নিজস্ব প্রতিবেদক: নগরীর ইপিজেড থানাধীন কৃষ্ণ মন্দির ও বৌদ্ধ মন্দির সড়কে মসজিদের পার্শ্বে প্রায় আধা বিঘা বাংলাদেশ রেলওয়ের অবৈধভাবে জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণের মতো গুরুত্বর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।

সংশ্লিষ্ঠ সূত্রটি জানায়, নগরীর ইপিজেড থানাধীন ইপিজেড শ্রী শ্রী কৃষ্ণ মন্দির, বৌদ্ধ মন্দির সড়কে রেলবিটের ৫০০ গজ ভিতরে মসজিদ সংলগ্ন বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রায় আধা বিঘা জায়গা স্থানীয় সুমন ও তার পিতা সুমন কলোনীর মালিক  নিজেকে বর্তমান রেলমন্ত্রির আত্নীয়ের পরিচয়ে আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে উক্ত জায়গা দখল করে বাহিরের গেইটে তালা লাগিয়ে ভিতরে ৭-৮ জন রাজমিস্ত্রি দিয়ে দিনরাত দ্রুত দালানের নির্মাণ করে যাচ্ছে।

সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে স্থানীয় প্রত্যোক্ষ্যদর্শীদের আলাপকালে জানা যায়, জায়গাটি সম্পূর্ণরূপে বাংলাদেশ রেলওয়ের জায়গা। সে জায়গাতে রেলমন্ত্রীর আত্নীয়ের পাকা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। বিগত সময়ে উক্ত জায়গার উপর পতেঙ্গা, স্টীল মিলস্ ইপিজেড ও বন্দর রেল সড়ক হিসাবে ব্যবহৃত হতো। বর্তমানে এ সমস্ত অবৈধ দখলদারদের কবলে পড়ে সরকারী সম্পদ দখলের রাজত্ব চলছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইপিজেড থানায় দায়িত্বরত অফিসার ইনচার্জের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে অপরপ্রান্ত ফোনটি তোলেন থানার ওসি (তদন্ত) তিনি বিষয়টি শুনে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন।

বিষয়টি সম্পর্কে বাংলাদেশ রেলওয়ের (পূর্বাঞ্চল) এসএসপি সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি জেনে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে রেল মন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে সরকারী রেলওয়ের জায়গা দখল করে পাকা ঘর নির্মাণের সাথে জড়িত ইপিজেড থানাধীন জনৈক সুমন ও তার পিতার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।

বিষয়টি সম্পর্কে বাংলাদেশ রেলওয়ের এডিশনাল এএসপিকে ঘটনা সম্পর্কে তাৎক্ষনিক অবহিত করা হলে তার তিনি বলেন, ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রচলিত বিধি অনুযায়ী দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 অভিযুক্ত ব্যক্তি সুমনের পিতার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা তিনি বর্তমান সরকারের রেলমন্ত্রীর অবৈধ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে নিজেকে রেলমন্ত্রীর আত্নীয় পরিচয় দিয়ে সাংবাদিকদের অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।

মুঠোফোনে ক্ষীপ্ত হয়ে তিনি বলেন, পারলে নিউজ করে আমার ঘরের নির্মাণ কাজ বন্ধ করেন।

ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, নির্মাণকাজ ভিতরে চললেও বাহিরে দখলকৃত ৪-৫টি দোকান সার্টার বন্ধ করে ভিতরে রড সিমেন্ট নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে ১০-১২ জন নির্মাণ শ্রমিক ভবনের ২য় তলায় কাজ করছে। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে ভবন নির্মাণের কাজে বাধাঁগ্রস্থ থেকে মুক্তি পেতে উক্ত অভিযুক্ত পিতাপুত্র নির্মাণ কাজের ভবনের মুখে প্রবেশের গেইটে তালা লাগিয়ে দেয়।

উল্লেখ্য যে, বন্দর থানাধীন টেকের মোড় থেকে শুরু করে সুদূর স্টীল মিলস্ পতেঙ্গা পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিলোমিটার জুড়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের সড়কের জায়গা। এ সড়কের দু পাশেই এভাবে অবৈধ ভাবে প্রভাব খাটিয়ে অনেকেই সরকারী জায়গা দখল করে অনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। এ সমস্ত অনৈতিক কর্মকান্ড বিশেষ করে মাদক, জুয়া, ইভটিজিংসহ কিশোর গ্যাংদের দ্বারা নানা প্রকারের অপকর্ম চলে আসছে এ সমস্ত দোকানপাট ও বস্তিগুলো থেকে।

জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ নগরীর ইপিজেড শ্রী শ্রী কৃষ্ণ মন্দির সংলগ্ন বেপজা জামে মসজিদের পার্শ্বে প্রায় ৫০০ গজ ভিতরে সরকারী বাংলাদেশ রেলওয়ের জায়গা জোর দখল পূর্বক পেশাশক্তি ব্যবহার করে সুমন কলোনী মালিক সুমন প্রায় ৫ গন্ডা অবৈধ জায়গার উপর  অবৈধভাবে প্রভাব খাটিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণ করছে স্থানীয় সুমন ও তার ক্যাডার বাহিনী।  রেলওয়ের জায়গা দখল করে র্দীঘদিন যাবৎ মাদক ও জুয়ার আখড়ায় পরিণত করছে একটি জুয়াড়ী সিন্ডিকেট।

