উত্তরা প্রতিনিধি,ইজাজুলঃ “শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড ” – অতি পুরাতন কিন্তু খাঁটি কথা। সৃষ্টির ঊষালগ্ন হতেই শিক্ষার গুরুত্ব অনুভুত হয়েছে অনুক্ষণ। একবিংশ শতাব্দীর এ বিজ্ঞান বিভাসিত যুগে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। শিক্ষা মনের অন্ধকার দূর করে, জাতিকে পৌঁছে দেয় উন্নতির স্বর্ণশিখরে। মূলত একটি দেশের শিল্প, সাহিত্য, পেশা, সভ্যতা সবকিছু দাঁড়িয়ে থাকে শিক্ষা নামক সোপানের উপর। আর এই শিক্ষা ব্যবস্থা নির্ভর করে দক্ষ শিক্ষক মন্ডলীর উপর।

উত্তরায় নওয়াব হাবিবউল্লাহ মডেল স্কুল এন্ড কলেজে শিক্ষা ব্যবস্থা দারুন ভাবে ভেঙে পড়েছে। শিক্ষার ব্যবস্থাপনা ও মান, দু’টিই এখন সংকটের মুখে অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। শিক্ষার মান ক্রমান্বয়ে অবনতির দিকে ধাবিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও অভিভাবক এখন হতাশ।

নওয়াব হাবিবউল্লাহ মডেল স্কুল এন্ড কলেজের প্রশ্নবিদ্ধ অধ্যক্ষ এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কথিত অধ্যক্ষ শাহিনুর মিয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে গিলে খেয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল অবস্থার জন্য অধ্যক্ষের যথেচ্ছপনা ও বেপরোয়া ক্ষমতা প্রয়োগ আর স্বেচ্ছাচারীতাই মূল কারণ বলে প্রতিয়মান।

নওয়াব হাবিবউল্লাহ মডেল স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মতিউল হক মতিকে এ প্রতিনিধি তাঁর মুঠোফোন 01711-535888 নাম্বারে বরংবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই বেপরোয়া কথিত অধ্যক্ষ অবৈধ ভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন নিজ বাড়ি হিসাবে প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে বিলাশীতা জীবন যাপন করছে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দি ক্রাইমকে বলেন, ঢাকা ১৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব হাবিব হাসান এমপি মহাদয় এর নির্দেশনায় আমি স্কুলের ভবনে বসবাস করি।এমপি সাহেবের খাস লোক আমি। আর শিক্ষা ব্যাবস্থা করোনার কারণে ভেঙে পড়েছে।

উল্লেখ্য, এ প্রতিষ্ঠানে চলতি শিক্ষা বর্ষ ২০-২১ এর ২য় সাময়িক পরিক্ষায় ৮ম শ্রেনীর সাধারণ বিজ্ঞানে সকল শিক্ষার্থীরা ফেল করেছে। ফলে শিক্ষার্থীদের অভিভাবক বৃন্দ হতাশা প্রকাশ করেছে।ঐ শ্রেনীর একাধিক শিক্ষার্থীর বাবা- মায়ের সাথে কথা বলে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত হয়।

তবে এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে তার অনৈতিকতার বিষয়ে এমপি মহাদয় আলহাজ্ব হাবিব হাসান দি ক্রাইমকে বলেন, আমার নাম কেন নিবে, আমি কি ঐ স্কুলের শিক্ষক? আপনি আমার অফিসে কাল আসবেন আমি শাহিনুর সাহেবকে ডাকবো আপনি আমার সামনেই তাকে প্রশ্ন করবেন।

তথ্য সূত্রে জানা যায়, অত্রশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট ৫ হাজার শিক্ষার্থী বিভিন্ন শ্রেনীতে অধ্যায়নরত। প্রতিটা শিক্ষার্থীর মাসিক বেতন ৭০০ টাকা করে যা প্রতিমাসে ২৫ লক্ষ টাকার ও বেশি আয় দাঁড়ায়। বছর ঘুরে ছাত্র/ ছাত্রীদের নিকট থেকে প্রায় ৬ কোটি টাকা বেতন ভাতা আদায় করা হয়।

