প্রেস বিজ্ঞপ্তি: এদেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন ন্যর্য্য অধিকার আদায়ে চট্টগ্রাম সবসময় অগ্রনী ভূমিকা পালন করে আসছে। চট্টগ্রামের সৌন্দের্য্যরে প্রাণ কেন্দ্র সিআরবি ধ্বংস করে একটি মহল হাসপাতাল করার অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে। চট্টগ্রামের নগরিক সমাজের এই আন্দোলন, সংগ্রাম, শ্রম ও ত্যাগ স্বীকার করে সফলতা অর্জন করেছেন সেজন্য আমি সকলকে অভিনন্দন জানাই। আন্দোলনের এই বিজয় চট্টগ্রামবাসীর বিজয়।আজ সোমবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে টাইগারপাসস্থ অস্থায়ী নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দের সিটি মেরের সাথে সাক্ষাতকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী একথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আমি মেয়রের দায়িত্ব গ্রহনের পর সর্বমহলের মতামত নিয়ে নান্দনিক নগর গড়ার উদ্যোগ গ্রহণ করি। সিআরবি আন্দোলনের এই সফলতা আমার উদ্যোগকে আরো উৎসাহিত করবে। আন্দোলনের সমাপ্তিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর জন্য আগামী ৫ নভেম্বর শনিবার বিকাল ৩ টায় সিআরবি চত্বরে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের নাগরিকদের নিয়ে বিশাল সমাবেশের উদ্যোগ গ্রহন করেছে নাগরিক সমাজ চট্টগ্রাম। সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর, সংরক্ষিত কাউন্সিলরগণ সেই সমাবেশ সফল করার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন।
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি নগারিক সমাজ চট্টগ্রামের সভাপতি এড. ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুলের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ, অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, কাউন্সিলর পুলক খাস্তগীর, কামরুল হাসান বাদল, রাশেদ হাসন, হাছিনা আক্তার টুনু, জাবেদ নজরুল ইসলাম, এম.এ জাফর, নুরল আজম রনি, মো. শাহজাহান, স্বপন মজুমদার, মো. আকতার হোসেন, নারায়ন প্রমুখ।
মেয়র আরো বলেন, সিআরবি রক্ষা আন্দোলনটি ছিলো অহিংস। ভালো কাজ করতে গেলে সবার সহযোগিতা পাওয়া যায়। সিআরবি রক্ষা আন্দোলনটি তার একটি প্রকৃত উদহারণ। তিনি বলেন, নগরীর সৌন্দর্য্যবর্ধনে আমি কিছু কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। এরই মধ্যে আগ্রাবাদ রেলওয়ের জোড় ডেবাসহ অরো অনেক পরিত্যাক্ত জায়গা সংস্কারপূর্বক বিনোদন স্পটে পরিনত করার প্রস্তাব রেল কর্তৃপক্ষ বরাবরে দেয়া হয়েছে।
এছাড়া নগরীর উম্মুক্ত জায়গা গুলো খেলার মাঠ ও শিশুদের বিনোদন স্পট তৈরীর প্রস্তবনা প্রদান করা হয়। এছাড়া সাগার পাড়ে প্রায় ৪০ একর জায়গায় এমিউসমেন্ট পার্ক করার কথা উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে জানান। সিআরবি রক্ষায় চট্টগ্রামবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর এই বদান্যতাকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করে আগামী ৫ নভেম্বর বিকাল ৩টায় সিআরবি চত্বরে সমাবেশ সফল করার আহবান জানান।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: এদেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন ন্যর্য্য অধিকার আদায়ে চট্টগ্রাম সবসময় অগ্রনী ভূমিকা পালন করে আসছে। চট্টগ্রামের সৌন্দের্য্যরে প্রাণ কেন্দ্র সিআরবি ধ্বংস করে একটি মহল হাসপাতাল করার অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে। চট্টগ্রামের নগরিক সমাজের এই আন্দোলন, সংগ্রাম, শ্রম ও ত্যাগ স্বীকার করে সফলতা অর্জন করেছেন সেজন্য আমি সকলকে অভিনন্দন জানাই। আন্দোলনের এই বিজয় চট্টগ্রামবাসীর বিজয়।আজ সোমবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে টাইগারপাসস্থ অস্থায়ী নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দের সিটি মেরের সাথে সাক্ষাতকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী একথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আমি মেয়রের দায়িত্ব গ্রহনের পর সর্বমহলের মতামত নিয়ে নান্দনিক নগর গড়ার উদ্যোগ গ্রহণ করি। সিআরবি আন্দোলনের এই সফলতা আমার উদ্যোগকে আরো উৎসাহিত করবে। আন্দোলনের সমাপ্তিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর জন্য আগামী ৫ নভেম্বর শনিবার বিকাল ৩ টায় সিআরবি চত্বরে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের নাগরিকদের নিয়ে বিশাল সমাবেশের উদ্যোগ গ্রহন করেছে নাগরিক সমাজ চট্টগ্রাম। সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর, সংরক্ষিত কাউন্সিলরগণ সেই সমাবেশ সফল করার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন।
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি নগারিক সমাজ চট্টগ্রামের সভাপতি এড. ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুলের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ, অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, কাউন্সিলর পুলক খাস্তগীর, কামরুল হাসান বাদল, রাশেদ হাসন, হাছিনা আক্তার টুনু, জাবেদ নজরুল ইসলাম, এম.এ জাফর, নুরল আজম রনি, মো. শাহজাহান, স্বপন মজুমদার, মো. আকতার হোসেন, নারায়ন প্রমুখ।
মেয়র আরো বলেন, সিআরবি রক্ষা আন্দোলনটি ছিলো অহিংস। ভালো কাজ করতে গেলে সবার সহযোগিতা পাওয়া যায়। সিআরবি রক্ষা আন্দোলনটি তার একটি প্রকৃত উদহারণ। তিনি বলেন, নগরীর সৌন্দর্য্যবর্ধনে আমি কিছু কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। এরই মধ্যে আগ্রাবাদ রেলওয়ের জোড় ডেবাসহ অরো অনেক পরিত্যাক্ত জায়গা সংস্কারপূর্বক বিনোদন স্পটে পরিনত করার প্রস্তাব রেল কর্তৃপক্ষ বরাবরে দেয়া হয়েছে।
এছাড়া নগরীর উম্মুক্ত জায়গা গুলো খেলার মাঠ ও শিশুদের বিনোদন স্পট তৈরীর প্রস্তবনা প্রদান করা হয়। এছাড়া সাগার পাড়ে প্রায় ৪০ একর জায়গায় এমিউসমেন্ট পার্ক করার কথা উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে জানান। সিআরবি রক্ষায় চট্টগ্রামবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর এই বদান্যতাকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করে আগামী ৫ নভেম্বর বিকাল ৩টায় সিআরবি চত্বরে সমাবেশ সফল করার আহবান জানান।