নিজস্ব প্রতিবেদক: নগরীতে যথেচ্ছভাবে ইমারত নির্মাণ হচ্ছে। চোখের সামনে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে চট্টগ্রাম মহানগরী। নগর পরিকল্পনাবিদেরা এমনই হতাশা ব্যক্ত করে বলেন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) বিধিমালা লঙ্ঘিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। সরেজমিনে তদন্ত করে দেখলে দেখা যাবে, ৯৯ শতাংশ ভবনই কোনো না কোনোভাবে বিধিমালা ভঙ্গ করেছে। সড়কের জন্য জায়গা না ছেড়েই নির্মাণ করা হয়েছে ১০-১২ তলা ভবন। বিধিমালায় নির্দেশিত নিয়মকানুনের তোয়াক্কা করছে না কেউ। গত প্রায় সাড়ে ৪ বছর ধরে চউক থেকে পাশ করিয়ে নেওয়া হয়েছে অসংখ্য ভবন নির্মাণের প্ল্যান। প্রস্তাবিত সড়কের জন্য জায়গা না ছেড়েই তৈরি করা হয়েছে শত শত ভবন। এলাইডমেন্টেও তৈরী হচ্ছে ভবন। ঈদগাঁও কাচা রাস্তার মাথায় জনৈক শাহজাহান সিডিএর অথরাইজড অফিসারকে ম্যানেজ করে এই ভবন তৈরী করছে। ভাঙ্গানোর জন্য চুড়ান্ত উচ্ছেদ নোটিস জারী করলেও তা লালফিতায় আটকে রয়েছে।

সূত্রে জানা গেছে, দুই অথরাইজড অফিসারের ব্যবসায়ীক রশি টানাটানিতে নাজেহাল হচ্ছে নগরবাসী। বিশেষ করে অথরাইজড অফিসার দুই”র এলেকায় সবচেয়ে বেশী ভবনের মালিকরা যথেচ্ছভাবে ইমারত নির্মাণ করেছে। এ নিয়ে সাবেক অথরাইজড অফিসার এই সব ভবনের অনিয়ম ধরাধরি করলে তার বিরুদ্ধে বেনামি বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করা হয়। এখন সিডিএ কর্তৃপক্ষ বে-নামী দরখাস্তের ইন্ধনদানকারীর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে উল্ঠো তাকে ওই পদে আসীন করে পুরস্কৃত করেছে। এই অফিসার মুলতঃ কনসালটিং প্রতিষ্ঠানের মালিক। প্রতিষ্ঠানের নাম ডিজাইন ইন্টারন্যাশান্যাল। যাহা হালিশহর বি-ব্লকের এসি মাকেটে অবস্থিত। এ বিষয়ে দুদক তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান কিংবা অবৈধ সম্পত্তির সুষ্ঠ তদন্ত করলে এই অফিসারের “থলের বিড়াল” বের হয়ে আসবে।

সূত্রটি আরো জানায়, পরিকল্পনা ও স্থাপত্য বিভাগে ৬/৭ জনের যে সিন্ডিকেড রয়েছে, সে সিন্ডিকেট বিলুপ্ত করতে না পারলে ইমারত নির্মাণ বিধিমালা লঙ্ঘিত হবেই। চট্টগ্রাম বানিজ্যিক রাজধানী এক সময় ঘিঞ্জি শহরে পরিণত হবে। এই সিন্ডিকেটের রয়েছে অবৈধ টাকার পাহাড়। এই সিন্ডিকেটের ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র (NOC) ও নকশা অনুমোদন দ্রুত হয়ে যায়। শুধু ভোগান্তিতে পরে সাধারণ লোকজন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ক্ষেত্রে জনঘনত্বের বিষয়টি যেমন বিবেচনা করা হয়নি, তেমনি সিটি করপোরেশনসহ ইউটিলিটি সেবাপ্রদানকারী সংস্থাগুলোর ওপর তৈরি হয়েছে নজিরবিহীন চাপ।  ফলে গত প্রায় এক যুগে চট্টগ্রাম মহানগরী একদিকে যেমন হারিয়েছে সৌন্দর্য, অন্যদিকে বিভিন্ন এলাকা পরিণত হয়েছে আবর্জনাময়, জনচলাচল সুবিধাহীন ইটের বস্তিতে।

