দি ক্রাইম ডেস্ক : বৃটিশবিরোধী আন্দোলনের বিপ্লবী, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক প্রয়াত মুকুন্দলাল সরকারের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর)। তিনি ১৯০৯ সালে গোপালগঞ্জের ধর্মরায়ের বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।

তার একাত্তর বছরের জীবনকালে তিনি জমিদারী প্রথা উচ্ছেদ অভিযান, কারাবরণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়া, রাস্তা নির্মাণ, খাল খননসহ অসংখ্য জনহিতকর কাজ করে স্থানীয় জনগণের মাঝে আজও স্মরণীয় হয়ে আছেন।

১৯৬৫ সনে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার তাকে ডিফেন্স অব পাকিস্তান রুলে গ্রেফতার করে দীর্ঘকাল কারা অন্তরীণ করে রাখে। তিনি শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন।

শ্রী সরকার সমাজসেবার অংশ হিসেবে কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং গোপালগঞ্জ ও খুলনার বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি প্রাথমিক ও উচ্চবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।

দিবসটি পালন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় শ্রী সরকারের কনিষ্ঠপুত্র সিনিয়র সাংবাদিক ও বাসস এর সাবেক সিটি এডিটর অজিত কুমার সরকারের ধানমন্ডিস্থ বাসভবনে (বাড়ি নম্বর-২৫, রোড নম্বর- ৩২, ধানমন্ডি আ/এ, ঢাকা ১২০৫) স্মৃতি তর্পণ ও প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

এছাড়া তার নিজ এলাকা হাইশুরের বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দাদের জন্য খাবার পরিবেশন ও প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, মুকুন্দলাল সরকারের সংগ্রামী জীবন ও কর্মের ওপর বাংলা একাডেমির পরিচালক, গবেষক ও কবি ড. তপন বাগচী লিখিত ‘গোপালগঞ্জের মুকুন্দলাল: জনপদের জননেতা’ শীর্ষক গ্রন্থটি এলাকার পাঠকদের কাছে বিপুলভাবে সমাদৃত হয়েছে। শ্রী সরকারের দ্বিতীয় পুত্র কলাম লেখক ও এডুকেশন টুডে পত্রিকার সাবেক সম্পাদক মনীন্দ্র নাথ সরকার, তৃতীয় পুত্র এম আর ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সাবেক জেনারেল ম্যানেজার সুভাষ সরকার ও সিনিয়র সাংবাদিক অজিত কুমার সরকার তাদের পিতার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনার জন্য শুভানুধ্যায়ী সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছেন।

দি ক্রাইম ডেস্ক : বৃটিশবিরোধী আন্দোলনের বিপ্লবী, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক প্রয়াত মুকুন্দলাল সরকারের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর)। তিনি ১৯০৯ সালে গোপালগঞ্জের ধর্মরায়ের বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।

তার একাত্তর বছরের জীবনকালে তিনি জমিদারী প্রথা উচ্ছেদ অভিযান, কারাবরণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়া, রাস্তা নির্মাণ, খাল খননসহ অসংখ্য জনহিতকর কাজ করে স্থানীয় জনগণের মাঝে আজও স্মরণীয় হয়ে আছেন।

১৯৬৫ সনে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার তাকে ডিফেন্স অব পাকিস্তান রুলে গ্রেফতার করে দীর্ঘকাল কারা অন্তরীণ করে রাখে। তিনি শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন।

শ্রী সরকার সমাজসেবার অংশ হিসেবে কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং গোপালগঞ্জ ও খুলনার বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি প্রাথমিক ও উচ্চবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।

দিবসটি পালন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় শ্রী সরকারের কনিষ্ঠপুত্র সিনিয়র সাংবাদিক ও বাসস এর সাবেক সিটি এডিটর অজিত কুমার সরকারের ধানমন্ডিস্থ বাসভবনে (বাড়ি নম্বর-২৫, রোড নম্বর- ৩২, ধানমন্ডি আ/এ, ঢাকা ১২০৫) স্মৃতি তর্পণ ও প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

এছাড়া তার নিজ এলাকা হাইশুরের বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দাদের জন্য খাবার পরিবেশন ও প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, মুকুন্দলাল সরকারের সংগ্রামী জীবন ও কর্মের ওপর বাংলা একাডেমির পরিচালক, গবেষক ও কবি ড. তপন বাগচী লিখিত ‘গোপালগঞ্জের মুকুন্দলাল: জনপদের জননেতা’ শীর্ষক গ্রন্থটি এলাকার পাঠকদের কাছে বিপুলভাবে সমাদৃত হয়েছে। শ্রী সরকারের দ্বিতীয় পুত্র কলাম লেখক ও এডুকেশন টুডে পত্রিকার সাবেক সম্পাদক মনীন্দ্র নাথ সরকার, তৃতীয় পুত্র এম আর ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সাবেক জেনারেল ম্যানেজার সুভাষ সরকার ও সিনিয়র সাংবাদিক অজিত কুমার সরকার তাদের পিতার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনার জন্য শুভানুধ্যায়ী সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছেন।