নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে নূর আহমদ সড়কে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, তেল সহ নিত্যদ্রব্য মূল্য উর্ধ্বগতি কমানোর লক্ষ্যে ১০ দফা বাস্তবায়নের আলোকে অবৈধ সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার (০২ফেব্রুয়ারি)দুপুরে  চট্টগ্রাম বিভাগীয় মহা সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগের উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা নাসিমন ভবন দলীয় কার্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সভাপতি এ. এম. নাজিম উদ্দিন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, অবৈধ সরকার দুর্নীতির মাধ্যমে দেশের কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করছে। যার কারণে আজকে দফায় দফায় বিদ্যুতের দাম লাগামহীনভাবে বাড়াচ্ছে। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির কারণে মানুষ আজ দিশেহারা। অবিলম্বে এই অগণতান্ত্রিক সরকারের পদত্যাগের দাবিতে যে কোন মূল্যে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য সমাবেশ সফল করতে হবে। তারেক রহমানের ডাকে জনগণ রাজপথে নেমে এসেছে। এর মধ্যেই সরকারের দুর্নীতিবাজরা পালাতে শুরু করেছে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, প্রশাসনের কিছু অসাধু ব্যক্তির কারণে আজও দুর্নীতিবাজরা টিকে আছে। ইনশাআল্লাহ, সাধারণ জনগণের গণ আন্দোলনের মাধ্যমেই বর্তমান সরকারের পতন ঘটবে। দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার, ভোটের অধিকার বলতে কিছুই নেই। প্রতিটি নির্বাচনের ব্যবস্থা দলীয়করণের মাধ্যমে বাকশালী চরিত্র তাদের ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে সবগুলো নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতা বিহীন। তারপরও জনআতঙ্কের মধ্যে সরকার ভয় পাচ্ছে।

প্রধান বক্তা চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব আবুল হাসেম বক্কর বলেন, সরকার বিএনপির জনপ্রিয়তাকে ভয় করে বলে তাদের এমপি মন্ত্রীদের আবোল তাবোল বকছে। ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগের দেউলিয়াতার প্রমাণ করে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রশাসনকে অপব্যবহার করছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশে শ্রমিক জনতার উপস্থিতি প্রমাণ হবে এই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি কত বড় অস্ত্রের চেয়েও শক্তিশালী। আওয়ামী লীগ জনগণকে ভয় করে বলে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ওরা বোঝে না। ওরা বোঝে অশান্তি, জ্বালাও, পোড়াও, লগি বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা করে নৃত্য করা। তাদের উচ্চ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের এমন আচরণ খুবই ন্যক্কারজনক।

সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, আওয়ামী লীগ নেতারা স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করে স্বাধীনতাকে লূণ্ঠিত করেছে। এটা তাদের একক কৃতিত্ব মনে করেন। কিন্তু রনাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধারা ওদের সাথে নেই। ঠিক তদ্রুপ উন্নয়নের কথা বলে তারা যে দুর্নীতি করছে তা জনগণ জানে। তারা জনগণের ভোট ছাড়া রাষ্ট্র ক্ষমতা বার বার কৌশলের মাধ্যমে দখল করে আসছেন। তাদের কাছে জনগণের কোন প্রয়োজনীয়তা নেই। তাই জনগণের উপর বার বার করের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে এই সরকার। অপরদিকে কৃষি উৎপাদন সামগ্রী কীটনাশক দ্রব্যসহ মূল্য বৃদ্ধি করে কৃষকের উৎপাদন ক্ষমতা বন্ধ করে দিয়েছে। অন্যদিকে শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার কারণে সাধারণ শ্রমিকেরাও কর্মচ্যূত হচ্ছে।

শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের সমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, প্রধান বক্তা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি, বিএনপির ভাইচ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল্লাহ আল নোমান।

এসময় আরো বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সিনিয়র সহ সভাপতি মো. ইদ্রিস মিয়া, সহ সভাপতি শকিফুল ইসলাম চেয়ারম্যান, শাহ নেওয়াজ চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এম. এ বাতেন, যুগ্ম সম্পাদক গাজী আইয়ুব আলী, মো. হারুন ডক, আনোয়ারুল আজিম সবুজ, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান মজুমদার, প্রচার সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, অর্থ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ইব্রাহিম ফরাজী, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক এড. ইকবাল হোসেন, যুব বিষয়ক সম্পাদক হাসিবুর রহমান বিপ্লব, বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য ওয়াসার আবুল কামাল আজাদ, বিভাগীয় শ্রমিক দলের উপদেষ্টা, হালিশহর থানা শ্রমিক দলের সভাপতি মো. আলতাফ হোসেন, মো. ইলিয়াছ চৌধুরী, পাহাড়তলী থানার সভাপতি সভাপতি জাকের হোসেন মিন্টু, সদরঘাট থানার সভাপতি বাহার মিয়া, আকবর শাহ শ্রমিক দলের সভাপতি মো. মনির হোসেন, হুমায়ুন কবির, মো. আব্দুর রউফ, মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. সুজন, মো. রবিউল, অপু সিং, লাকী আকতার, নার্গিস আকতার, মো. সিদ্দিক, ডবলমুরিং থানা শ্রমিক দলের সভাপতি মো. হান্নান, নির্মাণ শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল মান্নান, সাধারণ শ্রমিক ইউনিয়ন ফলমন্ডীর সভাপতি আবু ছালেহ, জাকের হোসেন, মো. শাহজাহান প্রমুখ।

