উত্তরা প্রতিনিধি, ইজাজুলঃ রাজনীতি করে য়ারা’, তাদের চরম প্রাপ্তি হলো ‘ক্ষমতায় যাওয়া’। এবং ‘যাওয়া’র পর ক্ষমতায় ‘থাকা’। ক্ষমতা যাওয়া-থাকাই হলো রাজনীতির মূল কথা। অবশ্য তর্কের খাতিরে ধরে নিতে পারি যে শুধু ক্ষমতার জন্যই রাজনীতি না, ক্ষমতায় গিয়ে জনগণের কল্যাণের জন্য দেশ-জাতির ভালোর চেষ্টা করাও রাজনীতি। অতীতে আদর্শবাদী সময়ে এমন ধারণাই প্রচলিত ছিল যে জনগণের কল্যাণের জন্যই ক্ষমতায় যাওয়া।

অবশ্য ওসব পুরোনো দিনের কথা। এখন দিনকাল পাল্টে গেছে। ক্ষমতাসীন দলের ছত্র ছাঁয়ায় থেকে নিজের আখেঁর গোছানো । রাজধানীর পল্লবীর মোল্লা বাড়ির রাজনীতির আমল নামায় এই চিত্র জনগণকে হতাশ করেছে। মোল্লা বাড়ির রাজনীতির একাল- সেকাল সাধারণ মানুষের মনে ঘৃণার জন্ম দিয়েছে।

ঢাকা ১৬ আসনের এ চিত্রটির সাথে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গনের নেত্রীবৃন্দরা এমনকি বিশিষ্ট জনেরাও পরিচিত। রাজধানীর ঢাকা ১৬ আসনে ক্ষমতাসীন দলের এমপি ইলিয়াস মোল্লা ও তার পেটুয়া বাহিনীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদক ব্যবসা, চোরাচালান, জমি দখলসহ নানা অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে।

শুধু তাই নয়, পাশাপাশি টিআর-কাবিখা প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে লুটপাট, অনিয়ম, দুর্নীতিসহ দলের অভ্যন্তরে আন্তঃকোন্দল জিঁইয়ে রাখছেন তারা। এমপির নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী দিয়ে ঘটাচ্ছেন তাদের লাগামহীন অপকর্ম। যা কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না। এ আসনে তৃণমূল পর্যায়ের এমন কোনো আর্থিক খাত নেই, যেখান থেকে তার নামে টাকার ভাগ যাচ্ছে না।

তবে মিরপুর আওমীলীগের রাজনৈতিক অঙ্গন পর্যবেক্ষন করে দেখা গেছে, মোল্লা বাড়িরই আওয়াজ বেশি কিন্তু মাঠে দলের জন্য কোন অবদান নাই।

লোকও মূখে শোনা যায়, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের খুনি মোস্তাক ৮১ দিন ক্ষমতায় ছিল। সেই সময় খুনি মোস্তাকের ডেমোক্রেটিক পার্টির একটি জনসভায় মিরপুরে হারুন মোল্লা তার দলে যোগ দিয়েছিল।

মোস্তাকের পতনের পর সূত্র মতে, ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ্‌র বাবা হারুন মোল্লাহ্‌ ছিলেন ১৯৯১ সালের নির্বাচনের সাংসদ। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জয় পান তিনি। হারুন মোল্লাহ্‌ হারিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ড. কামাল হোসেনকে। হারুন মোল্লাহ্‌র আকস্মিক মৃত্যুতে বহুল আলোচিত উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে জয় পান বিএনপির এস এ খালেকের ছেলে সৈয়দ মোহাম্মদ মহসিন। এরপর থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত মোল্লাহ্‌ পরিবারের কাছ থেকে হাতছাড়া থাকে মিরপুরের এ আসনটি। তারপর ২০০৮ সালে এমপি হারুন মোল্লার ছেলে ও পল্লবী থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি ইলিয়াস মোল্লার হাতে পড়ে এই আসন। আবার খুনি মোস্তাকের পেত্নাত্তারা ভর করে মোল্লা বাড়িতে।

