নগর প্রতিবেদকঃ চলতি বছরের শুরু থেকে টানা ৫ মাস রাজস্ব আদায়ে ক্রমাগত ঋণাত্মক প্রবদ্ধির পরও অর্থবছরের শেষের দিকে রাজস্ব বৃদ্ধির কারণে সদ্য সমাপ্ত ২০২২-২৩ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রাজস্ব আহরণ হয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমসে। তবে দেশের সবচেয়ে বড় শুল্ক স্টেশন চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে রেকর্ড ৬১ হাজার ৪৬৪ দশমিক ৭২ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হলেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক নির্ধারিত ৭৪ হাজার ২০৬ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম আদায় হয়েছে ১৭ শতাংশ।

সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২১-২২ অর্থবছরের ৫৯ হাজার ১৫৯ দশমিক ৮৩ কোটি টাকার তুলনায় ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাজস্ব আয় বেড়েছে ৩ দশমিক ৯০ শতাংশ। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের শেষ দুই মাসে আমদানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজস্ব আদায় বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

কর্তৃপক্ষ বলছেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার এ সময়ে কাস্টম হাউসের রাজস্ব আয়ের এমন রেকর্ড দেশের অর্থনীতির জন্য নিঃসন্দেহে ইতিবাচক খবর। চোরাচালান রোধ, জালিয়াতি বন্ধসহ শুল্ক ফাঁকি রোধে কাস্টমসের নানান উদ্যোগের ফলে রাজস্ব আদায় বেড়েছে। বাজেট পাসের আগে মে ও জুন মাসে গাড়ি আমদানি বেড়ে যায়। এতে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণও বাড়ে।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, রাজস্ব আদায় বেশি হয় এমন পণ্য যেমন- গাড়ি, কসমেটিকস, ইক্ট্রেনিক্সসহ বিলাসজাতীয় পণ্য আমদানি কমে যাওয়ায় ২০২৩ অর্থবছরের প্রথম দিকে রাজস্ব আদায় কম হয়েছিল। তবে বাজেটের আগে মে এবং জুনে গাড়ি আমদানি বেড়ে যাওয়ায় রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বেড়ে যায়।

কাস্টম হাউসের তথ্য মতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে জুন মাসে ৬ হাজার ৩৬৫ দশমিক ৭১ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। এর আগে মে মাসে ৬৩০৮ দশমিক ৯১ কোটি টাকা, এপ্রিলে ৪৫৩৪ দশমিক ৫ কোটি টাকা, মার্চে ৫০৫২ দশমিক ৫২ কোটি টাকা, ফেব্রুয়ারিতে ৪২৮৭ দশমিক ৭৯ কোটি টাকা এবং জানুয়ারিতে ৪৭৪৪ দশমিক ৬১ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হয়।

এছাড়া বিগত ডিসেম্বরে ৪৩৮৮ দশমিক ৫ কোটি টাকা, নভেম্বরে ৫৪৭৯ দশমিক ৫৬ কোটি টাকা, অক্টোবরে ৪৯১৮ দশমিক ৬৫ কোটি টাকা, সেপ্টেম্বরে ৫১০৫ দশমিক ১৮ কোটি টাকা, আগস্টে ৫৪৯৮ দশমিক ৪৮ কোটি টাকা এবং জুলাই মাসে আদায় হয় ৪৭৮১ দশমিক ২১ কোটি টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট ৬১,৪৬৪ দশমিক ৭২ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে।

এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার বলেন, ২০২২-২৩ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রাজস্ব আদায় হয়েছে। এটি চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের জন্য মাইলফলক। দেশের অর্থনীতির জন্য নিঃসন্দেহে ইতিবাচক খবর।

তিনি বলেন, কাস্টমসের নানান উদ্যোগের ফলে রাজস্ব আদায় বেড়েছে। আমদানি ২০২১-২২ অর্থবছরে মতো স্বাভাবিক থাকলে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হতো।

কাস্টম হাউসের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের সেপ্টেম্বর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিল মাসে কাস্টমসে রাজস্ব আদায়ে ক্রমাগত ঋণাত্মক প্রবদ্ধি হয়।

রাজস্ব আদায়ের বিষয়ে ব্যবসায়ীরা বলেন, অর্থবছরের শেষের দিকে আমদানি বৃদ্ধির প্রবণতা থাকে। নতুন বাজেটে বিভিন্ন পণ্যের শুল্ক বৃদ্ধির আশঙ্কা থেকে আমদানিকারকরা বাড়তি পণ্য আমদানিতে নজর দেন। এ কারণে অর্থবছরের শেষ দিকে অর্থাৎ এপ্রিল-মে ও জুন মাসে আমদানি পূর্বের মাসগুলোর তুলনায় বেড়ে যায়।

