মীর হোসেন মোল্লা (আরমান): আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে। এখন থেকেই বইছে নির্বাচনী হাওয়া। নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তৎপরতা ততই বাড়ছে। নির্বাচনী নানা হিসাব-নিকাশের মধ্যেও প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিএনপি জোট সমর্থিত নেতারাও।
জানা গেছে, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ কামরুল হুদা মনোনয়ন লাভের আশায় কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি নিজ সংসদীয় আসনে গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন।
স্থানীয় ভোটাররা জানান, কুমিল্লা-১১ আসনে কেউ কেউ আলোচনায় থাকলেও আদর্শিক নেতৃত্ব হিসেবে সকলের পছন্দের শীর্ষে রয়েছেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক গরিব- দুঃখী- মেহনতি মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু, আওয়ামী সরকারের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে রাজপথের লড়াকু সৈনিক, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আনুগত্যের নির্ভিক নেতা মোঃ কামরুল হুদা ।
সূত্র জানায়, কুমিল্লা- ১১ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী মোঃ কামরুল হুদা দীর্ঘ একযুগেরও বেশী সময় নিজের মেধা শ্রম এবং অর্থ ব্যয় করে, রাজনীতিতে নিজেকে একজন জনপ্রিয় কর্মী বান্ধব নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি সরকার পতনের লক্ষ্যে হরতাল, অবরোধ, ঘেরাও কর্মসূচি, অসহযোগ আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ এবং রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রনী ভূমিকা পালন করেছেন।
কুমিল্লা-১১ আসনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে অনেকের নাম থাকলেও, কামরুল হুদার কোনো বিকল্প নেই, চৌদ্দগ্রামে নেতৃত্ব দেবার মতো জনবল, পারিবারিক ঐতিহ্য, সামাজিক পরিচিতি, আর্থিক স্বচ্ছলতা, রাজনৈতিক দূরদর্শীতা, আদর্শিক-পরীক্ষিত নেতৃত্ব, পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ ও গ্রহণ যোগ্যতা ইত্যাদি যেসব গুণের প্রয়োজন, সব দিক থেকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ কামরুল হুদা একজন জনপ্রিয় ব্যক্তি হিসেবে বিদ্যামান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানা গেছে, একজন পরিচ্ছন্ন ও সজ্জন রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য। রাজনীতির বাইরেও সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াঙ্গনে তাঁর দীপ্ত পদচারণা রয়েছে। মুক্ত চিন্তা চেতনার অধিকারী মোঃ কামরুল হুদা দলীয় নেতা হয়েও রূপান্তরিত হয়ে উঠে সর্বদলীয় মানুষের প্রিয় ভাজন ব্যাক্তি হিসাবে। দক্ষ সংগঠক হিসেবে চৌদ্দগ্রামের রাজনীতির অপরিহার্য মুখে পরিণত হন। হয়ে উঠেন প্রগতিশীল রাজনীতির প্রিয় মুখ। নিজের সুখ স্বাচ্ছন্দ্য না খুঁজে- রাজনীতি ও সংগঠনের জন্য নিবেদিত। কামরুল হুদা কর্মীদের কাছে একজন আদর্শবান মানুষ। নীতি, নৈতিকতা বজায় রেখে সাংগঠনিক কর্মকান্ড গতিশীল রাখা ও দলের নেতাকর্মীদের ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখতে তিনি সদা তৎপর। স্বচ্ছ ব্যক্তি ইমেজ নিয়ে মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে সংগঠনের কল্যাণে মৃদুভাষী এই মানুষটি অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শিল্পপতি মোঃ কামরুল হুদা বলেন, আমি চাই চৌদ্দগ্রামের অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে। আমি বিশ্বাস করি দল আমাকে এ আসনে মনোনয়ন দিলে, দলমত নির্বিশেষে আমি ব্যাপক ভোটে জয়লাভ করবো এবং নির্বাচিত হয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্টের কথা পার্লামেন্টে তুলে ধরবো। তিনি চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবার, দখলবাজ, ভূমিদস্যু, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত একটি সুন্দর স্বনির্ভর সু- শিক্ষিত কুমিল্লা-১১ আসনকে গড়ে তোলার আশা ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, সমাজ থেকে চাদাবাজ, দুর্নীতিবার, দখলবাজ, ভূমিদস্যু, মাদক, বাল্যবিবাহ, ও সন্ত্রাস নির্মূল করব। উন্নয়নে আমি বদ্ধপরিকর। শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে বেকার সমস্যা দূর করব। আধুনিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা গতিশীল করব। সবার কাছে আমি দোয়া চাই।
জানা যায়, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেলে এ আসনটি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উপহার দেবেন এবং এলাকার মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য নিজেকে নিবেদিত করতে অঙ্গীকার করেন তিনি ।