নিজস্ব প্রতিবেদক: নগরীর ইপিজেড থানাধীন কৃষ্ণ মন্দির ও বৌদ্ধ মন্দির সড়কে মসজিদের পার্শ্বে প্রায় আধা বিঘা বাংলাদেশ রেলওয়ের অবৈধভাবে জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণের মতো গুরুত্বর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।

সংশ্লিষ্ঠ সূত্রটি জানায়, নগরীর ইপিজেড থানাধীন ইপিজেড শ্রী শ্রী কৃষ্ণ মন্দির, বৌদ্ধ মন্দির সড়কে রেলবিটের ৫০০ গজ ভিতরে মসজিদ সংলগ্ন বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রায় আধা বিঘা জায়গা স্থানীয় সুমন ও তার পিতা সুমন কলোনীর মালিক  নিজেকে বর্তমান রেলমন্ত্রির আত্নীয়ের পরিচয়ে আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে উক্ত জায়গা দখল করে বাহিরের গেইটে তালা লাগিয়ে ভিতরে ৭-৮ জন রাজমিস্ত্রি দিয়ে দিনরাত দ্রুত দালানের নির্মাণ করে যাচ্ছে।

সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে স্থানীয় প্রত্যোক্ষ্যদর্শীদের আলাপকালে জানা যায়, জায়গাটি সম্পূর্ণরূপে বাংলাদেশ রেলওয়ের জায়গা। সে জায়গাতে রেলমন্ত্রীর আত্নীয়ের পাকা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। বিগত সময়ে উক্ত জায়গার উপর পতেঙ্গা, স্টীল মিলস্ ইপিজেড ও বন্দর রেল সড়ক হিসাবে ব্যবহৃত হতো। বর্তমানে এ সমস্ত অবৈধ দখলদারদের কবলে পড়ে সরকারী সম্পদ দখলের রাজত্ব চলছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইপিজেড থানায় দায়িত্বরত অফিসার ইনচার্জের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে অপরপ্রান্ত ফোনটি তোলেন থানার ওসি (তদন্ত) তিনি বিষয়টি শুনে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন।

বিষয়টি সম্পর্কে বাংলাদেশ রেলওয়ের (পূর্বাঞ্চল) এসএসপি সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি জেনে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে রেল মন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে সরকারী রেলওয়ের জায়গা দখল করে পাকা ঘর নির্মাণের সাথে জড়িত ইপিজেড থানাধীন জনৈক সুমন ও তার পিতার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।

বিষয়টি সম্পর্কে বাংলাদেশ রেলওয়ের এডিশনাল এএসপিকে ঘটনা সম্পর্কে তাৎক্ষনিক অবহিত করা হলে তার তিনি বলেন, ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রচলিত বিধি অনুযায়ী দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 অভিযুক্ত ব্যক্তি সুমনের পিতার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা তিনি বর্তমান সরকারের রেলমন্ত্রীর অবৈধ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে নিজেকে রেলমন্ত্রীর আত্নীয় পরিচয় দিয়ে সাংবাদিকদের অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।

মুঠোফোনে ক্ষীপ্ত হয়ে তিনি বলেন, পারলে নিউজ করে আমার ঘরের নির্মাণ কাজ বন্ধ করেন।

ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, নির্মাণকাজ ভিতরে চললেও বাহিরে দখলকৃত ৪-৫টি দোকান সার্টার বন্ধ করে ভিতরে রড সিমেন্ট নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে ১০-১২ জন নির্মাণ শ্রমিক ভবনের ২য় তলায় কাজ করছে। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে ভবন নির্মাণের কাজে বাধাঁগ্রস্থ থেকে মুক্তি পেতে উক্ত অভিযুক্ত পিতাপুত্র নির্মাণ কাজের ভবনের মুখে প্রবেশের গেইটে তালা লাগিয়ে দেয়।

উল্লেখ্য যে, বন্দর থানাধীন টেকের মোড় থেকে শুরু করে সুদূর স্টীল মিলস্ পতেঙ্গা পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিলোমিটার জুড়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের সড়কের জায়গা। এ সড়কের দু পাশেই এভাবে অবৈধ ভাবে প্রভাব খাটিয়ে অনেকেই সরকারী জায়গা দখল করে অনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। এ সমস্ত অনৈতিক কর্মকান্ড বিশেষ করে মাদক, জুয়া, ইভটিজিংসহ কিশোর গ্যাংদের দ্বারা নানা প্রকারের অপকর্ম চলে আসছে এ সমস্ত দোকানপাট ও বস্তিগুলো থেকে।

জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ নগরীর ইপিজেড শ্রী শ্রী কৃষ্ণ মন্দির সংলগ্ন বেপজা জামে মসজিদের পার্শ্বে প্রায় ৫০০ গজ ভিতরে সরকারী বাংলাদেশ রেলওয়ের জায়গা জোর দখল পূর্বক পেশাশক্তি ব্যবহার করে সুমন কলোনী মালিক সুমন প্রায় ৫ গন্ডা অবৈধ জায়গার উপর  অবৈধভাবে প্রভাব খাটিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণ করছে স্থানীয় সুমন ও তার ক্যাডার বাহিনী।  রেলওয়ের জায়গা দখল করে র্দীঘদিন যাবৎ মাদক ও জুয়ার আখড়ায় পরিণত করছে একটি জুয়াড়ী সিন্ডিকেট।