নগর প্রতিবেদকঃ চলতি বছরের শুরু থেকে টানা ৫ মাস রাজস্ব আদায়ে ক্রমাগত ঋণাত্মক প্রবদ্ধির পরও অর্থবছরের শেষের দিকে রাজস্ব বৃদ্ধির কারণে সদ্য সমাপ্ত ২০২২-২৩ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রাজস্ব আহরণ হয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমসে। তবে দেশের সবচেয়ে বড় শুল্ক স্টেশন চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে রেকর্ড ৬১ হাজার ৪৬৪ দশমিক ৭২ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হলেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক নির্ধারিত ৭৪ হাজার ২০৬ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম আদায় হয়েছে ১৭ শতাংশ।

সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২১-২২ অর্থবছরের ৫৯ হাজার ১৫৯ দশমিক ৮৩ কোটি টাকার তুলনায় ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাজস্ব আয় বেড়েছে ৩ দশমিক ৯০ শতাংশ। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের শেষ দুই মাসে আমদানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজস্ব আদায় বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

কর্তৃপক্ষ বলছেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার এ সময়ে কাস্টম হাউসের রাজস্ব আয়ের এমন রেকর্ড দেশের অর্থনীতির জন্য নিঃসন্দেহে ইতিবাচক খবর। চোরাচালান রোধ, জালিয়াতি বন্ধসহ শুল্ক ফাঁকি রোধে কাস্টমসের নানান উদ্যোগের ফলে রাজস্ব আদায় বেড়েছে। বাজেট পাসের আগে মে ও জুন মাসে গাড়ি আমদানি বেড়ে যায়। এতে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণও বাড়ে।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, রাজস্ব আদায় বেশি হয় এমন পণ্য যেমন- গাড়ি, কসমেটিকস, ইক্ট্রেনিক্সসহ বিলাসজাতীয় পণ্য আমদানি কমে যাওয়ায় ২০২৩ অর্থবছরের প্রথম দিকে রাজস্ব আদায় কম হয়েছিল। তবে বাজেটের আগে মে এবং জুনে গাড়ি আমদানি বেড়ে যাওয়ায় রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বেড়ে যায়।

কাস্টম হাউসের তথ্য মতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে জুন মাসে ৬ হাজার ৩৬৫ দশমিক ৭১ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। এর আগে মে মাসে ৬৩০৮ দশমিক ৯১ কোটি টাকা, এপ্রিলে ৪৫৩৪ দশমিক ৫ কোটি টাকা, মার্চে ৫০৫২ দশমিক ৫২ কোটি টাকা, ফেব্রুয়ারিতে ৪২৮৭ দশমিক ৭৯ কোটি টাকা এবং জানুয়ারিতে ৪৭৪৪ দশমিক ৬১ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হয়।

এছাড়া বিগত ডিসেম্বরে ৪৩৮৮ দশমিক ৫ কোটি টাকা, নভেম্বরে ৫৪৭৯ দশমিক ৫৬ কোটি টাকা, অক্টোবরে ৪৯১৮ দশমিক ৬৫ কোটি টাকা, সেপ্টেম্বরে ৫১০৫ দশমিক ১৮ কোটি টাকা, আগস্টে ৫৪৯৮ দশমিক ৪৮ কোটি টাকা এবং জুলাই মাসে আদায় হয় ৪৭৮১ দশমিক ২১ কোটি টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট ৬১,৪৬৪ দশমিক ৭২ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে।

এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার বলেন, ২০২২-২৩ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রাজস্ব আদায় হয়েছে। এটি চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের জন্য মাইলফলক। দেশের অর্থনীতির জন্য নিঃসন্দেহে ইতিবাচক খবর।

তিনি বলেন, কাস্টমসের নানান উদ্যোগের ফলে রাজস্ব আদায় বেড়েছে। আমদানি ২০২১-২২ অর্থবছরে মতো স্বাভাবিক থাকলে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হতো।

কাস্টম হাউসের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের সেপ্টেম্বর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিল মাসে কাস্টমসে রাজস্ব আদায়ে ক্রমাগত ঋণাত্মক প্রবদ্ধি হয়।

রাজস্ব আদায়ের বিষয়ে ব্যবসায়ীরা বলেন, অর্থবছরের শেষের দিকে আমদানি বৃদ্ধির প্রবণতা থাকে। নতুন বাজেটে বিভিন্ন পণ্যের শুল্ক বৃদ্ধির আশঙ্কা থেকে আমদানিকারকরা বাড়তি পণ্য আমদানিতে নজর দেন। এ কারণে অর্থবছরের শেষ দিকে অর্থাৎ এপ্রিল-মে ও জুন মাসে আমদানি পূর্বের মাসগুলোর তুলনায় বেড়ে যায়।