নিজস্ব প্রতিবেদক: একাধিক বার সম্মেলন পেছানোর পর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আড়ম্বর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন। এতে কোনো চমক চোখে পড়েনি। অনেকটা কৌশলগত কারণে বর্তমান সভাপতি মোছলেম উদ্দীন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানকে বেছে নেওয়া হয়েছে।আজ সোমবার (১২ নভেম্বর) বেলা ১০ টায় নগরের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের সামনের মাঠে এই কর্মসূচি অনুষ্টিত হয়।
সম্মেলন উদ্বোধন করেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। প্রথম অধিবেশনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন।
এরপর একে একে অন্যান্য অথিতিরা বক্তব্য তুলে ধরেন। অতিথিদের বক্তব্যে সরকারের নেওয়া উন্নয়ন পরিকল্পনার পাশাপাশি ছিল বিএনপি-জামায়াত ঘিরে বিষেদাগার। দুপুরে সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। নিয়ম অনুযায়ী এই অধিবেশনে কাউন্সিলদের ভোটে কিংবা সমঝোতার মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হয়ে আসছে। তবে প্রকাশ্যে সভাপতি ও সাধারণ পদ প্রত্যার্শী না থাকায় পুনরায় বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য ২০০৫ সালের ২৩ জুলাই দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই বার প্রয়াত আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুকে সভাপতি ও মোছলেম উদ্দীনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। ২০১২ সালে আখতারুজ্জামানের মৃত্যুতে মোছলেম উদ্দীন সভাপতি ও মফিজুর রহমান সভাপতি সাধারণ সম্পাদক করা হয়। ওই সময় সমঝোতার ভিত্তিতে হওয়া এই কমিটি দেওয়া হয়েছিল।
এরপর কেন্দ্র থেকে বার বার নির্দেশ আসলেও নানা কারনে ১৭ বছর ধরে সম্মেলন হয়নি। দীর্ঘ দিন পর সম্মেলন হওয়ায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝেও উচ্ছ্বাস ছিল চোখের পড়ার মতো। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবুল কালাম চৌধুরী এবং এস এম আবুল কালাম চৌধুরীসহ অনেকের নাম শোনা যায়। তবে দ্বিতীয় অধিবেশনে পছন্দসই পদের জন্য কোনরকম সমঝোতায় যেতে হয়নি।



