ঢাকা ব্যুরো: আয়ুর্বেদিক ওষুধের আড়ালে রাজধানীর নারিন্দা এলাকায় মাদক ব্যবসার খবরে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান চালিয়ে মূল হোতাসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। ফকিরচান কমিউনিটি সেন্টারের পাশের একটি ছয়তলা বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এই গোডাউনের সন্ধান পায় র‍্যাব-২ এর একটি দল।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মূলহোতা মো. ওয়াজেদ ইসলাম শান্ত (২০), মো. রাসেল (২৯), মো. হৃদয় (২৯), মো. মুরসালিন আহম্মেদ (১৮), মো. সবুজ মিয়া (১৮), মো. নান্টু (৫২)।

র‌্যাবের এই অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (এএসপি) আ. ন. ম. ইমরান খান। তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর নারিন্দার একটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে র‍্যাব।

সংবাদ সম্মেলনের মুহূর্তেও ওই বাড়িতে মাদকবিরোধী অভিযান চলছিল।

এ সময় সাড়ে তিন হাজার বোতল মদ ও মদ তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত ইয়াবার গুড়া ও গাঁজা সদৃশ বস্তুসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। অভিযান শেষে রাত পৌনে একটার দিকে সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন গণমাধ্যমকর্মীদের এসব জানান। তিনি বলেন, বেশ কয়েকজন অভিভাবকের কাছ থেকে সম্প্রতি কামরাঙ্গীরচরে খোলামোলা জায়গায় একটি দোকানে আয়ুর্বেদিক ওষধের আড়ালে এক প্রকার পানীয় বিক্রির অভিযোগ পেয়েছি। তারা জানিয়েছেন, এই আয়ুর্বেদিক ওষুধের প্রতি আসক্ত এবং এই ওষুধ খাওয়ার পর মাদকাসক্তদের মতো আচরণ করে থাকে তাদের ছেলেরা। পরবর্তীতে র‌্যাব-২ এর গোয়েন্দা দল গোপনভাবে আয়ুর্বেদিকের দোকান থেকে ওষুধ সংগ্রহ করে ও তা পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়। সেই পানীয়ের মধ্যে গাজা, ইয়াবা, ডান্ডি তৈরিতে ব্যবহৃত টলুইন নামক নামক ‘ক’ শ্রেণির মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়। এছাড়াও তীব্র ঘুমের ওষুধ ও যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধির বিভিন্ন উপকরণ, অ্যাসিড জাতীয় দ্রব্যাদিসহ বিভিন্ন দাহ্য পদার্থের উপস্থিতি পাওয়া যায় যা গ্রহণ করলে কিডনিসহ শরীরের নানা রকম জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ঢাকা ব্যুরো: আয়ুর্বেদিক ওষুধের আড়ালে রাজধানীর নারিন্দা এলাকায় মাদক ব্যবসার খবরে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান চালিয়ে মূল হোতাসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। ফকিরচান কমিউনিটি সেন্টারের পাশের একটি ছয়তলা বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এই গোডাউনের সন্ধান পায় র‍্যাব-২ এর একটি দল।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মূলহোতা মো. ওয়াজেদ ইসলাম শান্ত (২০), মো. রাসেল (২৯), মো. হৃদয় (২৯), মো. মুরসালিন আহম্মেদ (১৮), মো. সবুজ মিয়া (১৮), মো. নান্টু (৫২)।

র‌্যাবের এই অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (এএসপি) আ. ন. ম. ইমরান খান। তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর নারিন্দার একটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে র‍্যাব।

সংবাদ সম্মেলনের মুহূর্তেও ওই বাড়িতে মাদকবিরোধী অভিযান চলছিল।

এ সময় সাড়ে তিন হাজার বোতল মদ ও মদ তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত ইয়াবার গুড়া ও গাঁজা সদৃশ বস্তুসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। অভিযান শেষে রাত পৌনে একটার দিকে সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন গণমাধ্যমকর্মীদের এসব জানান। তিনি বলেন, বেশ কয়েকজন অভিভাবকের কাছ থেকে সম্প্রতি কামরাঙ্গীরচরে খোলামোলা জায়গায় একটি দোকানে আয়ুর্বেদিক ওষধের আড়ালে এক প্রকার পানীয় বিক্রির অভিযোগ পেয়েছি। তারা জানিয়েছেন, এই আয়ুর্বেদিক ওষুধের প্রতি আসক্ত এবং এই ওষুধ খাওয়ার পর মাদকাসক্তদের মতো আচরণ করে থাকে তাদের ছেলেরা। পরবর্তীতে র‌্যাব-২ এর গোয়েন্দা দল গোপনভাবে আয়ুর্বেদিকের দোকান থেকে ওষুধ সংগ্রহ করে ও তা পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়। সেই পানীয়ের মধ্যে গাজা, ইয়াবা, ডান্ডি তৈরিতে ব্যবহৃত টলুইন নামক নামক ‘ক’ শ্রেণির মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়। এছাড়াও তীব্র ঘুমের ওষুধ ও যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধির বিভিন্ন উপকরণ, অ্যাসিড জাতীয় দ্রব্যাদিসহ বিভিন্ন দাহ্য পদার্থের উপস্থিতি পাওয়া যায় যা গ্রহণ করলে কিডনিসহ শরীরের নানা রকম জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।