নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির আন্দোলনের গতি কমে গেছে, গলার জোড় বেড়ে গেছে। তারা ১০ তারিখ দেশ দখল করে, পরের দিন খালেদা জিয়া দেশ চালায়। তারপর তারেক রহমানের ডাকে তাদের নেতা কর্মীরা হান্ডি, পাতিল, লোটা কম্বল নিয়ে সাতদিন ধরে এক এক সমাবেশের নামে পিকনিক করে। তারা লাল কার্ড থেকে নিরব পদযাত্রায় আর আজকে শুনলাম নিরীহ মানববন্ধন করবে। আজ শনিবার (০৪ মার্চ) নগরীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোছলেম উদ্দিন এমপি’র শোকসভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রধান অতিথি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি লুপাটের কথা উল্লেখ করে আমাদেরকে বর্গী বলে। আপনারা কি হাওয়া ভবনের কথা ভুলে গেছেন? আপনারা কি ভুলে গেছেন আমেরিকা ও সিঙ্গাপুরে বিএনপির পাচার করা হাজার হাজার কোটি টাকার কথা? মনে রাখবেন, বর্গী চেয়েও ভয়ংকর বিএনপি নামক লুটেরা দল। এরা ক্ষমতায় গেলে গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা গিলে খাবে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোছলেম উদ্দিন আহমদ এমপির স্মরণ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির অস্থায়ী সদস্য গয়েশ্বর বাবু বলে, আগামী নির্বাচনে বিএনপি না আসলে আওয়ামী লীগ অস্তিত্ব সংকটে পরবে। ২০১৪ সালে তারা নির্বাচনে আসেনি। ২০১৮ সালে বিএনপি এসেও আসেনি কারণ তারা সে নির্বাচনে মাত্র ৬টি আসন পেয়েছিল। তখন আওয়ামী লীগ নয়, বিএনপি অস্তিত্ব সংকটে পরেছে। সুতরাং আগামী নির্বাচনে না আসলে আওয়ামী লীগ নয়, বিএনপি’ই অস্তিত্ব সংকটে পরবে। তবে বিএনপি নির্বাচনে না আসলে বিএনপির মধ্যে ব্রাহ্মণবারীয়ার উকিল আবদুস সাত্তারের মতন শত শত আবদুস সত্তার তৈরী হয়ে আছে নির্বাচনে আসার জন্য।

অনুষ্ঠানে বক্তরা মোছলেম উদ্দিন এমপি’র স্মৃতির কথা স্মরণ করে বলেন, মোছলেম উদ্দিন আহমদের জীবন থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। কারণ, তিনি কর্মী থেকে নেতা হয়েছিলেন অনেক ত্যাগ তিতীক্ষার মাধ্যমে।

শোকসভায় চটগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাবউদ্দিন চৌধুরী এর সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক আওয়ামী ছিলেন লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি।

এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন ভূমি মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এমপি, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এম. রেজাউল চৌধুরী, জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরী, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অর্থ পরিকল্পনা সম্পাদক ওয়াশিকা আয়েশা খান, ত্রাণ সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াসহ চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির আন্দোলনের গতি কমে গেছে, গলার জোড় বেড়ে গেছে। তারা ১০ তারিখ দেশ দখল করে, পরের দিন খালেদা জিয়া দেশ চালায়। তারপর তারেক রহমানের ডাকে তাদের নেতা কর্মীরা হান্ডি, পাতিল, লোটা কম্বল নিয়ে সাতদিন ধরে এক এক সমাবেশের নামে পিকনিক করে। তারা লাল কার্ড থেকে নিরব পদযাত্রায় আর আজকে শুনলাম নিরীহ মানববন্ধন করবে। আজ শনিবার (০৪ মার্চ) নগরীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোছলেম উদ্দিন এমপি’র শোকসভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রধান অতিথি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি লুপাটের কথা উল্লেখ করে আমাদেরকে বর্গী বলে। আপনারা কি হাওয়া ভবনের কথা ভুলে গেছেন? আপনারা কি ভুলে গেছেন আমেরিকা ও সিঙ্গাপুরে বিএনপির পাচার করা হাজার হাজার কোটি টাকার কথা? মনে রাখবেন, বর্গী চেয়েও ভয়ংকর বিএনপি নামক লুটেরা দল। এরা ক্ষমতায় গেলে গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা গিলে খাবে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোছলেম উদ্দিন আহমদ এমপির স্মরণ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির অস্থায়ী সদস্য গয়েশ্বর বাবু বলে, আগামী নির্বাচনে বিএনপি না আসলে আওয়ামী লীগ অস্তিত্ব সংকটে পরবে। ২০১৪ সালে তারা নির্বাচনে আসেনি। ২০১৮ সালে বিএনপি এসেও আসেনি কারণ তারা সে নির্বাচনে মাত্র ৬টি আসন পেয়েছিল। তখন আওয়ামী লীগ নয়, বিএনপি অস্তিত্ব সংকটে পরেছে। সুতরাং আগামী নির্বাচনে না আসলে আওয়ামী লীগ নয়, বিএনপি’ই অস্তিত্ব সংকটে পরবে। তবে বিএনপি নির্বাচনে না আসলে বিএনপির মধ্যে ব্রাহ্মণবারীয়ার উকিল আবদুস সাত্তারের মতন শত শত আবদুস সত্তার তৈরী হয়ে আছে নির্বাচনে আসার জন্য।

অনুষ্ঠানে বক্তরা মোছলেম উদ্দিন এমপি’র স্মৃতির কথা স্মরণ করে বলেন, মোছলেম উদ্দিন আহমদের জীবন থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। কারণ, তিনি কর্মী থেকে নেতা হয়েছিলেন অনেক ত্যাগ তিতীক্ষার মাধ্যমে।

শোকসভায় চটগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাবউদ্দিন চৌধুরী এর সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক আওয়ামী ছিলেন লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি।

এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন ভূমি মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এমপি, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এম. রেজাউল চৌধুরী, জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরী, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অর্থ পরিকল্পনা সম্পাদক ওয়াশিকা আয়েশা খান, ত্রাণ সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াসহ চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।