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে নূর আহমদ সড়কে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, তেল সহ নিত্যদ্রব্য মূল্য উর্ধ্বগতি কমানোর লক্ষ্যে ১০ দফা বাস্তবায়নের আলোকে অবৈধ সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার (০২ফেব্রুয়ারি)দুপুরে  চট্টগ্রাম বিভাগীয় মহা সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগের উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা নাসিমন ভবন দলীয় কার্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সভাপতি এ. এম. নাজিম উদ্দিন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, অবৈধ সরকার দুর্নীতির মাধ্যমে দেশের কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করছে। যার কারণে আজকে দফায় দফায় বিদ্যুতের দাম লাগামহীনভাবে বাড়াচ্ছে। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির কারণে মানুষ আজ দিশেহারা। অবিলম্বে এই অগণতান্ত্রিক সরকারের পদত্যাগের দাবিতে যে কোন মূল্যে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য সমাবেশ সফল করতে হবে। তারেক রহমানের ডাকে জনগণ রাজপথে নেমে এসেছে। এর মধ্যেই সরকারের দুর্নীতিবাজরা পালাতে শুরু করেছে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, প্রশাসনের কিছু অসাধু ব্যক্তির কারণে আজও দুর্নীতিবাজরা টিকে আছে। ইনশাআল্লাহ, সাধারণ জনগণের গণ আন্দোলনের মাধ্যমেই বর্তমান সরকারের পতন ঘটবে। দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার, ভোটের অধিকার বলতে কিছুই নেই। প্রতিটি নির্বাচনের ব্যবস্থা দলীয়করণের মাধ্যমে বাকশালী চরিত্র তাদের ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে সবগুলো নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতা বিহীন। তারপরও জনআতঙ্কের মধ্যে সরকার ভয় পাচ্ছে।

প্রধান বক্তা চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব আবুল হাসেম বক্কর বলেন, সরকার বিএনপির জনপ্রিয়তাকে ভয় করে বলে তাদের এমপি মন্ত্রীদের আবোল তাবোল বকছে। ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগের দেউলিয়াতার প্রমাণ করে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রশাসনকে অপব্যবহার করছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশে শ্রমিক জনতার উপস্থিতি প্রমাণ হবে এই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি কত বড় অস্ত্রের চেয়েও শক্তিশালী। আওয়ামী লীগ জনগণকে ভয় করে বলে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ওরা বোঝে না। ওরা বোঝে অশান্তি, জ্বালাও, পোড়াও, লগি বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা করে নৃত্য করা। তাদের উচ্চ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের এমন আচরণ খুবই ন্যক্কারজনক।

সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, আওয়ামী লীগ নেতারা স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করে স্বাধীনতাকে লূণ্ঠিত করেছে। এটা তাদের একক কৃতিত্ব মনে করেন। কিন্তু রনাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধারা ওদের সাথে নেই। ঠিক তদ্রুপ উন্নয়নের কথা বলে তারা যে দুর্নীতি করছে তা জনগণ জানে। তারা জনগণের ভোট ছাড়া রাষ্ট্র ক্ষমতা বার বার কৌশলের মাধ্যমে দখল করে আসছেন। তাদের কাছে জনগণের কোন প্রয়োজনীয়তা নেই। তাই জনগণের উপর বার বার করের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে এই সরকার। অপরদিকে কৃষি উৎপাদন সামগ্রী কীটনাশক দ্রব্যসহ মূল্য বৃদ্ধি করে কৃষকের উৎপাদন ক্ষমতা বন্ধ করে দিয়েছে। অন্যদিকে শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার কারণে সাধারণ শ্রমিকেরাও কর্মচ্যূত হচ্ছে।

শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের সমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, প্রধান বক্তা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি, বিএনপির ভাইচ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল্লাহ আল নোমান।

এসময় আরো বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সিনিয়র সহ সভাপতি মো. ইদ্রিস মিয়া, সহ সভাপতি শকিফুল ইসলাম চেয়ারম্যান, শাহ নেওয়াজ চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এম. এ বাতেন, যুগ্ম সম্পাদক গাজী আইয়ুব আলী, মো. হারুন ডক, আনোয়ারুল আজিম সবুজ, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান মজুমদার, প্রচার সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, অর্থ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ইব্রাহিম ফরাজী, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক এড. ইকবাল হোসেন, যুব বিষয়ক সম্পাদক হাসিবুর রহমান বিপ্লব, বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য ওয়াসার আবুল কামাল আজাদ, বিভাগীয় শ্রমিক দলের উপদেষ্টা, হালিশহর থানা শ্রমিক দলের সভাপতি মো. আলতাফ হোসেন, মো. ইলিয়াছ চৌধুরী, পাহাড়তলী থানার সভাপতি সভাপতি জাকের হোসেন মিন্টু, সদরঘাট থানার সভাপতি বাহার মিয়া, আকবর শাহ শ্রমিক দলের সভাপতি মো. মনির হোসেন, হুমায়ুন কবির, মো. আব্দুর রউফ, মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. সুজন, মো. রবিউল, অপু সিং, লাকী আকতার, নার্গিস আকতার, মো. সিদ্দিক, ডবলমুরিং থানা শ্রমিক দলের সভাপতি মো. হান্নান, নির্মাণ শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল মান্নান, সাধারণ শ্রমিক ইউনিয়ন ফলমন্ডীর সভাপতি আবু ছালেহ, জাকের হোসেন, মো. শাহজাহান প্রমুখ।