দীর্ঘদিন চউক চলেছে একজন সার্বক্ষণিক নগর পরিকল্পনা সংক্রান্ত সমস্যা এবং ‘এমইউআরপি’ যোগ্যতাসম্পন্ন প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ ছাড়াই। এ দুটি পদে পদায়নের জন্য যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি চেয়ে চউক চেয়ারম্যান এম জহিরুল আলম দোভাষ গত ২৪ ফেব্রুয়ারি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর চিঠিও দেন। গত ১৯ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে চউকের প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামসকে তার নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদের ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এ ছাড়াও দীর্ঘদিন যাবৎ প্রধান প্রকৌশলী ও দুটি তত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর পদ খালী রয়েছে। ভারে ভারে ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েছে সিডিএর বেশ কিছু কম্কতা। এরাই নিয়ন্ত্রন করছে সিডিএকে। ৪ জন সহকারী অথরাইজড অফিসারের মধ্যে দুই জন প্রায় ১৫/২০ বছর যাবৎ একই পদে আসীন রয়েছে। তারা হলেন- মোহাম্মদ ওসমান ও আনোয়ার। এই পদে আনোয়ারের কোন যোগ্যতা না থাকলেও প্রশাসনিক রহস্যজনক কারনে সে এই পদে বহাল তবিয়তে রয়েছে।

চউকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ ও প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস বলেন, ‘নগরীতে ভবন নির্মাণে প্রস্তাবিত সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা না ছেড়ে বিধিমালা লঙ্ঘন করে অসংখ্য ভবন নির্মাণের ঘটনা ঘটেছে। তিন ফুট প্রশস্ত প্রস্তাবিত রাস্তার পাশে যেখানে তিনতলা ভবনের চাইতে অধিক তলাবিশিষ্ট ভবন নির্মাণের অনুমতি নেই, সেখানে ৯ তলা থেকে ১২ তলাবিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ৬ ফুট প্রশস্ত প্রস্তাবিত রাস্তা রাখতে যেখানে বলা হয়েছে, সেখানে রাস্তার জন্য জায়গা  ছেড়ে নির্মাণকাজের জমি আলাদা করতে কোনো সীমানা দেওয়াল নির্মাণ দূরে থাক, অনেক ভবনমালিক প্রস্তাবিত রাস্তার জায়গা পর্যন্ত দখল করে বসে আছে। আমি ভারপ্রাপ্ত হিসেবে প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদের দায়িত্ব নেওয়ার পর ইতিমধ্যে চউকের বিধিমালা গুরুতরভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে এরকম ৬০ থেকে ৭০টি ফাইল চিহ্নিত করেছি।

দেখা গেছে, প্রস্তাবিত সড়কের বিষয়টি নিশ্চিত না করে অসৎ উদ্দেশ্যে বিধিমালা লঙ্ঘন করে এসব ভবন নির্মাণের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে চউক থেকে। ভবনের প্ল্যান পাশের সময় রাস্তার মূল দেওয়াল তৈরি করা হয়েছে কি হয়নি—এ বিষয়টিও সরেজমিনে দেখেননি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। আর নিয়মবহির্ভূতভাবে নির্মিত ভবনের বিভিন্ন অংশ ভেঙে ফেলার জন্য চউকের অথরাইজেশন বিভাগ থেকে যেসব নোটিশ জারি করা হয়েছে, তার এক বিশাল পাহাড় জমেছে এখানে। কিন্তু এসব নোটিশ বাস্তবায়নে গত ১৩ বছরে একটিও উচ্ছেদ অভিযান নেই। নগরীতে শুধু ব্যক্তিগত ভবনেই চউক বিধিমালা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে না, উপরন্তু দেখা গেছে, নগরীতে যে ২৫টি ডেভেলপার কোম্পানি ভবন নির্মাণের কাজ করছে, তারাও চউকের বিধিমালা, আইন মানছে না। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর এসব অনিয়ম বন্ধ ও শৃঙ্খলা প্রণয়নে হাত দিয়েছি।’

চউকের নগর উন্নয়ন ও বিশেষ কমিটির সদস্য ইন্জিনিয়ার শহীদ বলেন, ‘১১৫২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের চট্টগ্রাম মহানগরীতে ২ থেকে আড়াই লাখ ভবন রয়েছে। সরেজমিনে তদন্ত করে দেখলে দেখা যাবে, এসব ভবনের ৯৯ শতাংশ কোনো না কোনোভাবে চউকের ২০০৮-২০০৯ বিধিমালা ভঙ্গ করেছে। কেউই বিধি মোতাবেক জায়গা ছাড়ছে না। যারা জায়গা না ছেড়ে ভবন করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে চউক আন্তরিক না হলে এই বেআইনি কার্যক্রম বন্ধ করা যাবে না বলে আমি মনে করি।

