনিয়র জুড়িসিয়্যাল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভিকটিমকে পিতার জিম্মায় দেন।

ভিকটিম আসমাউল হোসনাকে অন্যত্রে বিয়ে দিচ্ছে বলে ছেলে পরিবারে খবর পাঠালে ছেলে গত ১৬-সেপ্টেম্বর আনুমানিক রাত ৮টার দিকে একদল যুবক নিয়ে মেয়েকে অপহরণ করতে যায়। ঐ সময় মেয়ের পিতা ও ভাই বাঁধা দিলে মারধর করে ওই কলেজ ছাত্রীকে তার বিবাহিত স্ত্রীর দাবিতে মেয়ের পিত্রালয় থেকে তুলে নিয়ে যায়।

আকবরবলী ঘাট এলাকায় স্থানীয় জনতার ধাওয়া ও পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই কলেজ ছাত্রীকে সিএনজিতে রেখে অপহৃততা পালিয়ে যায়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই ইস্রাফিল দি ক্রাইমকে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। তবে পলাতক হওয়ায় এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। প্রাথমিকভাবে ওই কলেজ ছাত্রী পুলিশের উপস্থিতিতে শ্বশুর বাড়িতে ফেরার ইচ্ছা পোষণ করেন বলে জানা গেছে।

কুতুবদিয়া থানার ওসি (তদন্ত) কানন সরকার এ বিষয়ে দি ক্রাইমকে বলেন, একই অভিযোগে একটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।