উত্তরা প্রতিনিধি, ইজাজুলঃ রাজনীতি করে য়ারা’, তাদের চরম প্রাপ্তি হলো ‘ক্ষমতায় যাওয়া’। এবং ‘যাওয়া’র পর ক্ষমতায় ‘থাকা’। ক্ষমতা যাওয়া-থাকাই হলো রাজনীতির মূল কথা। অবশ্য তর্কের খাতিরে ধরে নিতে পারি যে শুধু ক্ষমতার জন্যই রাজনীতি না, ক্ষমতায় গিয়ে জনগণের কল্যাণের জন্য দেশ-জাতির ভালোর চেষ্টা করাও রাজনীতি। অতীতে আদর্শবাদী সময়ে এমন ধারণাই প্রচলিত ছিল যে জনগণের কল্যাণের জন্যই ক্ষমতায় যাওয়া।

অবশ্য ওসব পুরোনো দিনের কথা। এখন দিনকাল পাল্টে গেছে। ক্ষমতাসীন দলের ছত্র ছাঁয়ায় থেকে নিজের আখেঁর গোছানো । রাজধানীর পল্লবীর মোল্লা বাড়ির রাজনীতির আমল নামায় এই চিত্র জনগণকে হতাশ করেছে। মোল্লা বাড়ির রাজনীতির একাল- সেকাল সাধারণ মানুষের মনে ঘৃণার জন্ম দিয়েছে।

ঢাকা ১৬ আসনের এ চিত্রটির সাথে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গনের নেত্রীবৃন্দরা এমনকি বিশিষ্ট জনেরাও পরিচিত। রাজধানীর ঢাকা ১৬ আসনে ক্ষমতাসীন দলের এমপি ইলিয়াস মোল্লা ও তার পেটুয়া বাহিনীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদক ব্যবসা, চোরাচালান, জমি দখলসহ নানা অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে।

শুধু তাই নয়, পাশাপাশি টিআর-কাবিখা প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে লুটপাট, অনিয়ম, দুর্নীতিসহ দলের অভ্যন্তরে আন্তঃকোন্দল জিঁইয়ে রাখছেন তারা। এমপির নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী দিয়ে ঘটাচ্ছেন তাদের লাগামহীন অপকর্ম। যা কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না। এ আসনে তৃণমূল পর্যায়ের এমন কোনো আর্থিক খাত নেই, যেখান থেকে তার নামে টাকার ভাগ যাচ্ছে না।

তবে মিরপুর আওমীলীগের রাজনৈতিক অঙ্গন পর্যবেক্ষন করে দেখা গেছে, মোল্লা বাড়িরই আওয়াজ বেশি কিন্তু মাঠে দলের জন্য কোন অবদান নাই।

লোকও মূখে শোনা যায়, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের খুনি মোস্তাক ৮১ দিন ক্ষমতায় ছিল। সেই সময় খুনি মোস্তাকের ডেমোক্রেটিক পার্টির একটি জনসভায় মিরপুরে হারুন মোল্লা তার দলে যোগ দিয়েছিল।

মোস্তাকের পতনের পর সূত্র মতে, ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ্‌র বাবা হারুন মোল্লাহ্‌ ছিলেন ১৯৯১ সালের নির্বাচনের সাংসদ। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জয় পান তিনি। হারুন মোল্লাহ্‌ হারিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ড. কামাল হোসেনকে। হারুন মোল্লাহ্‌র আকস্মিক মৃত্যুতে বহুল আলোচিত উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে জয় পান বিএনপির এস এ খালেকের ছেলে সৈয়দ মোহাম্মদ মহসিন। এরপর থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত মোল্লাহ্‌ পরিবারের কাছ থেকে হাতছাড়া থাকে মিরপুরের এ আসনটি। তারপর ২০০৮ সালে এমপি হারুন মোল্লার ছেলে ও পল্লবী থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি ইলিয়াস মোল্লার হাতে পড়ে এই আসন। আবার খুনি মোস্তাকের পেত্নাত্তারা ভর করে মোল্লা বাড়িতে।