নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্তমান বাংলাদেশে একটি মাফিয়াতন্ত্র চলছে। আমাদের সংবিধান সাধারণ মানুষের ন্যুনতম অধিকার রক্ষা করার মতো অবস্থায় নেই। সরকার সংবিধানকে পূঁজি করে লুটপাট, দখল সহ মানুষের অধিকারকে কেড়ে নিতে প্রতিনিয়ত অপচেষ্টা চালাচ্ছে। স্বৈরাচারী অবৈধ সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরাতে না পারলে বাংলাদেশের মানুষের প্রকৃত মুক্তি হবে না। আজ শুক্রবার (০৩ মার্চ)বিকালে গণসংহতি আন্দোলন চট্টগ্রাম জেলার প্রথম সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলটির প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম জেলার আহ্বায়ক হাসান মারুফ রুমি।

প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে জোনায়েদ সাকি বলেন, আজকে বাংলাদেশের সমস্ত প্রতিষ্ঠান, আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী নিজেদের পকেটে নিয়ে রেখেছে। প্রশাসন ও আমলাতন্ত্রকে দূনীর্তির সুযোগ দিয়ে নিজেদের পকেটে পুরে গোষ্ঠীটি সমস্ত জুলুম -নির্যাতন, লুটপাট, অর্থ পাচার সবকিছু অনায়াসে করছে। যারা এসবের বিরুদ্ধে কথা বলে তাদেরকে নানাভাবে হুমকি-ধামকি, মামলা ও রাষ্ট্রীয় বাহিনী দ্বারা নির্যাতন করছে। এই রাষ্ট্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্যাতন করার যে কতটা ভয়াবহভাবে হাজির হয়েছে সেটা আমরা দেখি এই বাহিনীকে আন্তর্জাতিকভাবে নিষেধাজ্ঞায় পড়তে হয়েছে। যেটা দেশ হিসাবে আমাদের জন্য খুবই লজ্জাজনক।

সম্মেলনে হাসান মারুফ রুমীকে সমন্বয়কারী ও ফরহাদ জামান জনিকে নির্বাহী সমন্বয়কারী করে গণসংহতি আন্দোলন চট্টগ্রাম জেলার ২৯ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয় ।

সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বর্তমান কর্তৃত্ববাদী শাসকের লুণ্ঠন নির্যাতন-নিপীড়ন, অপমানের জীবনই দেশের মানুষের নিত্য নিয়তিতে পরিণত হয়েছে। ২০১৪ সালে বিনাভোটের সরকার ও ২০১৮ সালে মধ্যেরাতের ভোট ডাকাতির মাধ্যমে জবরদস্তি করে বর্তমান সরকার ফ্যাসিবাদী শাসনের ধারা অব্যাহত রেখেছে। জনগণের ম্যান্ডেটহীন এ সরকারের সাথে জনগণের কোন সম্পর্ক
নাই। দফায় দফায় অযৌক্তিক ভাবে গ্যাস ও বিদ্যুৎ এর দাম বৃদ্ধি, ব্যাংক থেকে হাজার কোটি টাকা লুটপাট-পাচার, দখলদারিত্ব,গুম-খুন এখন স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। নারী নিপীড়ন যেকোন সময়ের চেয়ে বেড়ে গেছে।

বক্তারা আরো বলেন, চট্টগ্রাম বিপুল ব্যয়ে টানেল, ফ্লাইওভার, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করেছে। যার অধিকাংশ ঘোড়া আগে গাড়ি জুড়ে দেয়ার মতো অবস্থা। চট্টগ্রাম মহানগরের অভ্যন্তরে উত্তর ও দক্ষিণ চট্টগ্রামে যাতায়তের কোন সুপরিকল্পিত জনবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। চিকিৎসার দিক বিবেচনা করলে চট্টগ্রামের অবস্থা আরো নাজুক। গত ৫০ বছরে এখানে কোন সরকারী উল্লেখযোগ্য চিকিংসা স্থাপনা বা হাসপাতল গড়ে ওঠেনি। কেবলমাত্র স্বৈতান্ত্রিক ও লুটপাটের সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠান করা গেলে জনগণের আশা আকা․খার বাস্তবায়ন হবে।

সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন, গণসংহতি আন্দোলনের নেতা অধ্যাপক আমির উদ্দীন, গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. অপূর্ব নাথ, জেলা কমিটির অন্যতম সদস্য ও শ্রমিক নেতা মির্জা আবুল বশর, অ্যাডভোকেট ফাহিম শরীফ খান,নাসির জোশি, গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতি’র কেন্দ্রীয় নেতা শহিদ শিমুল, গণসংহতি আন্দোলনের নেতা মোজাফফর আহম্মেদ, মো.হারুন, পাঁচলাইশ শাখার আহ্বায়ক মিজানুর রহিম চৌধুরী, ডবলমুরিং শাখার আহ্বায়ক হাসান মুরাদ শাহ, কোতোযালী শাখার সদস্য সচিব অ্যাড. শাহাদাত হোসেন মানিক, চান্দগাঁও শাখার আহ্বায়ক মাসুদ ইকবাল, সীতাকুন্ড শাখার আহ্বায়ক জাহিদুল আলম আল জাহিদ, বাকলিয়ার সংগঠক মোর্শেদুল আলম, বহুমুখী শ্রমজীবী ও হকার সমিতি নেতার সাধন দত্ত, গার্মেন্ট শ্রমিক
নেতা মো. সোহাগ প্রমুখ।

নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্তমান বাংলাদেশে একটি মাফিয়াতন্ত্র চলছে। আমাদের সংবিধান সাধারণ মানুষের ন্যুনতম অধিকার রক্ষা করার মতো অবস্থায় নেই। সরকার সংবিধানকে পূঁজি করে লুটপাট, দখল সহ মানুষের অধিকারকে কেড়ে নিতে প্রতিনিয়ত অপচেষ্টা চালাচ্ছে। স্বৈরাচারী অবৈধ সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরাতে না পারলে বাংলাদেশের মানুষের প্রকৃত মুক্তি হবে না। আজ শুক্রবার (০৩ মার্চ)বিকালে গণসংহতি আন্দোলন চট্টগ্রাম জেলার প্রথম সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলটির প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম জেলার আহ্বায়ক হাসান মারুফ রুমি।

প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে জোনায়েদ সাকি বলেন, আজকে বাংলাদেশের সমস্ত প্রতিষ্ঠান, আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী নিজেদের পকেটে নিয়ে রেখেছে। প্রশাসন ও আমলাতন্ত্রকে দূনীর্তির সুযোগ দিয়ে নিজেদের পকেটে পুরে গোষ্ঠীটি সমস্ত জুলুম -নির্যাতন, লুটপাট, অর্থ পাচার সবকিছু অনায়াসে করছে। যারা এসবের বিরুদ্ধে কথা বলে তাদেরকে নানাভাবে হুমকি-ধামকি, মামলা ও রাষ্ট্রীয় বাহিনী দ্বারা নির্যাতন করছে। এই রাষ্ট্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্যাতন করার যে কতটা ভয়াবহভাবে হাজির হয়েছে সেটা আমরা দেখি এই বাহিনীকে আন্তর্জাতিকভাবে নিষেধাজ্ঞায় পড়তে হয়েছে। যেটা দেশ হিসাবে আমাদের জন্য খুবই লজ্জাজনক।

সম্মেলনে হাসান মারুফ রুমীকে সমন্বয়কারী ও ফরহাদ জামান জনিকে নির্বাহী সমন্বয়কারী করে গণসংহতি আন্দোলন চট্টগ্রাম জেলার ২৯ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয় ।

সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বর্তমান কর্তৃত্ববাদী শাসকের লুণ্ঠন নির্যাতন-নিপীড়ন, অপমানের জীবনই দেশের মানুষের নিত্য নিয়তিতে পরিণত হয়েছে। ২০১৪ সালে বিনাভোটের সরকার ও ২০১৮ সালে মধ্যেরাতের ভোট ডাকাতির মাধ্যমে জবরদস্তি করে বর্তমান সরকার ফ্যাসিবাদী শাসনের ধারা অব্যাহত রেখেছে। জনগণের ম্যান্ডেটহীন এ সরকারের সাথে জনগণের কোন সম্পর্ক
নাই। দফায় দফায় অযৌক্তিক ভাবে গ্যাস ও বিদ্যুৎ এর দাম বৃদ্ধি, ব্যাংক থেকে হাজার কোটি টাকা লুটপাট-পাচার, দখলদারিত্ব,গুম-খুন এখন স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। নারী নিপীড়ন যেকোন সময়ের চেয়ে বেড়ে গেছে।

বক্তারা আরো বলেন, চট্টগ্রাম বিপুল ব্যয়ে টানেল, ফ্লাইওভার, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করেছে। যার অধিকাংশ ঘোড়া আগে গাড়ি জুড়ে দেয়ার মতো অবস্থা। চট্টগ্রাম মহানগরের অভ্যন্তরে উত্তর ও দক্ষিণ চট্টগ্রামে যাতায়তের কোন সুপরিকল্পিত জনবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। চিকিৎসার দিক বিবেচনা করলে চট্টগ্রামের অবস্থা আরো নাজুক। গত ৫০ বছরে এখানে কোন সরকারী উল্লেখযোগ্য চিকিংসা স্থাপনা বা হাসপাতল গড়ে ওঠেনি। কেবলমাত্র স্বৈতান্ত্রিক ও লুটপাটের সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠান করা গেলে জনগণের আশা আকা․খার বাস্তবায়ন হবে।

সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন, গণসংহতি আন্দোলনের নেতা অধ্যাপক আমির উদ্দীন, গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. অপূর্ব নাথ, জেলা কমিটির অন্যতম সদস্য ও শ্রমিক নেতা মির্জা আবুল বশর, অ্যাডভোকেট ফাহিম শরীফ খান,নাসির জোশি, গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতি’র কেন্দ্রীয় নেতা শহিদ শিমুল, গণসংহতি আন্দোলনের নেতা মোজাফফর আহম্মেদ, মো.হারুন, পাঁচলাইশ শাখার আহ্বায়ক মিজানুর রহিম চৌধুরী, ডবলমুরিং শাখার আহ্বায়ক হাসান মুরাদ শাহ, কোতোযালী শাখার সদস্য সচিব অ্যাড. শাহাদাত হোসেন মানিক, চান্দগাঁও শাখার আহ্বায়ক মাসুদ ইকবাল, সীতাকুন্ড শাখার আহ্বায়ক জাহিদুল আলম আল জাহিদ, বাকলিয়ার সংগঠক মোর্শেদুল আলম, বহুমুখী শ্রমজীবী ও হকার সমিতি নেতার সাধন দত্ত, গার্মেন্ট শ্রমিক
নেতা মো. সোহাগ প্রমুখ।