নিজস্ব প্রতিবেদক: নগরীতে যথেচ্ছভাবে ইমারত নির্মাণ হচ্ছে। চোখের সামনে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে চট্টগ্রাম মহানগরী। নগর পরিকল্পনাবিদেরা এমনই হতাশা ব্যক্ত করে বলেন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) বিধিমালা লঙ্ঘিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। সরেজমিনে তদন্ত করে দেখলে দেখা যাবে, ৯৯ শতাংশ ভবনই কোনো না কোনোভাবে বিধিমালা ভঙ্গ করেছে। সড়কের জন্য জায়গা না ছেড়েই নির্মাণ করা হয়েছে ১০-১২ তলা ভবন। বিধিমালায় নির্দেশিত নিয়মকানুনের তোয়াক্কা করছে না কেউ। গত প্রায় সাড়ে ৪ বছর ধরে চউক থেকে পাশ করিয়ে নেওয়া হয়েছে অসংখ্য ভবন নির্মাণের প্ল্যান। প্রস্তাবিত সড়কের জন্য জায়গা না ছেড়েই তৈরি করা হয়েছে শত শত ভবন। এলাইডমেন্টেও তৈরী হচ্ছে ভবন। ঈদগাঁও কাচা রাস্তার মাথায় জনৈক শাহজাহান সিডিএর অথরাইজড অফিসারকে ম্যানেজ করে এই ভবন তৈরী করছে। ভাঙ্গানোর জন্য চুড়ান্ত উচ্ছেদ নোটিস জারী করলেও তা লালফিতায় আটকে রয়েছে।

সূত্রে জানা গেছে, দুই অথরাইজড অফিসারের ব্যবসায়ীক রশি টানাটানিতে নাজেহাল হচ্ছে নগরবাসী। বিশেষ করে অথরাইজড অফিসার দুই”র এলেকায় সবচেয়ে বেশী ভবনের মালিকরা যথেচ্ছভাবে ইমারত নির্মাণ করেছে। এ নিয়ে সাবেক অথরাইজড অফিসার এই সব ভবনের অনিয়ম ধরাধরি করলে তার বিরুদ্ধে বেনামি বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করা হয়। এখন সিডিএ কর্তৃপক্ষ বে-নামী দরখাস্তের ইন্ধনদানকারীর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে উল্ঠো তাকে ওই পদে আসীন করে পুরস্কৃত করেছে। এই অফিসার মুলতঃ কনসালটিং প্রতিষ্ঠানের মালিক। প্রতিষ্ঠানের নাম ডিজাইন ইন্টারন্যাশান্যাল। যাহা হালিশহর বি-ব্লকের এসি মাকেটে অবস্থিত। এ বিষয়ে দুদক তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান কিংবা অবৈধ সম্পত্তির সুষ্ঠ তদন্ত করলে এই অফিসারের “থলের বিড়াল” বের হয়ে আসবে।

সূত্রটি আরো জানায়, পরিকল্পনা ও স্থাপত্য বিভাগে ৬/৭ জনের যে সিন্ডিকেড রয়েছে, সে সিন্ডিকেট বিলুপ্ত করতে না পারলে ইমারত নির্মাণ বিধিমালা লঙ্ঘিত হবেই। চট্টগ্রাম বানিজ্যিক রাজধানী এক সময় ঘিঞ্জি শহরে পরিণত হবে। এই সিন্ডিকেটের রয়েছে অবৈধ টাকার পাহাড়। এই সিন্ডিকেটের ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র (NOC) ও নকশা অনুমোদন দ্রুত হয়ে যায়। শুধু ভোগান্তিতে পরে সাধারণ লোকজন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ক্ষেত্রে জনঘনত্বের বিষয়টি যেমন বিবেচনা করা হয়নি, তেমনি সিটি করপোরেশনসহ ইউটিলিটি সেবাপ্রদানকারী সংস্থাগুলোর ওপর তৈরি হয়েছে নজিরবিহীন চাপ।  ফলে গত প্রায় এক যুগে চট্টগ্রাম মহানগরী একদিকে যেমন হারিয়েছে সৌন্দর্য, অন্যদিকে বিভিন্ন এলাকা পরিণত হয়েছে আবর্জনাময়, জনচলাচল সুবিধাহীন ইটের বস্তিতে।