উত্তরা প্রতিনিধি,ইজাজুলঃ “শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড ” – অতি পুরাতন কিন্তু খাঁটি কথা। সৃষ্টির ঊষালগ্ন হতেই শিক্ষার গুরুত্ব অনুভুত হয়েছে অনুক্ষণ। একবিংশ শতাব্দীর এ বিজ্ঞান বিভাসিত যুগে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। শিক্ষা মনের অন্ধকার দূর করে, জাতিকে পৌঁছে দেয় উন্নতির স্বর্ণশিখরে। মূলত একটি দেশের শিল্প, সাহিত্য, পেশা, সভ্যতা সবকিছু দাঁড়িয়ে থাকে শিক্ষা নামক সোপানের উপর। আর এই শিক্ষা ব্যবস্থা নির্ভর করে দক্ষ শিক্ষক মন্ডলীর উপর।

উত্তরায় নওয়াব হাবিবউল্লাহ মডেল স্কুল এন্ড কলেজে শিক্ষা ব্যবস্থা দারুন ভাবে ভেঙে পড়েছে। শিক্ষার ব্যবস্থাপনা ও মান, দু’টিই এখন সংকটের মুখে অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। শিক্ষার মান ক্রমান্বয়ে অবনতির দিকে ধাবিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও অভিভাবক এখন হতাশ।

নওয়াব হাবিবউল্লাহ মডেল স্কুল এন্ড কলেজের প্রশ্নবিদ্ধ অধ্যক্ষ এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কথিত অধ্যক্ষ শাহিনুর মিয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে গিলে খেয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল অবস্থার জন্য অধ্যক্ষের যথেচ্ছপনা ও বেপরোয়া ক্ষমতা প্রয়োগ আর স্বেচ্ছাচারীতাই মূল কারণ বলে প্রতিয়মান।

নওয়াব হাবিবউল্লাহ মডেল স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মতিউল হক মতিকে এ প্রতিনিধি তাঁর মুঠোফোন 01711-535888 নাম্বারে বরংবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই বেপরোয়া কথিত অধ্যক্ষ অবৈধ ভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন নিজ বাড়ি হিসাবে প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে বিলাশীতা জীবন যাপন করছে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দি ক্রাইমকে বলেন, ঢাকা ১৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব হাবিব হাসান এমপি মহাদয় এর নির্দেশনায় আমি স্কুলের ভবনে বসবাস করি।এমপি সাহেবের খাস লোক আমি। আর শিক্ষা ব্যাবস্থা করোনার কারণে ভেঙে পড়েছে।

উল্লেখ্য, এ প্রতিষ্ঠানে চলতি শিক্ষা বর্ষ ২০-২১ এর ২য় সাময়িক পরিক্ষায় ৮ম শ্রেনীর সাধারণ বিজ্ঞানে সকল শিক্ষার্থীরা ফেল করেছে। ফলে শিক্ষার্থীদের অভিভাবক বৃন্দ হতাশা প্রকাশ করেছে।ঐ শ্রেনীর একাধিক শিক্ষার্থীর বাবা- মায়ের সাথে কথা বলে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত হয়।

তবে এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে তার অনৈতিকতার বিষয়ে এমপি মহাদয় আলহাজ্ব হাবিব হাসান দি ক্রাইমকে বলেন, আমার নাম কেন নিবে, আমি কি ঐ স্কুলের শিক্ষক? আপনি আমার অফিসে কাল আসবেন আমি শাহিনুর সাহেবকে ডাকবো আপনি আমার সামনেই তাকে প্রশ্ন করবেন।

তথ্য সূত্রে জানা যায়, অত্রশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট ৫ হাজার শিক্ষার্থী বিভিন্ন শ্রেনীতে অধ্যায়নরত। প্রতিটা শিক্ষার্থীর মাসিক বেতন ৭০০ টাকা করে যা প্রতিমাসে ২৫ লক্ষ টাকার ও বেশি আয় দাঁড়ায়। বছর ঘুরে ছাত্র/ ছাত্রীদের নিকট থেকে প্রায় ৬ কোটি টাকা বেতন ভাতা আদায় করা হয়।