এম আনোয়ারুল হক, আনোয়ারা : আনোয়ারা উপজেলায় রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বের টার্নিং পয়েন্ট হচ্ছে কাফকো সিবিএ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের ভিপি এজিএসরা জাতীয় রাজনীতিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ঠিক তেমনি আনোয়ারা উপজেলায়ও কাফকো সিবিএ সভাপতিরাও রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া কাফকো, সিইউএফএল, ডিএপি সার কারখানা, কোরিয়ান ইপিজেডে কর্মরতরা আনোয়ারা উপজেলা রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন পদে ভূমিকা রাখছেন। ফলে আনোয়ারা উপজেলায় রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব শিল্প কারখানার কর্মরতরা প্রাধান্য পাচ্ছেন।

সম্প্রতি বহু জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আনোয়ারা উপজেলার আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে অধ্যাপক এম এ মন্নান চৌধুরীকে পুনরায় সভাপতি ও মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন। নতুন সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরী বর্তমানে কাফকো সিবিএ’এর সভাপতি। তিনি উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি। উপজেলা আওয়ামী লীগের গত কমিটিতে তিনি সদস্য ছিলেন।

প্রথমবার কাফকো সভাপতি হবার পর মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরী দ্বিতীয়বার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কাফকো সিবিএ নির্বাচনে তার প্যানেল বিজয়ের লাভ করেন। এরপর থেকেই মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরীর প্রভাব রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিলক্ষিত হয়। ২০০৪ সালে কাফকো সিবিএ”র সাবেক সভাপতি কাজী মোজাম্মেল হক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি পরবর্তী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নির্বাচিত হন।

কাফকো সিবিএর সাবেক সভাপতি ওসমান গনি মো. রাসেল উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সিইউএফএল সিবিএ’র সাবেক সভাপতি সুলতানুল আজিম চার দলীয় জোট সরকারের আমলে বিএনপি রাজনীতিতে ভূমিকা রেখেছিলেন। কাফকোতে কর্মরত আনোয়ারা কলেজের সাবেক ভিপি ও কাফকো সিবিএ’এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। কোরিয়ান ইপিজেডের শীর্ষ পদে কর্মরত আফতাব উদ্দিন চৌধুরী সোহেল চাতরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। উপজেলা আওয়ামী লীগের গত কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন তিনি।

এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির গঠনের কাজ চলছে। কয়েক দিনের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গ কমিটি নাম ঘোষণা হতে পারে। উক্ত উপজেলা পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে শিল্প কারখানায় কর্মরতরা বিভিন্ন পদে আসতে পারে বলে আশা করছেন। তাছাড়া পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদ পাবার জন্য অনেকে লবিং করছেন। বহু নেতা ঢাকায় তদবির চালাচ্ছেন। সাবেক ছাত্রনেতারা ও বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যানবৃন্দ পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে বিভিন্ন পদে থাকতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে।

অন্যদিকে, ইউনিয়ন কমিটিতে সভাপতি সাধারণ সম্পাদক কে হচ্ছেন তা নিয়ে এলাকায় সরগরম ও নানা গুঞ্জন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা রীতিমতোই আলোচনার ঝড় তুলছেন। কেউ কেউ সমালোচনায় ব্যস্ত। প্রতিটি ইউনিয়নে সভাপতি সাধারণ সম্পাদক পদে একাধিক প্রার্থী রয়েছে। তবে কেউ কিছু নিশ্চিত করে বলতে পারছে না। ফলে টেনশনে রয়েছে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থীরা।

এম আনোয়ারুল হক, আনোয়ারা : আনোয়ারা উপজেলায় রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বের টার্নিং পয়েন্ট হচ্ছে কাফকো সিবিএ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের ভিপি এজিএসরা জাতীয় রাজনীতিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ঠিক তেমনি আনোয়ারা উপজেলায়ও কাফকো সিবিএ সভাপতিরাও রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া কাফকো, সিইউএফএল, ডিএপি সার কারখানা, কোরিয়ান ইপিজেডে কর্মরতরা আনোয়ারা উপজেলা রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন পদে ভূমিকা রাখছেন। ফলে আনোয়ারা উপজেলায় রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব শিল্প কারখানার কর্মরতরা প্রাধান্য পাচ্ছেন।

সম্প্রতি বহু জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আনোয়ারা উপজেলার আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে অধ্যাপক এম এ মন্নান চৌধুরীকে পুনরায় সভাপতি ও মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন। নতুন সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরী বর্তমানে কাফকো সিবিএ’এর সভাপতি। তিনি উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি। উপজেলা আওয়ামী লীগের গত কমিটিতে তিনি সদস্য ছিলেন।

প্রথমবার কাফকো সভাপতি হবার পর মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরী দ্বিতীয়বার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কাফকো সিবিএ নির্বাচনে তার প্যানেল বিজয়ের লাভ করেন। এরপর থেকেই মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরীর প্রভাব রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিলক্ষিত হয়। ২০০৪ সালে কাফকো সিবিএ”র সাবেক সভাপতি কাজী মোজাম্মেল হক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি পরবর্তী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নির্বাচিত হন।

কাফকো সিবিএর সাবেক সভাপতি ওসমান গনি মো. রাসেল উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সিইউএফএল সিবিএ’র সাবেক সভাপতি সুলতানুল আজিম চার দলীয় জোট সরকারের আমলে বিএনপি রাজনীতিতে ভূমিকা রেখেছিলেন। কাফকোতে কর্মরত আনোয়ারা কলেজের সাবেক ভিপি ও কাফকো সিবিএ’এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। কোরিয়ান ইপিজেডের শীর্ষ পদে কর্মরত আফতাব উদ্দিন চৌধুরী সোহেল চাতরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। উপজেলা আওয়ামী লীগের গত কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন তিনি।

এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির গঠনের কাজ চলছে। কয়েক দিনের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গ কমিটি নাম ঘোষণা হতে পারে। উক্ত উপজেলা পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে শিল্প কারখানায় কর্মরতরা বিভিন্ন পদে আসতে পারে বলে আশা করছেন। তাছাড়া পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদ পাবার জন্য অনেকে লবিং করছেন। বহু নেতা ঢাকায় তদবির চালাচ্ছেন। সাবেক ছাত্রনেতারা ও বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যানবৃন্দ পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে বিভিন্ন পদে থাকতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে।

অন্যদিকে, ইউনিয়ন কমিটিতে সভাপতি সাধারণ সম্পাদক কে হচ্ছেন তা নিয়ে এলাকায় সরগরম ও নানা গুঞ্জন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা রীতিমতোই আলোচনার ঝড় তুলছেন। কেউ কেউ সমালোচনায় ব্যস্ত। প্রতিটি ইউনিয়নে সভাপতি সাধারণ সম্পাদক পদে একাধিক প্রার্থী রয়েছে। তবে কেউ কিছু নিশ্চিত করে বলতে পারছে না। ফলে টেনশনে রয়েছে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থীরা।