দীর্ঘদিন চউক চলেছে একজন সার্বক্ষণিক নগর পরিকল্পনা সংক্রান্ত সমস্যা এবং ‘এমইউআরপি’ যোগ্যতাসম্পন্ন প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ ছাড়াই। এ দুটি পদে পদায়নের জন্য যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি চেয়ে চউক চেয়ারম্যান এম জহিরুল আলম দোভাষ গত ২৪ ফেব্রুয়ারি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর চিঠিও দেন। গত ১৯ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে চউকের প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামসকে তার নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদের ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এ ছাড়াও দীর্ঘদিন যাবৎ প্রধান প্রকৌশলী ও দুটি তত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর পদ খালী রয়েছে। ভারে ভারে ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েছে সিডিএর বেশ কিছু কম্কতা। এরাই নিয়ন্ত্রন করছে সিডিএকে। ৪ জন সহকারী অথরাইজড অফিসারের মধ্যে দুই জন প্রায় ১৫/২০ বছর যাবৎ একই পদে আসীন রয়েছে। তারা হলেন- মোহাম্মদ ওসমান ও আনোয়ার। এই পদে আনোয়ারের কোন যোগ্যতা না থাকলেও প্রশাসনিক রহস্যজনক কারনে সে এই পদে বহাল তবিয়তে রয়েছে।

চউকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ ও প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস বলেন, ‘নগরীতে ভবন নির্মাণে প্রস্তাবিত সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা না ছেড়ে বিধিমালা লঙ্ঘন করে অসংখ্য ভবন নির্মাণের ঘটনা ঘটেছে। তিন ফুট প্রশস্ত প্রস্তাবিত রাস্তার পাশে যেখানে তিনতলা ভবনের চাইতে অধিক তলাবিশিষ্ট ভবন নির্মাণের অনুমতি নেই, সেখানে ৯ তলা থেকে ১২ তলাবিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ৬ ফুট প্রশস্ত প্রস্তাবিত রাস্তা রাখতে যেখানে বলা হয়েছে, সেখানে রাস্তার জন্য জায়গা  ছেড়ে নির্মাণকাজের জমি আলাদা করতে কোনো সীমানা দেওয়াল নির্মাণ দূরে থাক, অনেক ভবনমালিক প্রস্তাবিত রাস্তার জায়গা পর্যন্ত দখল করে বসে আছে। আমি ভারপ্রাপ্ত হিসেবে প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদের দায়িত্ব নেওয়ার পর ইতিমধ্যে চউকের বিধিমালা গুরুতরভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে এরকম ৬০ থেকে ৭০টি ফাইল চিহ্নিত করেছি।

দেখা গেছে, প্রস্তাবিত সড়কের বিষয়টি নিশ্চিত না করে অসৎ উদ্দেশ্যে বিধিমালা লঙ্ঘন করে এসব ভবন নির্মাণের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে চউক থেকে। ভবনের প্ল্যান পাশের সময় রাস্তার মূল দেওয়াল তৈরি করা হয়েছে কি হয়নি—এ বিষয়টিও সরেজমিনে দেখেননি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। আর নিয়মবহির্ভূতভাবে নির্মিত ভবনের বিভিন্ন অংশ ভেঙে ফেলার জন্য চউকের অথরাইজেশন বিভাগ থেকে যেসব নোটিশ জারি করা হয়েছে, তার এক বিশাল পাহাড় জমেছে এখানে। কিন্তু এসব নোটিশ বাস্তবায়নে গত ১৩ বছরে একটিও উচ্ছেদ অভিযান নেই। নগরীতে শুধু ব্যক্তিগত ভবনেই চউক বিধিমালা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে না, উপরন্তু দেখা গেছে, নগরীতে যে ২৫টি ডেভেলপার কোম্পানি ভবন নির্মাণের কাজ করছে, তারাও চউকের বিধিমালা, আইন মানছে না। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর এসব অনিয়ম বন্ধ ও শৃঙ্খলা প্রণয়নে হাত দিয়েছি।’

চউকের নগর উন্নয়ন ও বিশেষ কমিটির সদস্য ইন্জিনিয়ার শহীদ বলেন, ‘১১৫২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের চট্টগ্রাম মহানগরীতে ২ থেকে আড়াই লাখ ভবন রয়েছে। সরেজমিনে তদন্ত করে দেখলে দেখা যাবে, এসব ভবনের ৯৯ শতাংশ কোনো না কোনোভাবে চউকের ২০০৮-২০০৯ বিধিমালা ভঙ্গ করেছে। কেউই বিধি মোতাবেক জায়গা ছাড়ছে না। যারা জায়গা না ছেড়ে ভবন করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে চউক আন্তরিক না হলে এই বেআইনি কার্যক্রম বন্ধ করা যাবে না বলে আমি মনে করি।